আফ্রিকার গাঁজাখুরি গল্প বনাম বাস্তবতা

আফ্রিকা মহাদেশের নাম শুনলেই মনের দৃশ্যপটে ভেসে ওঠে দারিদ্র । বিচিত্র এই মহাদেশে রয়েছে নিবিড় সবুজ অরণ্য, বিস্তীর্ণ তৃণভূমি, জনমানবহীন মরুভূমি, সুউচ্চ পর্বত এবং খরস্রোতা নদী। রয়েছে বহু বিচিত্র জাতির লোকের বাস, যারা শত শত ভাষায় কথা বলে। আফ্রিকার গ্রামাঞ্চলে জীবন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে একই রয়ে গেছে, অন্যদিকে অনেক শহরে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। এশিয়া এবং ইউরোপের মানুষের কাছে আফ্রিকা ছিল একটি ভয়ঙ্কর মহাদেশ। আধুনিক মানুষেরা আফ্রিকা আসার পর, এরা হয়ে উঠেছিল আফ্রিকার আদিবাসীদের জন্য ভয়ঙ্কর।

বিচিত্র এই মহাদেশ নিয়ে রয়েছে সত্য মিথ্যা অনেক অনেক জল্পনা কল্পনা। পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে থাকা এমন কিছু জনশ্রুতি নিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে আমাদের আজকের আয়োজন।

  • কলাকৌশলগত অগ্রগতিবিহীন মহাদেশ আফ্রিকা

আফ্রিকা মহাদেশ উন্নয়নশীল দেশে ভরপুর, এ তথ্যটি আমরা সবাই কমবেশি জানি। অনেকের ধারণা আবার এই মহাদেশ একেবারে মধ্যযুগেই পড়ে আছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। আফ্রিকানদের ৯০ শতাংশের কাছেই মোবাইল ফোন রয়েছে। এমনকি তাদের প্রোগ্রামররা নিজেরাই বিভিন্ন অ্যাপ বা প্রয়োজনীয় যন্ত্রাদি প্রস্তুত করে থাকেন।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এখানকার স্থানীয় ডেভেলপাররা কৃষকদের জন্য গবাদিপশুর প্রজনন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ে পরামর্শমূলক সেবা চালু করছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে আফ্রিকা মহাদেশ উৎপাদনের দিকে থেকেও যথেষ্ট মানসম্মত এবং এর বেশ কিছু দেশে বড় যন্ত্রপাতি এমনকি গাড়িও উৎপাদিত হয়।

  • এক উত্তপ্ত মরুভুমি আফ্রিকা

আফ্রিকার কথা শুনলেই অনেকের মাথায় আসে এক উত্তপ্ত মরুময় বিরাণভুমির চিত্র। অথচ এখানে রয়েছ্ব উষ্ণমন্ডলীয় বনাঞ্চল, সুউচ্চ কিলিমাঞ্জারো পর্বত, বরফয়াচ্ছন্ন পর্বতশিখর, এমনকি সমতল তৃণভূমি। সকল প্রকার জলবায়ু অঞ্চলও রয়েছে এখানে আর নিরক্ষীয় অঞ্চলগুলোতেও বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করে না।

  • কালো চামড়ার অধিবাসীদের মহাদেশ আফ্রিকা

আমরা সকলেই ভাবতে অভ্যস্ত যে আফ্রিকা শুধুই কালোবর্ণের অধিবাসীদের মহাদেশ। কিন্তু সত্যিকারে এই মহাদেশ পরম যত্নে ধারণ করে আছে নানা বর্ণের, নানা সংস্কৃতির শতকোটি মানুষকে। ইউরোপ ও এশিয়া হতে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা বা নানান কারণে অনেকেই এসে স্থায়ী বসবাস গড়েছিলেন এখানে। তাদেরই উত্তরাধিকারীদের সাথে স্থানীয় অধিবাসীদের মিশ্রণে যেন এই মহাদেশ হয়ে উঠেছে কোনো শিল্পীর ক্যানভাসে করা রংয়ের মিশেল।

  • বন্যপ্রাণীতে পরিপূর্ণ আফ্রিকা

টিভি, সিনেমা, কার্টুন প্রায়শই দেখানো হয় যে আফ্রিকা বন্যপ্রাণীদের অভয়ারণ্য আর এসকল প্রাণীরা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায় আর চাইলেই নিরীহ মানুষদের আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু আসলে এখানকার সাফারি বা শিকার অভিযানগুলো হয় মূলত শীতকালে যখন কিনা বিষাক্ত সাপ এবং পোকামাকড়েরা শীতনিদ্রায় মগ্ন থাকে।

