সেরা হতে কি ক্লাব পাল্টানো জরুরী?

.

ভিন্ন একটা দৃষ্টিকোণ থেকে  লেখাটা শুরু করি। সবাই কম বেশি বলিউডের সিনেমা দেখেন। কাজেই সেটা দিয়েই শুরু করি।

একটা সিনেমা হিট হবার জন্য ফ্যাক্টর কি কি?

অনেকেই বলবেন খুব ভালো একটা গল্প। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন যে গত বছরের খুব ভালো গল্প নিয়ে একটা সিনেমা ‘নিউটন’ তেমন হিট করতে পারেনি। আবার ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হ্যাপি নিউ ইয়ার একটা জঘন্য গল্প নিয়েও বাম্পার হিট।

মূল কথা হচ্ছে একটা সিনেমা কি জন্য হিট করে সেটা আপনি নির্দিষ্ট কোন ফর্মুলায় ফেলতে পারবেন না।তবে অতীত অভিজ্ঞতা কিংবা একটু বিশ্লেষন করে আপনি হিট হবার কারণ কিছুটা বের করতে পারবেন। আমি কয়েকটা কারণ বলছি।

– কোন সুপার স্টার থাকলে সেই সিনেমা হিট হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আমির কিংবা শাহরুখ টাইপ অভিনেতা থাকলে তাদের ফ্যানরাই অন্তত একবার দেখে সেই সিনেমা হিট করিয়া ফেলে। এই কারণে তাদের ফ্লপ সিনেমাও অনেকে ছোট খাটো হিট সিনেমার চাইতে বেশী ব্যবসা করে। কিন্তু যেহেতু আমিরদের প্রোডাকসন এবং ডিস্ট্রিবিউশন খরচ বেশী তাই তারা লাভটা উঠাতে না পারায় লসের খাতায় নাম লেখায়।

– বিখ্যাত ডিরেকটরদের সিনেমা সাধারণত হিট হয়। একটা সময় যশ চোপড়া, সুভাশ ঘাই, মহেশ ভাট দের প্রোডাকশনের সিনেমা চোখ বন্ধ করে হিট হতো। পরবর্তিতে মনি রত্নম, বিধু বিনোধ চোপড়া, সঞ্জয় লীলা বানসালী, করণ জোহার কিংবা বর্তমানে রোহিত শেট্টি দের নামের কারণেও অনেক সিনেমা হিট হয়ে যায়। বাংলাদেশে একটা সময় হুমায়ুন আহমেদের নামে সিনেমা হিট হতো। তারও আগে কাজী জহির, তোফাজ্জল হোসেন বকুল, আমজাদ হোসেন, কাজী হায়াত – ইনারা বিখ্যাত পরিচালক ছিলেন। বর্তমানে জাজ পাবলিশার্স এর সিনেমা গুলোও একটা মান ধরে রাখারা চেষ্টা করে।

– মিউজিক্যাল সিনেমাও অনেক সময় হিট হয়। গানের কারণে মানুষের আগ্রহ জন্মায়, এরপর মানুষ সিনেমা ভালো কিংবা খারাপ বিচার করে না। আশিকী -২ , এই ধাচের সিনেমা। অনেক আগে আশিকী সিনেমাটা হিট হয়েছিল শুধু মাত্র তার গানের জন্য। রিভিউ বলে যে সিনেমার গল্প একদমই সাধারণ ছিল।

– এখন খুব ভালো ডিরেক্টর, খুব ভালো অভিনেতা, খুব ভালো গল্প, খুব ভালো মিউজিক নিয়ে একটা সিনেমা আসলে সেটা হিট হবার কথা। যেমন, দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, ম্যায়নে পেয়ার কিয়া। আরো অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। তবে একই সময়ে যদি এই দুটো সিনেমা মুক্তি দেওয়া যেত তাহলে প্রতিটা সিনেমার ব্যাবসাই কিছুটা কমতো। কাজেই কোন সময়ে সিনেমাটা মুক্তি পেয়েছে কিংবা সেই সময়ে অন্য কোন বিগ ব্যানারের সিনেমা মুক্তি পেয়েছে কিনা সেটা বিচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

– সব কিছু ঠিক থাকার পরেও যদি সিনেমাটা মুক্তি পাওয়ার সপ্তাহে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ যেমন বৃষ্টি, ভুমিকম্প ইত্যাদি কিংবা পলিটিকাল সমস্যা যেমন হরতাল কারফিউ থাকে তাহলে খুব ভালো একটা সিনেমাও ফ্লপ হতে পারে।

এগুলো ছাড়াও খুব সূক্ষ ভাবে বিচার করতে গেলে আরো অনেক ফ্যাক্টর খুজে পাওয়া যাবে। উপরের অপ্রাসঙ্গিক ঘটনাগুলো থেকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম যে সফলতা কিংবা ব্যর্থতার জন্য অনেক ফ্যাক্টর আছে। খুব ভালো সিনেমাও অন্য কারণে ফ্লপ হতে পারে আবার খুব সাধারণ একটা সিনেমাও সময়ের কারণে ফাকা মাঠে গোল দিয়ে হিট হয়ে যেতে পারে।

মূল বিষয় হচ্ছে বিষয়টা বিশ্লেষণ করা।

.

