সাকিবের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ ও তার খণ্ডন

সাকিব আল হাসান একাধারে বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার এবং সবচেয়ে ঘৃণিত (!) খেলোয়াড়। ঘৃণিত টার্মটা বড্ড দৃষ্টিকটু দেখালেও ধ্রুব সত্য।

তিনি এমন একজন যাকে সবসময় সমালোচনার দা-কাচির নিচে পড়তে হয় প্রতিনিয়ত। তিনি ভাল পারফরমেন্স করুন কিংবা খারাপ,সমালোচনা তার ভাগ্যে জুটবেই।কেউ তাকে বলেন বাংলার মেসি, কেউবা তুলনায় আনেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর।তবে তাকে যারা ঘৃণা করেন মেসি ট্যাগটা তারা অন্তত দেবার পক্ষে নন, সে বিষয়ে আসছি সামনেই।

বাংলাদেশে আমরা জন্মের পর পরিবার থেকে পাই প্রাথমিক শিক্ষা।সদা সত্য কথা বলবে,বড়দের সম্মান করবে, বিনয়ী হবে,বুক ফুলিয়ে হাটবেনা। সেই শিক্ষাটা সবার জন্য সাধারণ।তবে এর মধ্য দিয়ে আমাদের মাথায় একটা জিনিস ঢুকে যায়, সেটা হচ্ছে নম্রতা। আমরা নিজেরা সেটা মানি আর না মানি মানুষকে দেখতে চাই সেরকমভাবেই। তাই যখন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যখন ঘোষণা দেন আই এম দ্যা গ্রেটেস্ট ফুটবলার,তখন আমাদের অভ্যন্তরীণ সত্ত্বা প্রতিবাদ জানায়- না! নিজেকে বড় বলা অন্যায়। আপনি গ্রেট নন। এজন্যই ক্রিশ্চিয়ানো এদেশে সবচেয়ে সমালোচিত ফুটবলার।

আড়ালে পরে যায় তার কাজ।তর্কাতীতভাবেই সে এপ্রজন্মের অন্যতম সেরা,অন্যতম গ্রেটেস্ট ফুটবলার ইতিহাসের।অথচ তাকে মাপা হয় তার কথা দ্বারা। সে অহংকারী, সে খারাপ, সে নিকৃষ্ঠ। আচ্ছা! একজন নিকৃষ্ট মানুষের কি প্রয়োজন আছে দান করার? শিশুদের নিয়ে কাজ করার? কিংবা পৃথিবীর সবচেয়ে দানশীল অ্যাথলেট হবার?না! সে নিজেকে নিকৃষ্ট ভাবেনা, তার মাঝে মনুষ্য সত্ত্বাটা আমার আপনার চেয়ে ঢের বেশি বলেই সে সবচেয়ে দানশীল।

লিওনেল মেসি বেশ নরম স্বভাবের। তিনিও তর্কাতীতভাবে এ প্রজন্ম তথা ওয়ান অফ দ্যা গ্রেটেস্ট ফুটবলার। তাকে এদেশে আমজনতা খুব পছন্দ করার একটা প্রধান কারণ সে সবসময় বিনয়ী, যা আমাদের ছোটবেলার শিক্ষার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু সেও কিন্তু চাপা স্বভাবের। মিডিয়ামুখী নন, বন্ধুবান্ধব তার টিমমেটরাই। একা একা বউকে নিয়ে সুযোগ পেলেই ছুটিতে চলে যান। কি হতো যদি একজন মেসি বাংলাদেশে জন্মাতেন?

হি উইল বি দ্যা মোস্ট হেটেড অ্যাথলেট অব বাংলাদেশ! আই রিপিট মোস্ট হেটেড!