আর বন্য প্রাণীদের অধিকাংশই রয়েছে এখানকার জাতীয় উদ্যানগুলোতে তাই মানুষের উপর কোনরকম প্রাণীর আক্রমণের বিষয়টা নিতান্তই অবান্তর যদি না কোনো ব্যক্তি উক্ত জাতীয় উদ্যানের নিয়মভঙ্গ করে ইচ্ছাকৃতভাবে সেসকল প্রাণীর সংস্পর্শে আসে বা তাদের শিকার করার চেষ্টা করে।

  • উচ্চমাত্রার অপরাধের মহাদেশ আফ্রিকা

অনেকেই এমন ধারণার সাথে পরিচিত যে আফ্রিকাই গেলেই অতিমাত্রায় সতর্কতা বজায় রাখতে হবে কারণ এখানে অপরাধের হার বেশি। কিন্তু বাস্তবে আফ্রিকার পর্যটন ব্যবস্থাপনা খুবই উন্নত এবং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এই মহাদেশ পশ্চিমা পর্যটকদের নিকট জনপ্রিয় গন্তব্যস্থলে পরিণত হচ্ছে। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকাতেই বছরে পনের লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে। এর এমন জনপ্রিয়তার কারণ হতে পারে প্রকৃতি এবং চমকপ্রদ সব প্রাণীর এতো কাছাকাছি থেকেওএখানকার পর্যটন কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

  • আফ্রিকার নেই কোনো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

আফ্রিকার নাম শুনলেই অনেকের চোখে ভাসে আদিম এক সমাজ ব্যবস্থা যার নেই কোনো বিকশিত ঐতিহ্য বা ইতিহাস। কিন্তু তা মোটেও খাটবে না বাস্তবিক আফ্রিকার ক্ষেত্রে। আফ্রিকাকে বলা হয়ে থাকে সভ্যতার সূতিকাগার। এখানে রয়েছে সুপ্রাচীন দালানকোঠা এবং তাদের সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বেশ কিছু স্থাপনা যা খুবই সরর্কতার সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। উয়াহরণ হিসেবে কানিয়ের কথাই ধরা যায়, এখানে আছে দু’শোরও বেশি স্মৃতিস্তম্ভ। আরও বলা যায় এখানকার বিভিন্ন দেশের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা চিত্তাকর্ষক কিছু জাদুঘরের কথা।

  • দারিদ্র্যের দেশ আফ্রিকা

আফ্রিকাভ্রমণের পূর্বে অনেকেই ধরে নেন যে এখানে এসে চারপাশে ছড়িয়ে থাকা দারিদ্র্যের নির্মমতার সাক্ষী হবেন। এই মহাদেশে যদিওবা কিছু দেশ আসলেই দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে, তবুও সেই ক্ষুদ্র অংশ সাধারণত যতদূর ভাবা হয় তার চেয়েও অনেক কম। মূলত আফ্রিকান দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বাদবাকি উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতোই।

সুতরাং, এখানেও মধ্যম আয়ের বা মধ্যবিত্ত লোকের হার বাড়ছে। ঠিক আরেক দিকে এসকল দেশগুলো পর্যটনশিল্পে প্রচুর পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করছে যা কিনা ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন হোটেল বা বিনোদনমূলক স্থান নির্মাণ করে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে।

  • মহামারী আর মরণব্যাধিতে ভরপুর আফ্রিকা

সংবাদমাধ্যামগুলোর কল্যাণে আমরা প্রায়ই দেখতে পাই যে আফ্রিকাই নতুন কোনো মারাত্মক রোগ ভয়াবহ আকারে ছড়াতে শুরু করেছে যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে যে এটি একটি রোগ-বালাইয়ে ভরপুর মহাদেশ। এমনকি যে ইবোলা কিছুদিন আগেই দৈনন্দিন জীবনে ভীতির সঞ্চার করেছিল তা মূলত সিয়ের লিয়ন এবং এর আশেপাশেই সীমাবদ্ধ ছিল।

আফ্রিকার কথা চিন্তা করলেই আরেকটি রোগের নাম আমাদের মাঝে ভয়ের বীজ পুঁতে দেয় আর তা হলো ম্যালেরিয়া। অবশ্যই এখানে মশার উপদ্রব রয়েছে কিন্তু কিছু সাধারণ নিয়ম-কানুন মেনে চললে ভীতির কোনো কারণ থাকে না। মশার প্রকোপের বিরুদ্ধে সুরক্ষা পেতে নেওয়া যেতে পারে মশারি কিংবা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধক ওষুধের মতো কিছু পূর্বাবলম্বিত সাবধানতামূলক পদক্ষেপ।

  • আফ্রিকানদের বাসস্থানকুড়েঘর’!