আমি যদি ভুল বুঝে না থাকি তাহলে বলতে পারি যে ক্লাব পাল্টানোর বিষয়টা নিয়ে আসা হয় সাধারণত মেসি আর রোনালদোর মাঝে তুলনা করার জন্য। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বিভিন্ন ক্লাবে সফল, মেসি তো খেলেছেই একটা ক্লাবে।

এখন ক্রিশ্চিয়ানো ভক্তদের ( সবাই না) দাবি বার্সালোনায় খেলার জন্যই মেসি সফল, অন্য জায়গায় খেললে এতটা সফল হতে পারতো না। মেসির সফলতার পেছনে জাভি ইনিয়েস্তার ভুমিকা অনেক।

প্রশ্ন হচ্ছে এই দাবি কতটা সত্য? কেন এই দাবিটা করা হয়ে থাকে?

প্রথম আমরা একটা বিষয় দেখার চেষ্টা করি যে বার্সালোনার সেই স্বর্ণসময়ের ২৯ টা ট্রফির জন্য কার ভুমিকা সবচেয়ে বেশি। অনেকে অনেক কিছু বলতে পারে, আমার কাছে ব্যক্তিগত ভাবে যা মনে হয় সেটা বলি।

বার্সার সেই স্বর্ণালী সময়ের পেছনে আসলে কয়েকটা ফ্যক্টর কাজ করেছে। জাভি ইনিয়েস্তার সাথে লা মেসিয়া প্রজন্ম, গার্দিওয়ালার স্পেশাল ট্যাকটিক্স আর সবশেষে অবশ্যই মেসি।

মেসি বাদে বার্সালোনা অবশ্যই ২৯ টা ট্রফি পেত না তবে সেই সময় ১৫ টা ট্রফি পেলেও বার্সাকে সবাই সফলই বলতো। মূল যে বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে বার্সা সেভাবে ডমিনেট করতে পারতো কিনা। গত বছরেও রিয়াল মাদ্রিদ পাচটি ট্রফি জিতেছে কিন্তু লিগের শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত বার্সারও লিগ জেতার সম্ভাবনা ছিল, মাদ্রিদ কিন্তু ডমিনেট করে জিততে পারেনি। মেসির বার্সার সামনে সেই মূহুর্তে যে কোন দলকেই শিশু মনে হতো, বার্সার হেরে যাওয়াটাই তখন অস্বাভাবিক কিংবা অঘটন মনে হতো ।

এখন বার্সার সেই সফলতার জন্য মেসি, লা মেসিয়া প্রজন্ম কিংবা গার্দিওয়ালা সবাইকে সম্মিলিতভাবে ক্রেডিট দেওয়া যায়, কিন্তু এককভাবে কাউকে সেভাবে দেওয়া উচিত না। এই তিন ফ্যক্টরের একটাকে সরিয়ে দিলেও বার্সা এত অল্প সময়ে ২৯ টা ট্রফি জিততে পারতো বলে মনে হয় না।

এখন এই তিন ফ্যাক্টরের সবাই একে অন্যকে ছাড়া কতটুকু সফল সেটা একটু দেখা যাক।

বার্সার মোটামুটি সেই একই রকম একাদশই কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের হয়ে রাজত্ব করেছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলের জায়ান্টদের হারিয়েই। এখানে মেসি থাকলে হয়তো আরো একটা বিশ্বকাপ বেশি জিতে যেত।

গার্দিওয়ালার কথাটাই ধরুন। সে কিন্তু বায়ার্নের হয়েও মোটামুটি সফলই ছিলেন। কিন্তু এরপরেও তাকে নিয়ে কিছুটা সন্দেহ ছিল। কারণ বায়ার্নকে নিয়ে বুন্দেসলিগা জেতার জন্য গার্দিওয়ালাকে প্রয়োজন নেই, একটা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ তাকে সফলতার সর্বোচ্চ প্রাপ্তিটা বুঝিয়ে দিতে পারতো। তবে এটাও সত্য যে গার্দিওয়ালা বায়ার্নের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পূর্ণ স্কোয়াড পাননি। বেশিরভাগ সময়েই তার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়েরা ইনজুরিতে আক্রান্ত ছিল। এছাড়া পেপ যে দলগুলোর কাছে হেরে বাদ পড়েছিল তারাই সেই সিজনের চ্যাম্পিয়ন অথবা রানার আপ হয়েছিল।

