মাশরাফিরা কি জবাবটা দেবেন?

তথাকথিত বড় দলগুলো যখন বাংলাদেশে খেলতে আসে, বিভিন্ন অজুহাতে তারা নানারকম নখরা করেন। এখানে খেলবো না, ওখানে যাব না, হ্যান-ত্যান নানান বাহানা! ছোট দল হওয়ার সুবাদে বড় ভাইদের মনোরঞ্জনের জন্য আমাদেরও অনেক ছাড় দিতে হয়!

একইভাবে আমরা যখন তাদের দেশে খেলতে যাই, সেখানেও আমাদের নানাভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে, তোমরা ঠিক আমাদের সমপর্যায়ের নও!

এ কারণে অস্ট্রেলিয়া কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গেলে তাদের অভিজাত মাঠগুলোতে খেলার সুযোগ হয় না বাংলাদেশের! এমন পরোক্ষ অপমান চলে আসছে বছরের পর বছর।

তবে এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের ভেন্যুর আউটফিল্ড দেখে সত্যিই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেছি! পুরো মাঠের বিভিন্ন অংশে কালো কালো ক্ষতের দাগ, সেসব জায়গায় ঘাস উঠে মাটি বের হয়ে আছে!

যে মাঠ দেখে আমাদের ঢাকার ক্লাব দল আবাহনীর মাঠের কথা মনে পড়ে গেছে তামিমদের! ইঙ্গিতটা কি পরিষ্কার নয়? বাংলাদেশ দলকে এখনো একটা ক্লাব দলের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি দক্ষিণ আফ্রিকা!

আসলে, এই সফরেই দু’টি টেস্ট আর প্রথম ওয়ানডের অসহায় আত্মসমর্পণের পর এসব নিয়ে বড় গলায় কিছু বলার অবস্থায়ও যে নেই বাংলাদেশ!

তবে সবকিছু বাদ দিলেও, এমন মাঠ দেখার পর কি অপমানটা নতুন করে অনুভব করেন না মাশরাফিরা? সবকিছুর জবাব দেয়ার জন্য কি নতুন করে জেদ জাগে না রক্তে? দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকেই অন্তত একটা ম্যাচ কি বাংলাদেশ হারাতে পারবে না?

মাশরাফিরা কি শুনছেন?

https://www.mega888cuci.com