সমস্ত আফ্রিকান লোকেরা কুটির কিংবা কুঁড়েঘরে বাস করেন না। এটি একটি বিশাল ভুল ধারণা যে, আফ্রিকার বড় বড় শহরগুলিতে নির্মাণপদ্ধতি পৃথিবীর অন্যান্য বৃহত শহরগুলো থেকে একটু ভিন্ন। সুউচ্চ-ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট ভবন, বিল্ডিং এবং ব্যবসায় কেন্দ্রগুলিতে উন্নত অবকাঠামোগত উন্নয়ন যথেষ্ট পরিচিত।

উন্নত স্থাপত্য এবং পরিকাঠামো আফ্রিকান শহরগুলিকে খুব প্রগতিশীল করে তুলেছে। তবে এখনও সেখানে কিছু মানুষ কুটিরে বাস করেন, যেমন অরণ্যবাসী , যদিও তারা সংখ্যায় খুবই নগণ্য।

  • আফ্রিকাতে আফ্রিকান ভাষায় কথা বলা হয়!

প্রথমত আফ্রিকান ভাষা বলে কোন ভাষার অস্তিত্বই নেই। উপরন্তু, স্থানীয় উপজাতিদের অন্যান্য ভাষাও ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। উপনিবেশকালের সময় আফ্রিকা, ইউরোপীয় ভাষা যেমন -ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, এবং পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা দ্বারা শোষিত হয়েছিল। ভাষাগুলি টেলিভিশন এবং ইন্টারনেটের সাহায্যে অতি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে। তারপরেও এই মহাদেশে শত শত বিভিন্ন ভাষা উচ্চারিত হয়। আফ্রিকার ভাষাবিদদের জন্য এটি একটি সাফল্য যে – কেবলমাত্র নামিবিয়াতেই ২0 টি রাষ্ট্রীয় ভাষা রয়েছে।

  • আফ্রিকা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দ্বারা বিছিন্ন!

আমেরিকান চলচ্চিত্রগুলি প্রায়ই আফ্রিকান দেশেগুলোতে স্থানীয় যুদ্ধ বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব প্রদর্শন করে। প্রকৃতপক্ষে, বিগত ৯০ বৎসরের মধ্যে, মহাদেশটিতে স্থানীয় দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়েছিল অনেক দেশে এবং প্রায় ১২টিরও বেশি যুদ্ধ হয়ে ছিল একযোগে। এই যুদ্ধগুলি উপনিবেশিক যুগের একটি উত্তরাধিকার হিসেবেই পরিচিত ছিল, যখন উপনিবেশবাদীদের স্বার্থের ভিত্তিতে দেশগুলির সীমানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং দেশের প্রকৃত সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বিচ্ছিন্নতার প্রায় কোনও হিসাবই গ্রহণ করা হয়নি। আজ, দেশগুলির অঞ্চলগুলি সংজ্ঞায়িত এবং সীমান্ত অতিক্রম করে যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে।

  • আফ্রিকাতে রয়েছে খাদ্যঘাটতি!

অনেক ফটোগ্রাফার এবং চলচ্চিত্র আফ্রিকার ক্ষুধার্ত মানুষদের এমনভাবে প্রদর্শন করে থাকে, যা থেকে আমরা ধারণা করি যে এই সমস্যাটি পুরো মহাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষুধার প্রবল আকাঙ্ক্ষা আফ্রিকার দেশগুলিতে বিদ্যমান,কিন্তু তা সবার ক্ষেত্রে একেবারেই নয়। বিশ্বের উর্বর মাটির প্রায় এক চতুর্থাংশ আফ্রিকাতে অবস্থিত কিন্তু তার সবটা কৃষিচাষের জন্য ব্যবহৃত হয়না। পর্যটন এলাকাগুলিতে খাবারের কোন সমস্যা নেই, এবং দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মিশরে, ম্যাকডোনাল্ডের রেস্তোরাঁগুলি খুবই সাধারণ।

  • শেতাঙ্গরা আফ্রিকায় ঘৃণিত!