এই বিষয়ে আসছি, তার আগে মনে করিয়ে দিই সাকিব কেন অপরাধী? কেন সে নিকৃষ্ঠ। সাকিব খুব চাপাস্বভাবের। নিজ এলাকা মাগুরায় তার হেটারের অভাব নেই। কারণ? তিনি বাড়ি গেলে মানুষের সাথে মিশেন না। সাকিবের মা থেকে সবাই জেনেছি নিশ্চয়ই, ছোট থেকেই সাকিব ঘরকুনো। বাড়ি থাকলে রুমে থাকতেই পছন্দ করেন। ছোটবেলায়ও নাকি খেলার জন্য ছাড়া বাইরে থাকতেন না।

সেই খেলার বন্ধুরাও নাকি এখন তার সঙ্গ পায় না। আচ্ছা, সাকিব তো খেলতেই যেতেন; এখন তো আন্তর্জাতিক খেলার মাঝে থাকেন। তার তো আর খেলার সাথীর প্রয়োজন। যে ঘরকুনো ছিলেন, এখনো তাই আছেন। তারপরেও তিনি ঘৃণিত। কারণ তিনি আর দশজনের মতো না। যদিও আর দশজনের মতো হলে বাংলাদেশের পতাকাটা বইবার মতো কে থাকতো সে প্রশ্নে যাচ্ছিনা।

সাকিব স্টেডিয়ামে দর্শক পিটিয়েছে,এয়ারপোর্টে খারাপ ব্যবহার করেছে,দর্শকদের তিরস্কারে মিডল ফিঙ্গার দেখিয়েছে,ক্যামেরায় অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেছে,বউ পাগলা, টাকার জন্য সারাবিশ্বের সব লিগ খেলে। এই হলো মোটামুটি তার বিপক্ষে অভিযোগের ফিরিস্তি।

এবার আসি লিওনেল মেসি কেন ঘৃণিত হতেন। তিনিও রীতিমতো বউ পাগলা, বউ নিয়ে সাকিবের মতোই ছুটি পেলে ঘুড়তে যান। নিজ দেশে আন্তর্জাতিক খেলা ছাড়া যান না। তিনি বারে মডেলের সাথে রাত কাটিয়েছেন, তিনিও দর্শকের সেলফির আবেদন নাকোচ করে দুর্ব্যবহার করেছেন, তিনিও দুদিন পর পর বেতন বাড়ান ক্লাবে আর সেজন্য চুক্তিতেও দেরীতে সাইন করেন টাকা বাড়ানোর আগে। অর্থাৎ মেসির ক্ষেত্রেও সাকিবের বিপক্ষে থাকা টার্ম গুলো যোগ হতো। তিনি অবশ্য দর্শক পেটাননি,তবে বাংলাদেশে থাকলে সেটাও করতে হতো যখন তার বউকে কেউ ডিস্টার্ব করতো।

যা বাবা! মেসির মতো ভদ্র মানুষটাকেও দেখি বাঙালী খারাপ বানিয়ে দিতো নিমিষেই।

এবার নিশ্চয়ই আমার এটাই দায়িত্ব কেন সাকিবকে নিকৃষ্ট মানতে রাজী নই আমি।

অভিযোগ ১: বউ পাগলা

খণ্ডন: আপনি ভালবেসে একজনকে বিয়ে করেছেন। তাহলে আপনার ছোট থেকে শেখা বাণীগুলো কি বলে? বউকে ঘৃণা করুন? না, বউ ভালবাসারই সত্ত্বা। বরং যে বউকে ভালবাসেনা, সেই ঘৃণিত।বউকে ভালো না বাসলেও বাঙালি কম বেজার হয়না। শাকিব খান যখন অপু বিশ্বাসকে ভাল না বেসে ডিভোর্স দেয়, তখনও মানুষ রেগেই যায়। কারণ আমরা শিখেছি বউকে ডিভোর্স দেয়া, ভালো না বাসা খারাপ একটা জিনিস। সাকিব যখন এই কাজটা করে তখন কেন সে দোষী? জাস্ট এই জন্যে যে তার বউ সুন্দরী? আমেরিকান সিটিজেন? হাউ কিউট বাঙালি আপনি! একজন পিউর জেলাস স্যাডিস্ট ছাড়া কারো বউ এর প্রতি ভালবাসাকে বাঁকা চোখে দেখতোনা। সাকিব বউ এর নাম কেন নেয় সেটাও অভিযোগ?

