নান্দনিক, অনন্য সুন্দর, বিস্ময়কর!

রাশিয়ায় চলমান বিশ্বকাপকে চাইলে ‘বিস্ময়কাপ’ বলে চালিয়ে দেওয়া যায়। একের পর এক বিস্ময় যে গড়ে চলেছে এই টুর্নামেন্ট।  শুধু, বিস্ময়কর ঘটনাই নয়, বিস্ময়কর সব গোলেরও দেখা মিলছে বিশ্বকাপে। ৬৪ টি ম্যাচের মধ্যে ৫৬ টি হয়ে গেছে। গোল হয়েছে ১৪৬ টি। সেসবের মধ্যে বাছাইকৃত নান্দনিক কিছু গোল নিয়েই আমাদের এই আয়োজন।

  • এডিনসন কাভানি, উরুগুয়ে-পর্তুগাল (দ্বিতীয় পর্ব)

সুয়ারেজের পায়ে যখন বল আসে তখন দৃশ্যপটেই ছিলেন না কাভানি। সুয়ারেজ যখন মাপা এক ক্রস নিলেন তখনও তিনি দৌড়াচ্ছেন। পৌঁছলেন একদম সময়মত। ব্যস, ৩০ গজ দৌঁড়ে এসে হেড থেকে দর্শনীয় এক গোল। ঠিক হেড নয়, মুখ আর নাক দিয়ে বলটাকে ঠেলে দেন। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় উরুগুয়ে।

  • অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স (দ্বিতীয় পর্ব)

অ্যান্তনিও গ্রিজম্যান পেনাল্টি থেকে গোল করে তখন এগিয়ে দিয়েছেন ফরাসিদের। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা লাতিন আমেরিকানরা তখন ব্যাকফুটে। তখনই ৩০ গজেরও একটু বেশি দূর থেকে ধেয়ে আসলো অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার মিসাইল। ম্যাচে ফিরলো লিওনেল মেসির দল। এই বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে দূর থেকে করা গোল।

  • বেঞ্জামিন পাভার্ড, ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা (দ্বিতীয় পর্ব)

গ্যালারিতে তখন আর্জেন্টিনা, মেসি রব। কিছুক্ষণ আগেই মেসির অ্যাসিস্টে গোল করেছেন মেকার্দো। তখনই ২২ বছর বয়সী ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন পাভার্ডের নির্ভুল এক ভলি, আর চোখ ধাঁধানো এক গোল। গ্রুপ পর্বে পর্তুগালের বিপক্ষে অনেকটা এমনই এক গোল করেছিলেন স্পেনের নাচো। সমতায় ফেরে ফ্রান্স, ম্যাচের মোমেন্টামই পাল্টে দেয় এই গোল। বুন্দেসলিগায় ভিএফবি স্ট্রুটগার্ডের হয়ে খেলা পাভার্ডের এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।

  • কিলিয়ান এমবাপে, ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা (দ্বিতীয় পর্ব)

ছবির মত সুন্দর একটা গোল। গোলরক্ষ লরিসের কাছ থেকে আক্রমণের শুরু হয়। মধ্যমাঠে বল পান মাতুইদি। সেখান থেকে অলিভার জিরুদ। চেলসির এই ফরোয়ার্ডের পাস ডিফেন্সের বাঁধা ভেঙে পৌঁছে যায় এমবাপের কাছে। ওভারল্যাপ করা এমবাপে এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে শট নেন, ব্যস পরাস্ত হন ফ্রাঙ্গো আরমানি।

  • তাকাশি ইনুই, জাপান-বেলজিয়াম (দ্বিতীয় পর্ব)

জাপান তখন ১-০ গোলে এগিয়ে। লা লিগার ক্লাব এইবারের হয়ে খেলা তাকাশির পায়ে যখন বল আসলো তখন তিনি গোল পোস্ট থেকে ২২ গজ দূরে। তাঁর দূরপাল্লার শটটা কেবল গতিশীল ছিল না, ছিল দৃঢ় আর নির্ভুলও। ব্যস, তাতে চেলসির গোলরক্ষক থিবাউত কোর্তোয়া তাঁর ছয় ফুট ছয় ইঞ্চির শরীর নিয়ে ডাইভ দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

– টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে

https://www.mega888cuci.com