দাসত্ব এবং ঔপনিবেশিকতার যুগের পর এমনটাই মনে করা হয় যখন স্বাধীন আফ্রিকা, ইউরোপীয়দের তাড়িয়েছে এবং তাদের সার্বভৌমত্ব ফিরে পেয়েছে। সাদা এবং কালোর পার্থক্য সেখানে আজো বিদ্যমান রয়েছে তবে ত্বকের হালকা রঙ স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ। তবে এটা এমন কোন সমস্যাই নয়।

উন্নত পর্যটন দেশগুলোতে, সেখানকার বাসিন্দারা অন্যান্য দেশের পর্যটকদের সাথে চলাফেরায় অভ্যস্ত এবং খুবই ভালো ব্যবহার করে থাকেন। এমনকি সম্ভাব্য সমস্যাগুলি এড়ানোর জন্য, নিজেকে পর্যটন অঞ্চলগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা প্রয়োজন এবং মেক্সিকোতে ল্যাটিন আমেরিকার মতো স্থানীয় জনগনকে বিরক্ত করা উচিত নয়।

  • আফ্রিকায় শাসক মানেই শোষক

এমনটা মনে করা হয় যে, আফ্রিকান দেশগুলোতে রাজনৈতিক শাসন সামরিক স্বৈরশাসনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং আফ্রিকার বাইরে মহাদেশটি ঐক্যবদ্ধ শাসন অত্যন্ত বিস্তৃত।কিন্তু বাস্তবে, বিভিন্ন রাজনৈতিক শাসন আফ্রিকায় একসঙ্গে বিদ্যমান – যেমন ঘানা এবং সেনেগাল, গণতন্ত্রের উন্নয়নের উদাহরণ বলা হয়। অবশ্যই আফ্রিকাকে ইউরোপীয়দের সহনশীলতা ও উন্মুক্ত নীতির সাথে তুলনা করা যায় না,তবে মনে করা হয়,পুরো মহাদেশের জন্য সর্বদলীয় শাসন ভুলও হতে পারে।

  • আফ্রিকাতে কোনো খাবার পানি নেই!

আফ্রিকাতে পরিষ্কার পানীয় জলের সংকটের সমস্যা বিদ্যমান এবং এটি ভয়ানক, কিন্তু এটি সমগ্র মহাদেশের উপর প্রভাব ফেলে না। পর্যটন এলাকাগুলো, একটি পরিষ্কার জলের বোতল এবং স্বাভাবিক কিংবা যেকোন জনপ্রিয় পানীয় জল কোনোটাই কোন সমস্যাই নয়। উদাহরণস্বরূপ, দূরবর্তী গ্রামগুলিতেও কোকা-কোলা পাওয়া যায় সহজলভ্য পানীয় হিসেবে।

  • আফ্রিকাতে বিনামূল্যে ভ্রমণ সম্ভব নয়!

ইউরোপ এবং আমেরিকায় ভ্রমণের জন্য এই পদ্ধতির ব্যবহার করা হয় কিন্তু এটা বিশ্বাস করা হয় যে আফ্রিকাতে ভ্রমনের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়না। প্রকৃতপক্ষে, উন্নত দেশগুলির চেয়ে আফ্রিকা মহাদেশে একটি গাড়ী ধরা আরও সহজ। মূলত, প্রথমে ট্রিপের শর্তগুলি উল্লেখ করে ড্রাইভারের সাথে কথা বলা হয় যাতে তিনি কোনও পেমেন্টের আশা না করেন।

  • পশ্চাদপদ তরুণ সমাজ

এই বিষয়ে আফ্রিকার পশ্চাদপদতাকে ব্যাপকভাবে ফলাও করা হয়। কিন্তু তাই বলে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের মত মাধ্যমগুলো দ্বারা এই অঞ্চলের মানুষকে আশ্চর্যান্বিত করা সম্ভব না কারণ এই অঞ্চলের তরুণ প্রজন্ম ফেসবুক ব্যবহার করে অন্যান্য দেশের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করছে বহুদিন আগে থেকেই। পর্যটন ব্যবস্থাও যথেষ্ট আধুনিককরণ করা হয়েছে। তাছাড়া আফ্রিকানেরা ইউরোপীয়দের তুলনায় অধিক অতিথিসেবক এবং ইতিবাচকও বটে।

– ব্রাইট সাইড অলবম্বনে

https://www.mega888cuci.com