তামিমের বোল্ড-সমগ্র

গেল বছর তামিম ইকবাল ছিলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ধারাবাহিক ওপেনারদের একজন। এই বছরও তিনি ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন – তবে, ক্ষেত্রটা ভিন্ন। এবার তাঁর কীর্তি টানা বোল্ড হওয়ার দিক থেকে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেরটানা ছয় ম্যাচে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলেন তামিম। বিশ্বকাপের আট ইনিংসের মধ্যে টানা চার ম্যাচে বোল্ড হয়েছিলেন তামিম। আর বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ড, উইন্ডিজ এবং বাংলাদেশের মধ্যকার ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ দুই ম্যাচেও বোল্ড হয়েই ফিরেছিলেন তামিম।

চলতি বছর ১৭ টি ওয়ানডে খেললেও এখন অবধি কোনো সেঞ্চুরি তো দূরের কথা, তামিম হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন মাত্র তিনটি। এই ১৭ ওয়ানডেতে তামিম বোল্ড হয়েছেন মোট আটবার। ক্যারিয়ারের ১৩ তম বছরে এটাই তামিমের এক বছরে সর্বোচ্চ বোল্ডের সংখ্যা। এর আগে ২০১১ সালে চারবার বোল্ড হওয়াটাই ছিল ক্যারিয়ারের ‘সর্বোচ্চ’।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের পক্ষে ৩১ তম বারের মত বোল্ড হলেন তামিম। ২০৩ ম্যাচের ২০১ ইনিংসে তামিমের এই ‘অযাচিৎ’ রেকর্ড বাংলাদেশের ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ।  সবচেয়ে বেশি বোল্ড হবার ক্ষেত্রে শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে স্পর্শ করেছিলেন তামিম। গতকাল ম্যাশকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

মাশরাফি ২১৭ ম্যাচের ১৫৬ ইনিংসে ৩০ বার বোল্ড হন। মাশরাফির সমান আছে সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিব ২০৬ ম্যাচের ১৯৪ ইনিংসে ৩০ বার ও রিয়াদ ১৮৪ ম্যাচের ১৫৯ ইনিংসে ৩০ বার বোল্ড হন।

এই ৩১ বারের মধ্যে তামিমকে বোল্ড করেছেন ২৭ জন ভিন্ন ভিন্ন বোলার। সর্বোচ্চ তিনবার বোল্ড করেছেন শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা। আর দু’বার করে করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেমার রোচ ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যাগিসো রাবাদা।

একবার করে বোল্ড করেছেন ট্রেন্ট জনস্টন, আন্দ্রে নেল, সোহেল তানভির, নুয়ান  কুলেসেকারা, তাওয়ান্ডা মুপারিবা, রেমন্ড প্রাইস, টিম সাউদি, স্টুয়ার্ট  ব্রড, টিম ব্রেসনান, মুদাসসর বুখারি, মিশেল জনসন, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ  হাফিজ, কোরি অ্যান্ডারসন, সুনিল নারাইন, তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, কেদার যাদব,  অ্যাশলে নার্স, বয়েড র‌্যানকিন, মিশেল স্টার্ক, মোহাম্মদ নবি, মোহাম্মদ  শামি, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও ইসুরু উদানা।

তামিমের বোল্ড ক্যালেন্ডার

  • ২০০৭  – ২ বার
  • ২০০৮ – ৩ বার
  • ২০০৯ – ২ বার
  • ২০১০ – ২ বার
  • ২০১১ –  ৪ বার
  • ২০১২ – ৩ বার
  • ২০১৩ – ১ বার
  • ২০১৪ – ২ বার
  • ২০১৫ – ৩  বার
  • ২০১৬ – নেই
  • ২০১৭ – ১ বার
  • ২০১৮ – নেই
  • ২০১৯ – ৮ বার
  • মোট – ৩১ বার

https://www.mega888cuci.com