বিপিএলের বিশ্বমানের প্রোডাকশন!

বিপিএলের টিভি প্রোডাকশন নিয়ে শুরুর দিন থেকে তুমুল সমালোচনা হলেও প্রোডাকশনে খুব সমস্যার কিছু দেখছে না বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। টিভি প্রোডাকশনে তারা খুশি। বিশ্বমানের প্রোডাকশন হচ্ছে বলে মনে করেন গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক। তার কথা –

‘কিছু প্রশ্ন এসেছে আমোদের প্রোডাকশন নিয়ে। এবার প্রোডাকশন আমরা বিসিবি নিজেরা করেছি। অন্যতম সেরা প্রোডাকশনের অভিপ্রায়ে শুরু করেছি। বিশ্বকাপ, আইপিএলের সেমিফাইনাল-ফাইনালে যে মানের প্রোডাকশন হয়, মিরপুরে সেটি করা হচ্ছে। সিলেটে স্পাই ক্যাম থাকবে না, সেখানে সেই অবকাঠামো নেই। এবার ড্রোন, স্পাইডার ক্যামসহ ৩৫টি কামেরায় প্রোডাকশন হচ্ছে, যেটি আমোদের দেশে আগে কখনও হয়নি।’

একটি উপকরণ আসতে একটু দেরি হয়েছে, আলট্রা এজ। আলট্রা এজ যে চালাবে, তার ভিসা ছিল না। সফটওয়ার তারই নিয়ে আসার কথা ছিল। আজকে চলে এসেছে। বিশ্ব মানের প্রোডাকশন দেওয়ার চেষ্টা করছি। এখনও পর্যন্ত আমরা খুশি। খারাপ বলব না। ভালো যাচ্ছে। টেকনোলজির দিক থেকে, উপকরণের দিক থেকে এর চেয়ে বেশি উপকরণ কোনো আইসিসি ইভেন্টেও ব্যবহার হয় না।’

প্রোডাকশনের ভুল নেই। আমাদের ধারাভাষ্যকাররা কয়েকটা হয়তো ভুল বলেছেন। আর একদিন গ্রাফিকসে একজন ক্রিকেটারের বয়স ভুল দেখানো হয়েছে। সেটা টাইপিংয়ের ভুল। খুব বড় কিছু নয়। আর ধারাভাষ্যকাররাও মানুষ। তাদের ভুলকে মানুষের ভুল হিসেবে নিতে হবে। প্রোডাকশনের কোনো কিছু না।’

গ্রাফিকস ও ধারাভাষ্য যে টিভি প্রোডাকশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সেটি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। খালেদ আহমেদের বয়স ১১৯ বছর দেখানো ছাড়াও ক্রিকেটারদের রান, গড়, নামসহ গ্রাফিকসে অসংখ্য ভুল যে প্রতিদিনই হচ্ছে, সেসবও জানানো হলো তাকে। তার পর তিনি বলেছেন –

গ্রাফিকসে যে ভুলগুলি আছে, আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি। চেষ্টা করব ঠিক করার। ধারভাষ্যকার প্যানেলে আমরা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। সামনে ড্যারিল কালিনান, ড্যানি মরিসন আসবে। যারা বারবার ভুল করবে, তারা থাকবে না প্যানেলে। কিছু ধারাভাষ্যকার আসলে আমাদের বিভিন্ন বোর্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কারণে এসেছে।’

জিং বেলস নিয়ে বলেছেন –

জিং বেলস আমরা এনেছি। কিন্তু উইকেটে যে উচ্চতা, সে অনুযায়ী প্রপার নয় বেলগুলো। ওজন একটু বেশি, মাটিতে পড়ার পরই কেবল জ্বলে। এটা দেখার পর আমরা আর দেইনি। বদলাতে বলেছি। ঢাকায় যখন দ্বিতীয় পর্বে ফিরবে, তখন হয়তো থাকবে।’

বিপিএল বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ, এটা নিয়ে এত কথা তাকে হার্ট করে বলে জানিয়েছেন সদস্য সচিব। কারণ এই দাবি তাদের নয়, অন্যরাই এই দাবি করেন। তার দাবি, ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথসহ অনেক ক্রিকেটারই বিগ ব্যাশের ওপরে বিপিএলকে রাখেন। আইসিসিসহ অন্যান্য বোর্ডের কর্তারাও আইপিএলের পরই বিপিএলকে রাখেন।

আমার বারংবার প্রশ্নে উনি আমাকে বলেছেন, স্মিথরাই যে বিগ ব্যাশের ওপরে বিপিএলকে রাখেন, নানা সময়ে তারা বলেছেন, এটা আমার চোখে পড়ে না কেন। কিন্তু আমার আসলেই চোখে পড়েনি, কখনোই। সত্যি জানতে চাই, আপনাদের কারও চোখে পড়েছে?

–  ফেসবুক ওয়াল থেকে

https://www.mega888cuci.com