নারীর ক্ষমতায়নের জন্য সারাবিশ্ব লড়ছে।সেই সাকিব যখন সেই লড়াইকে শাণিত করতে বউকে হাইলাইট করেন,তখন সে খারাপ এবং বউ পাগলা? খুবই কাওয়ার্ড যুক্তি না আপনাদের?

অভিযোগ ২: সাকিব টাকালোভী,তাই সারাবিশ্বে খেলে

খণ্ডন: টাকালোভী হয়ে আর কোন বাংলাদেলি খেলোয়াড়কেকে পেরেছে সারাবিশ্বের সব লিগে চান্স পেতে? এটা লোভ নয়,যোগ্যতা। প্রফেশনাল খেলোয়াড় টাকা ছাড়া খেললে অবসরের পর তাদের দেখবে কে? খোঁজ নিয়ে কেউ কি দেখে অবসরের পর ক্রিকেটাররা কেমন আছেন? ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে যা কামায় সেটা দিয়ে তাদের চলতে হয়।সবাই কোচ হতে পারেনা।

অভিযোগ ৩: সাকিব অহংকারী

খণ্ডন: অহংকারী সাকিব? কীভাবে আপনি তার কাছে পৌঁছেছেন কখনো?আপনাদের চোখে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো অহংকারী নিজেকে সেরা বলায়,সাকিবকে এমন বলতে দেখেছেন?উত্তর যদি না হয়,তবে সে কীভাবে অহংকারী?

অভিযোগ ৪: সাকিব টিমম্যাটদের সাথে মিশে না

খণ্ডন: তরুণ ক্রিকেটারদের যেকোন সমস্যায় তার (সাকিব) কাছে গেলে,সে কখনো না করেনা।খুব হেল্পফুল। – মাশরাফি। গুরুর কথা যদি মিথ্যে না হয়, তবে অভিযোগটাই মিথ্যা। মিরপুরে সাকিবে একটা রেস্টুরেন্ট আছে, ইমরুল কায়েসের সাথে পার্টনারশিপে। মেলা মেশা না থাকলে ব্যবসায়িক সম্পর্ক কি আদৌ সম্ভব।

অভিযোগ ৫: সাকিব দর্শকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে

খণ্ডন: এটা তার বিপক্ষে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ।এর জন্য আপনাদের তিনটি ঘটনা শোনাই।

ঘটনা ১: সেদিন এয়ারপোর্টে বসে ছিলেন সাকিব। ফটোগ্রাফশিকারীরা কয়েকটা ছবি তুলে নিয়ে গেছে মাত্রই। এবার এক ছেলে এসে আবদার করলেন ফটো তোলার। সাকিবের তখন কিছুটা জ্বর আর বেশ মাথাব্যথা। তিনি জানান ক্যামেরার ফ্লাশ তার বিরক্ত লাগছে, আপনি একটু পরে আসেন। ছেলে তো নাছোড়বান্দা সে ছবি নেবেই। এদিকে আগেই ছবি তুলে সাকিব ভেবেছিলেন এবার অন্তত নিস্তার হবে, তাই আগেভাগে না করেছিলেন। কোন কাজ হয়নি দেখে রেগে যান সাকিব, তাকে ধমকে দেন। ছেলে ফেসবুকে এসে জানান তার সাথে সাকিব দুর্ব্যবহার করেছে। অথচ জ্বরাক্রান্ত সাকিবের অনুরোধ সে নিজেই শুনেনি। সাকিবের কি উচিত ছিল সাইনবোর্ড লাগানো যে আমার জ্বর,দূরে থাকুন। তিনি তো আর ট্রাক নন। এয়ারপোর্টের মতো একটা জায়গায় কমন্সেন্সবিহীন শিক্ষিত নাগরিক যখন এরকম করতে পারে, আপনাদের আর দোষ কীভাবে দিই। দোষী তো সাকিব নিজেই।