২০১৩-১৪ তে রিয়াল চ্যাম্পিয়ন, ১৪-১৫ তে বার্সালোনা চ্যাম্পিয়ন আর ১৫-১৬ তে এটিএম রানার্স আপ। বার্সা আর মাদ্রিদ ছিল বায়ার্নের সমমানের দলই, এটিএম সেই কয়েকসিজন দূর্দান্ত খেলছিল। ইংলিশ লীগে যাবার পরেও প্রথম সিজনটা গুছিয়ে নিতে গার্দিওয়ালার সময় লেগেছিল, কিন্তু এই সিজনে সে তার স্পেশালিটি দেখানো শুরু করেছে। মৌসুমের এই পর্যায়ে এসে লিগ মোটামুটি কনফার্ম করে ফেলা – ইপিএল এ এমন অবস্থা সর্বশেষ কবে হয়েছিল সেটা মনে করার জন্য ধ্যনে বসতে হবে।

এই তিন ফ্যক্টরের মাঝে বাকি থাকে মেসি। বাকি দুই ফ্যক্টর কিন্তু নিজেরাও আলাদা আলাদা ভাবে সফল। এখন মেসি কি বার্সালোনা বাদে সেরকম সফল?

মেসি যেহেতু বার্সালোনা বাদে অন্য কোন ক্লাবে খেলেননি কাজেই বিষয়টা সেভাবে প্রমাণ করা যাবে না। কাজেই প্রমাণের জন্য আমাদের যেতে হয় সেই আর্জেন্টিনাতেই।

.

কোন সন্দেহ নেই মেসির আর্জেন্টাইন ক্যারিয়ারকেও যে কোন বিচারেই সফল বলা যাবে। আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশী গোল, সবচেয়ে বেশী অ্যাসিস্ট, সবচেয়ে বেশি ম্যান অব দি ম্যাচ, তিনটা মেজর ফাইনাল খেলা, দুটো মেজর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার – সফল বলার জন্য আর কিছু কি লাগে?

সমস্যাটা এখানেই। এই জায়াগাটাতেই বুঝার জন্য আপনাকে প্রথম প্যারার সিনেমা টপিকটায় যেতে হবে। মেসি আর্জেন্টিনা নিয়েও সফল, কিন্তু বার্সালোনার মতো করে সফল কি? নিশ্চয়ই না।

এখন আপনি বলতে পারেন যে বার্সার মতো টিমমেট আর্জেন্টিনায় নেই সেটা একটা কারণ। কেউ এই কারণ বললে কারণটা যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে স্পেনেও তো মেসির সমতূল্য কেউ ছিল না। তারা তো মেসির অভাবটা ভিয়া কিংবা তোরেসকে দিয়ে পূরণ করতে পেরেছে। তাহলে মেসি কেন জাভি ইনিয়েস্তার অভাব পূরণ করতে পারলো না।

তাহলে কি জাভি ইনিয়েস্তা বাদে মেসি আসলেই অচল হয়ে যেত?

গর্দভের মতো একটা ভাবনা। মেসি কিংবা ক্রিশ্চিয়ানো টাইপ খেলোয়াড়দের মেধা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তারা যে জায়গাতেই যাবে সেখানেই নিজেদের কারিশমা দেখাতে পারবে। কিন্তু সেই কারিশমাটা সেরা প্রমানের জন্য যথেস্ট কিনা সেটা হচ্ছে প্রশ্ন।

মেসির গত কয়েক সিজনের পারফর্মেন্সও কিন্তু অসাধারণ, কিন্তু পুরষ্কার জিতে নিয়েছে রন। আপনি নিশ্চিত নন যে মেসি অন্য ক্লাবে খেললেও এখনকার মতো সফল হতে পারতেন কিনা। মেসি যদি এই মূহুর্তে ১০০ তে পায় ৮৫ তাহলে জাভি ইনিয়েস্তা বাদে সে নিশ্চয়ই ৭০ হয়ে যেত না, তবে ৮৫ ও থাকতো কিনা সেটা একটা সন্দেহ।

মেসির আর্জেন্টিনার হয়ে পারফর্মেন্স অনুমান করতে প্ররোচিত করে যে সে অন্য ক্লাবে থাকলে এতটা সফলতা পেত না। তবে এটা শুধু মাত্র একটা অনুমান।

এখন আবার কেউ হই হই করে প্রমাণ করতে চলে আসবেন না যে মেসি বাদে আর্জেন্টিনা এবার বিশ্বকাপ খেলতে পারতো না। এই তথ্য আমিও মানি কিন্তু এর সাথে ২০১৪ পর্যন্ত তুলনা করলে সেটা অযৌক্তিক হবে। মেসির পুরো আর্জেন্টিনা ক্যারিয়ার নিয়ে একটা লেখায় হাত দিয়েছি। সেখানে বিষয়গুলো উঠে আসবে আশা করি।

.

