রহস্যের শেষ নাই, রহস্য খোঁজা বৃথা তাই

এই ‍সুন্দর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কখনোই আমাদের বিস্মিত করতে কার্পণ্য করে না। এখানে এমন অনেক কিছুর অস্তিত্ব আছে যার কোনো ব্যাখ্যা নেই, কোনো ভাবেই বিশ্লেষণ করা যায় না তাদের। বিষয়গুলো এখন মানবজাতির জন্য ধাঁধা। তবে, সেসব আছে, আর ক্রমাগত আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে চলেছে।

  • মেরেডিথ পাথর

১৮৭২ সালে মেরিডিথ শহরের উইনিপেসুকি লেকে (নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র) এই পাথরটি পাওয়া পাওয়া যায়। এখানে একটা কোয়ার্টজ শিলায় একটি মুখমণ্ডল খোদাই করা। যদিও, নিউ হ্যাম্পশায়ারে কখনোই কোয়ার্টজ শিলার অস্তিত্ব মেলেনি। আর এই শিলা খন্ড কবেকার, এর কাজই বা কি – সবই অজানা।

  • ট্যাওসের গুনগুন

নিউ মেক্সিকোর (আমেরিকা) ট্যাওসের মানুষরা খুব নিচু আওয়াজের গুনগুন শুনতে পায়। তবে, এর উৎস কেউ জানে না। বড় কোনো রাস্তা দিয়ে গাড়ী গেলে যেমন শব্দ হয়, এই গুনগুনটা অনেকটা তেমন। মজার ব্যাপার হল, ওই শহরের কাছে এমন বড় কোনো সড়কই নেই।

  • প্রশান্ত মহাসাগরের লাল আভা

অদ্ভুত এই লাল আভা প্রতম দেখেছিলেন ক্রিশ্চিয়ান ভ্যান হেইজস্ট। তিনি হংকং থেকে আলাস্কা যাচ্ছিলেন নিজের বোয়িই ৭৪৭-৮ বিমান চালিয়ে। প্রথমে ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মত আলো ঝলকানি দেয়, তারপর দেখা যায় এই লাল আভা। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সম্ভবত প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে কোনো আগ্নেয়গিরি আছে।

  • রাশমোর রহস্য

বিখ্যাত এই ভাস্কর্য নির্মানের সময় স্থপতি গাটজন বোরগ্লাম মুখগুলোর ভিতরে এটা হল নির্মান করতে চেয়েছিলেন। আব্রাহাম লিংকনের মাথার পেছনে তিনি গুহা খুঁড়েছিলেন। ১৯৯৮ সালে গাটজনের মৃত্যুর ৫০-এরও বেশি বছর পর ওই অসমাপ্ত হলে প্রেসিডেন্টদের নানারকম তথ্যাবলী সংবলিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ রেখে দেওয়া হয়। এটাকে ‘টাইম ক্যাপসুল’ হিসেবে মনে করা হয়। কেউ জানে না ওই গুহা এখন কোন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, ৫০ বছর যাবৎ খালি পড়ে আছে। কেউ কেউ মনে করে, ওখানে কিছু গোপন ল্যাবরেটরি খোলা হয়েছে। কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা, কেউ বলতে পারে না।

  • বসনিয়ার পাথুরে গোলা

স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করেন তাঁদের পূর্বপুরুষরা এটা মানিয়ে রেকে গেছেন। কেউ মনে করেন আকাশ থেকে উল্কাপাতের সময় গোলাটি এখানে এসে পড়েছে। তবে, কোনো কিছুরই সত্য-মিথ্যা যাচাই করা যায়নি।

  • রিউকো দ্বীপের পাকা উঠোন

১৯৮৬ সালে একদল ডাইভার বিচিত্র ধরণের স্থাপত্য দেখে রিউকো দ্বীপে, তাও আবার পানির নিচে। স্থাপত্য গুলো ইয়োনাগুনি দ্বীপের কাছে। পাথরের সেই স্থাপত্যে হাতে আঁকা বিভিন্ন চিহ্ন ও পশুপাখির ছবি আঁকা। কোথা থেকে এই স্থাপত্য আসলো, কারা এটা বানিয়েছে, কত আগে নির্মিত, এর কোনো কিছুরই হদিস মেলেনি।

https://www.mega888cuci.com