আরো একবার টুপি খেলা অভিনন্দন

বারবার বলি, তাকে নিয়ে বিস্ময়ের কিছু বাকি নেই। তার পরও তিনি বিস্ময় উপহার দিয়েই চলেন।

কতবার বলি, তাকে বর্ণনায় আর কোনো বিশেষণ বাকি নেই। তবু তিনি নতুন কোনো বিশেষণ খুঁজতে বাধ্য করেন!

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে চার বলে চার উইকেটের কীর্তি। আরো একবার টুপি খোলা অভিনন্দন।

তাঁর সঙ্গে মজা-ফাজলামো যত করি, তাঁর চেয়ে বেশি জাগে বিস্ময়। আরও বেশি থাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

টি-টোয়েন্টি ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে চার বলে চার উইকেটের স্বাদ আগে পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই বোলার।

টি-টোয়েন্টিতে চার বলে চার উইকেট আছে পেসার আল আমিন হোসেনের। ২০১৩ সালে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টিতে আবাহনীর বিপক্ষে ইউসিবি-বিসিবি দলে হয়ে এক ওভারে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। তার মধ্যে চারটি টানা চার বলে।

সিলেটে সেবার ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে মেহেদি মারুফকে আউট করেছিলেন আল আমিন। দ্বিতীয় বলে হয়েছিল দুই রান। তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ পর্যন্ত টানা চার বলে ফিরিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন মিলন, সোহরাওয়ার্দী শুভ, নাঈম ইসলাম জুনিয়র ও নাবিল সামাদকে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এই কীর্তি যার, তাঁর নামটি অবাক করবে অনেককেই। বোলিং যে তার মূল কাজ নয়! বোলারের নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ!

২০১৪ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) মধ্যাঞ্চলের হয়ে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে তাঁর চার বলে চার উইকেট ছিল বেশ মজার। প্রথম ইনিংসে টানা দুই বলে তানবীর হায়দার ও শুভাশিস রায়কে ফিরিয়ে গুটিয়ে দিয়েছিলেন উত্তরাঞ্চলকে। দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে নিয়ে প্রথম দুই বলেই আউট করেন তাইজুল ইসলাম ও মুক্তার আলিকে। ম্যাচের দুই ইনিংসের একটিতেও চার উইকেট পাননি (৩+২), কিন্তু টানা চার বলে চার উইকেট ঠিকই নিয়েছিলেন!

– ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে

https://www.mega888cuci.com