ঘটনা ২: খেলা চলাকালীন অবস্থায় শুনেছেন বউ এর সাথে কিছু ছেলে বাজে আচরণ করেছে। একজন স্বামী হিসেবে আপনি কি করতেন? বউকে হিউমিলিয়েটেড হতে দিতেন? পর্দার হিরোরা যখন নারীদের উপর অত্যাচারে হাতে বন্দুক নেন, তাদের পিটিয়ে তক্তা বানায় তখন তো সবাই তালিয়া দেন। একই কাজ সাকিব করায় সে অপরাধী!কারণ সে নারীদের সম্মান করে।

ঘটনা ৩: সাকিবকে বেশকিছুবার আমি দেখেছি,তবে কিছুটা দূর থেকে।কারণ প্রতিবারই তাকে জনসম্মুখে আসলে সেল্ফি বিড়ম্বনায় পড়তে দেখি।তার একজন ভক্ত হিসেবে কখনো চাইনি তার বিরক্তির কারণ হতে। তাই সাকিব ভাইয়ের সাথে আমার কোন ফটো নেই। সাকিব ডাইনে তার এক প্রোগ্রামে ভক্তদের সাথে ছবি তুলছিলেন। তবে সেল্ফি শিকারীদের চাপে তিনি পড়ে যান পিছিয়ে। তিনি রেগে যাননি! সাকিব মোটেও বদমেজাজি কেউ নন। তিনি তখনই রাগেন, যে পরিস্থিতিতে একজন স্বাভাবিক মানুষ রেগে যান।

অভিযোগ ৬: তার আচরণ খারাপ, মাঠে বাজে ইঙ্গিত প্রদর্শন করেছিলেন

অখণ্ডন: এবার এটাকে খণ্ডন না বলে ‘অখণ্ডন’ লিখেছি। কারণ তিনি যেটা করেছিলেন সেটা খারাপ।সেটার শাস্তি তিনি পেয়েছিলেন। তবে একই কাজ করা প্রথম ব্যক্তি তিনি নন। বিরাট কোহলি, অ্যান্ড্রু সায়মন্ডস, হরভজন সিং অনেকেই মাঠে অশোভন ইঙ্গিত দিয়েছেন, তবে সেটা ধরে আজীবন কটুক্তি শোনা এবং অফিশিয়াল শাস্তি পাওয়া ব্যক্তি সাকিবই। লাইভে অশোভন কাজের ব্যাখ্যা সাকিব দিয়েছিলেন এভাবে – ক্যামেরাম্যান তখন সাকিব ভাইয়ের দিকে ক্যামেরা ধরেছিল, সেই ব্যক্তি সাকিব ভাইয়ের পূর্ব পরিচিত। আর তিনি জানতেনই না যে ঠিক এই ক্যামেরাটাই তখন লাইভে। তাই তিনি মজা করে এরকম করেছিলেন।

এটা মাথায় রাখতে হবে সেই কাজ সাকিব করেছিলেন প্রায় অর্ধযুগ আগে,এখন পরিণত সাকিব তেমনটা করেনা। তাই সেটা মওকুফ করা ভক্ত হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব।

