ভালবাসার জন্য ৮০০০ মাইল

সত্যিকারের ভালোবাসা যে জাত-বর্ণ কিংবা দূরত্বের ভেদাভেদ মেনে চলে না, তা আমরা গল্প-উপন্যাস কিংবা সিনেমার পর্দায় দেখেছি অনেকবারই। কিন্তু দৃশ্যপটগুলো দেখবার পরই মনে সর্বপ্রথম যে প্রশ্ন জাগে, তা হলো, আসলেও কি বাস্তব জীবনে এসব ঘটে?

আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি- হ্যা, এসব ঘটনা আসলেও ঘটে।

ভালোবাসার এই বিরল কিন্তু অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক কানাডিয়ান তরুনী, যা ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কল্যাণে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

ড্যানিফিডের এক ব্লগ পোস্ট থেকে জানা গেছে, শুধুমাত্র নিজের প্রেমিকের সাথে দেখা করতে এই কানাডিয়ান তরুণী নিজ দেশ কানাডা ছেড়ে সুদূর ফিলিপাইনে উড়াল দিয়েছেন, তাও সম্পুর্ণ একা!

পোস্ট অনুযায়ী, এ জুটির সর্বপ্রথম পরিচয় হয় ফেসবুকে, একটি ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠানোর মধ্য দিয়ে যার সূচনা। এরপর নিয়মিত চ্যাটিং থেকে মন দেয়া-নেয়ার বিষয়টি সুসম্পন্ন হয়।

নিতান্তই অপরিচিত, কিন্তু মনের খুব পরিচিত মানুষটির জন্য তিনি এতোটাই ব্যাকুল হয়ে ওঠেন যে কানাডা ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী ৮০০০ মাইল দূরত্বও তাদের মিলনের পথে বাধা হয়ে দাড়াতে পারেনি।

অনলাইনে পরিচয়ের প্রায় দুবছরের মাথায় দূরত্বের কাছে হার না এ জুটির সশরীরে সাক্ষাৎ ঘটে। ভালোবাসার মানুষটির সাথে দেখা করতে তরুনীটি ফিলিপাইনের একটি এয়ার টিকেট বুক করে দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত সান্তোস শহরে উড়ে যান। সেখানে তারা একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করেন, যা তাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করতে ভূমিকা রেখেছে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।

প্রথম যাত্রার প্রায় বছর দেড়েক পর তিনি আবারো ২০১৩ সালে ফিলিপাইনে ফেরত অাসেন এবং চিরদিনের জন্য পছন্দের মানুষটির সাথে সাত-পাঁকে বাধার সিদ্ধান্ত নেন।

এ ঘটনা থেকে এটাই শিক্ষা পাওয়া যায়, পরস্পরের প্রতি যদি বিশস্ত থাকা যায়, তাহলে দূরত্বও সম্পর্কের পথে কোনো বাধা হয়ে দাড়াতে পারে না।

এলিট রিডার্স অবলম্বনে

https://www.mega888cuci.com