সফলতা বলতে আমরা কি বুঝি? রোনালদো, রুনি, ইব্রা, ইতো এরা কি সফল নয়? অবশ্যই সফল। তবে একটা বিষয় লক্ষ করুন, অনেক বড় বড় খেলোয়াড়ই দল পরিবর্তন করার পর কাঙ্খিত সফলতা পায়নি। রিভালদো, রোনালদিনহো, কাকা, শেভচেঙ্কো, মাইকেল ওয়েন, তোরেস এরা সবাই যার যার পজিশনে সফল ছিলেন।

ওয়েন ২০০১ সালে ব্যালন ডি অর পায়, কিন্তু পরবর্তীতে মাদ্রিদে গিয়ে ফ্লপ। শেভচেঙ্কো এসি মিলানে খেলে ব্যালন ডি অর পায়, কিন্তু এরপর চেলসিতে গিয়ে সুপার ফ্লপ। বেকহ্যাম ইউনাইটেড থেকে সুপার স্টার হিসেবে মাদ্রিদে যোগ দিয়ে ফ্লপ। এরা কেউ খারাপ ছিলেন না। কেউ হয়তো দল পালটিয়ে নিজের কমফোর্ট জোনটা আর পাননি।

এখন মেসি কি এই কমফোর্ট জোনটা পেত? জানার উপায় নেই। মেসি যে মানের খেলোয়াড় তাতে অবশ্যই সে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারতো, তবে প্রশ্ন হচ্ছে মানিয়ে নেওয়ার পর সেই পারফর্মেন্সটা রোনালদোর থেকে তাকে এগিয়ে রাখতো নাকি পিছিয়ে দিত?

.

এখন কেউ কেউ পেলের টপিকও আনতে পারে যে পেলেও এক ক্লাবে খেলেছে। কিন্তু পেলের বিষয়ে কখনো এই সন্দেহ জাগে না যে পেলে সান্তোসের বাইরে খেললে ব্যর্থ হতো। বরং পেলে সান্তোস আর ব্রাজিল দুটোতেই সমান সফল, ম্যারাডোনা নাপোলি আর আর্জেন্টিনা দুটোতেই সফল, জিদান ফ্রান্স, জুভেন্টাস কিংবা মাদ্রিদে সফল।(তবে জিদান ফ্রান্সের পারফর্মেন্সের জন্যেই হাইলাইটেডেড।)

এখন প্রশ্ন হচ্ছে মেসির এই ক্লাব না পাল্টানোর বিষয়টা কি তাকে ক্রিস থেকে পিছিয়ে দিয়েছে?

রোনালদো ক্লাব পরিবর্তন করার পরেও ভাল খেলেছেন। এটা তার জন্য স্পেশাল একটা দিক। পর্তুগালকে নিয়ে ভালো লড়াই করেছেন। তবে মেসিও কিন্তু আর্জেন্টিনাকে নিয়ে আগের চেয়ে অনেক পরিণত।

মেসি ভক্তদের মনে কি আছে জানি না তবে এই পয়েন্টে মেসি অবশ্যই ক্রিসের চেয়ে পিছিয়ে। কিন্তু এই একটা পয়েন্ট দিয়ে দুজনের পুরো ক্যারিয়ার বিচার করাটা ঠিক হবে বলে আমি মনে করি না। শুধু মাত্র এই পয়েন্টের কারণে মেসি পিছিয়ে যাবে বলেও আমি মনে করি না। (ওভার অল কে এগিয়ে কিংবা পিছিয়ে সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ।) বরং আমার কাছে মনে হয় এই মূহুর্তে গার্দিওয়ালার সিটিতে গেলে মেসি আরো বেশি ভালো করতো।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি মেসির নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ক্লাব পালটানোর প্রয়োজন নেই। তবে আর্জেন্টিনার হয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূহুর্তগুলো তাকে আরেকটু ইফিশিয়েন্টলি হ্যন্ডেল করতে হবে।

সিনেমা হিট হলেই যেমন তাকে ভালো সিনেমা বলা যায় না কিংবা ফ্লপ হলেই যেমন তাকে বাজে সিনেমা বলা যায় না ঠিক তেমনি কেউ সফল খেললেই তাকে তার জন্য সেরার উপাধি দিয়ে দেওয়া উচিত না এবং সফল না হলেই তাকে দোষারোপ করা উচিত হবে না।

মূল বিষয়টা খুজে বের করা চেষ্টাটা করতে হবে। সমস্যা হচ্ছে সেই চেষ্টাটা না করেই আমরা সিদ্ধান্তে পৌছে যেতে চাই।

https://www.mega888cuci.com