নতুন রূপে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

বিশ্বকাপের পরে ফুটবল জগতে সবচেয়ে মর্যাদার আসর ধরা হয় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগকে। দ্বিতীয় সারির দলগুলোকে নিয়ে আয়োজিত ইউরোপা লিগও কম উপভোগ্য হয় না। ইউরোপিয়ান ক্লাব গুলোকে নিয়ে আয়োজিত এ  টুর্নামেন্ট দুটিকে আরেকটু জমজমাট করতে নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে উয়েফা। সম্প্রতি উয়েফার নীতি নির্ধারকদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরিবর্তিত নিয়মগুলো প্রয়োগ করা হকে ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে।

কি কি পরিবর্তন এসেছে? – চলুন বিস্তারিত জানি।

  • নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন

ক্লাবগুলো গ্রুপ পর্বের পর শীতকালীন দলবদলে দলে ভেড়ানো তিনজন খেলোয়াড়কে নক আউট পর্বে খেলাতে পারবে।

ইউরোপের ঘরোয়া লিগগুলোতে শীতকালীন দলবদলে নিবন্ধিত খেলোয়াড়দের মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে কোনো বাঁধা নেই। তার সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই মূলত আমাদের নিয়মে এ পরিবর্তন।

এ মৌসুমে বার্সেলোনা ফিলিপ কোটিনহোকে নক আউট পর্বে খেলাতে পারছেনা যেহেতু তিনি গ্রুপ পর্বে লিভারপুলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন।

একই ভাগ্য বরন করতে হয়েছে শীতকালীন দলবদলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ছেড়ে আর্সেনালে পারি জমানো পিয়েরে এমেরিক অবামেয়াংএর। ইউরোপা লিগের গ্রুপ পর্বে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলার কারণে  নকআউট পর্বে আর্সেনাল তার সার্ভিস পাচ্ছে না। কিন্তু জানুয়ারিতে নিবন্ধর করানো আরেক খেলোয়াড় হেনরিক মিখিতারিয়ানকে ঠিকই খেলাতে পারবে।  মিখিতারিয়ান তার পূর্ববর্তী দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলেছিলেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, তার বর্তমান দল আর্সেনাল ইউরোপা লিগ খেলছে বিধায় তার উপরে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। একই কারণে মিখিতারিয়ানের সাথে সোয়াপ ডিলে ম্যানচেস্টারে যাওয়া অ্যালেক্সিস সানচেজ খেলেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট স্টেজে।

  • কিক অফ টাইম

টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো শুরুর সময়েও খানিকটা পরিবর্তন এনেছে উয়েফা।  চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আর ইউরোপা লিগের ম্যাচগুলো এখন শুরু হয় গ্রিনউইচ মান সময়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে।  নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শুরু হবে গ্রিনউইচ মান সময়ে বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে। আর নকআউট পর্বের ম্যাচগুলো শুরু হবে গ্রিনউইচ মান সময়ে অনুযায়ী রাত আটটায়।

একই নিয়ম ইউরোপা লিগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। শুধু ইউরোপা লিগের রাউন্ড অফ থার্টি টু ও শুরু হবে ৫টা ৫৫তে।

  • বদলি খেলোয়াড়

নকআউট পর্বের ম্যাচ যোগ করা সময়ে গড়ালে দলগুলো চতুর্থ একজন বদলী খেলোয়াড় মাঠে নামাতে পারবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিনজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করতে পারে দলগুলো।

উয়েফার মতে এ পরিবর্তিত নিয়মগুলো দলগুলোকে, তাদের কোচদেরকে স্কোয়াড ম্যানেজমেন্টের ব্যাপারে আরেকটু ফ্লেক্সিবলিটি এনে দেবে। পাশাপাশি মৌসুমের গুরুত্বপূর্ন ফিক্সচারগুলোকেও এনে দেবে আরেকটু নখ কামড়ানো উত্তেজনা।

https://www.mega888cuci.com