ভেন্যু টেম্পোরারি, ডাক পার্মানেন্ট!

সুইস আল্পসে সেদিন বসেছিলো তারার মেলা। অবসর নিয়ে ফেলারও আরো বেশ ক’বছর পরে আবারো সেইন্ট মরিটজ আইস ক্রিকেট নামক এক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন বীরেন্দ্র শেবাগ, জ্যাক ক্যালিস, গ্রায়েম স্মিথ, শোয়েব আকতার, অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি, আবদুল রাজ্জাকদের মতো তারকারা।

সেন্ট মরিজের বরফে জমে যাওয়া এক লেকের উপরে কৃত্রিম টার্ফ বসিয়ে আয়োজন করা হয় এ ম্যাচ। চার মেরে শেবাগের টুর্নামেন্ট শুরু করা, ক্যালিসকে কভার ড্রাইভ করতে দেখা, রমেশ পাওয়ারের কালো সানগ্লাস, মাঠ জুড়ে মোহাম্মদ কাইফের ডাইভ দেওয়া, শেবাগ-শোয়েবের স্লেজিংয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের একধরণের নস্টালজিয়াই পেয়ে বসে।

তবে, সব কিছু ছাড়িয়ে নিজেকে সেদিন অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন একজন। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, টি-টেনের পর আইস ক্রিকেটেও শূণ্য রানে আউট হওয়া প্রথম ক্রিকেটার বনেছেন পাকিস্তানি ‘কিংবদন্তি’ সাহিবজাদা শহীদ খান আফ্রিদি!

সেন্ট মরিজ আইস ক্রিকেট – নামের সেই ম্যাচে প্যালেস ডায়মন্ডসকে ছয় উইকেটে হারায় রয়্যালসরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ডায়মন্ডস দল নয় উইকেট হারিয়ে করে ১৬৪ রান। শেবাগ ৬২, সাইমন্ডস ৪০ ও কাইফ ১৯ রান করেন। আবদুল রাজ্জাক চারটি, শোয়েব দু’টি ও শহীদ আফ্রিদি একটি উইকেট নেন।

জবাব দিতে নেমে মাত্র ১৫.২ ওভারে মাত্র চার উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রয়্যালসরা। ৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন ইংল্যান্ডের ওয়াইজ শাহ। জ্যাক ক্যালিস ৩৬ ও গ্রায়েম স্মিথ ২৩ রান করেন। পাওয়া দলের হয়ে সর্বোচ্চ দু’টি উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা ও অজিত আগারকার।

দল জেতার পরও সব ছাপিয়ে আলোচিত হল আফ্রিদির ডাক মারার কাণ্ড। টুইটারেও সেটা নিয়ে চলছে তামাশা। বাবা মোদিরাম নামের এক টুইটার ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন – ‘নাম: শহীদ আফ্রিদি, পেশা: শূণ্য রানে আউট হওয়া, আজ যেমন ডাক মারলেন আইস ক্রিকেটে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মাঠ হল টেম্পোরারি, আফ্রিদির ডাক হল পার্মানেন্ট।

– দ্য ইন্ডিয়ান ইডিয়ট অবলম্বনে

https://www.mega888cuci.com