অভিযোগ ৭: ২০১১ বিশ্বকাপে সাকিবই মাশরাফিকে খেলতে দেননি

খণ্ডন: খুবই গুরুতর একটা মিথ্যে কথা।বাংলাদেশে একজন অধিনায়কের এমন পাওয়ার কখনোই ছিল না।আর তখন তো সাকিব বর্তমানের পজিশনে নেই।বরং তাকেই সেসময় মোস্তফা কামালের পা ধরে বসে থাকা ছবিতে দেখা গিয়েছিল।অর্থাৎ যার নিজেরই তখন পায়ের নিচে মাটি ছিল না,সে আরেকজনকে বাদ দিবে?তাও মাশরাফিকে? যার সাথে তার সম্পর্ক ভাইয়ের মতো? মাশরাফিকে বাদ দেয়া প্রসঙ্গে সাকিব জড়িত কিনা এই উত্তর মাশরাফিও দিয়েছিলেন।তার অভিযোগ সাকিবের দিকে ছিল না,তিনি বিশ্বাস করেন এরকম হলে সাকিব নিজেই তাকে সরাসরি বলতো। এ অভিযোগটাও ঢাহা মিথ্যা।

অভিযোগ ৮: সাকিব একজন বেয়াদব

খণ্ডন: সবচেয়ে হাস্যকর অভিযোগ এটা। যারা এটা বলেন তাদের অধিকাংশই বয়সে সাকিবের চেয়ে ছোট।তাদের সাথে সাকিব কি বেয়াদবী করেছেন তা আমার জানা নেই।তবে তারা সাকিবকে কাছ থেকে দেখলে এটা কখনোই বলতেন না।তবে হ্যা! সাকিব বেয়াদব এটা আমিও মানি।নইলে কি বেন স্টোকসকে আউট করে এভাবে স্যালুট দিয়ে টিটকারি দেয় কিংবা ধোনী মুস্তাফিজকে ধাক্কা দিয়ে ফেলার পর ধোনীকে আউট করে গর্জে উঠে চিল্লানী দেয়?

সাকিবের বিপক্ষে সকল অভিযোগই খন্ডন করার প্রচেষ্টা ছিল এই জন্য যে, সাকিব বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্পোর্টসম্যান এবং তর্কাতীতভাবেই ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়।

তিনি যখন অবসরে যাবেন,তখন ইতিহাসের সেরা সব অলরাউন্ডারের সাথেই নাম থাকবে তার। এই সাকিবকে তার দাদা শোনাতেন বিশ্বসেরা হবার গল্প,আর সাকিব সেটা নিজে হয়ে দেখিয়েছেন। নিজেকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের পতাকা নিয়ে সারাবিশ্বে টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা হয়ে ঘুরে বেড়ানো সাকিব কি বাঙালিদের ভালবাসা পাবার যোগ্যতা রাখেননা?

নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন সাকিব কে, সাকিব কি, সাকিব কেন তারপর ভাবুন সাকিবের প্রতি আপনাদের তিরস্কার কি সৎ মায়ের মতো নয়? যে মা শুধু নিতে জানে,দিতে নয়? আপনাদের শিক্ষা জানান দেয় টাকাই সব নয়,তবে এতবছর দেশকে গর্বিত করে সাকিবের পাওয়ার থলেতে কি জমেছে? গুটিকয়েক মানুষের ভালবাসা,অজস্র মানুষের তিরস্কার,ঘৃণা আর গালাগাল। হয়তো মাঝেমাঝে উপরের দিকে তাকিয়ে বিধাতার কাছে প্রশ্ন ছুঁড়েন, পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন জিনিসটা কি বাঙালির ভালবাসা অর্জন?

একসময় সাকিব থাকবেনা,সময়টা খুব বেশি নয়। সাকিবের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণের শেষ কি আদৌ হবে? উত্তরটা সময়ের হাতে ছেড়ে দিলাম,তবে এতগুলো কথা পড়ার পরেও যদি আপনার মনে পরিবর্তন না আসে তবে আপনার জন্য সুখবর হলো আপনার কখনো হার্টের অসুখ হবেনা। যার হৃদয় নেই তার আবার কিসের হার্ট অ্যাটাক?

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।