ওয়ালশ আনপ্লাগড

অ্যাডিলেডে স্মরণীয় টেস্ট

১৯৯৩ সালের স্মরণীয় অ্যাডিলেড টেস্টের  শেষ মুহূর্তে ডেসমন্ড হেইন্সের সাথে কথা বলছিলাম, যখন অ্যামব্রোস তার ওভার শেষ করছিল। আমি ডেসমন্ডকে বললাম, ‘যদি আমরা এই ওভারে ম্যাচ জিততে না পারি, তবে আমরা হারাতে যাচ্ছি। আমি মনে করি না কার্টলি আরেক ওভার বোলিং করতে পারবে।’

আমার বিভিন্ন ডাকনাম

আমার নিজ শহর জ্যামাইকাতে আমাকে ডাকত কাডি (Cuddy) বলে। ভিভ (রিচার্ডস) আমাকে ডাকত কাডরাইট (Cuddright) বলে এবং রিচি রিচার্ডসন ও তাই ডাকত। অতঃপর জিমি এডামস আমাকে রাইটজি (Rightzy) নামে ডাকা শুরু করলো, এভাবেই আমার নাম পরিবর্তন হতে থাকে।

ইংলিশ কন্ডিশন

আমি মনে করি ইংলিশ কন্ডিশন আমার জন্য অনেক সহায়ক ছিলো। ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা আগে থেকেই ধারণা করেছিল যে কন্ডিশন আমাকে সহায়তা করবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ যুব দলে সুযোগ

স্কুলের পাঠ চুকিয়ে একটি কোম্পানীতে আমি দুই মাস একাউন্টেন্ট হিসাবে কাজ করি। তারপর আমি ১৯৮২ সালে ওয়েস্টইন্ডিজ যুব দলের হয়ে ইংল্যান্ড সফরে যাই। সেখান থেকেই আমি ক্রিকেটের প্রেমে মগ্ন হই।

এক ম্যাচে ১৩ উইকেট

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচে ১৩ উইকেট আমাকে পরিতৃপ্ত করেছে, কারণ এটি ছিল একটি ফ্ল্যাট ব্যাটিং উইকেট এবং আমাদের রানসংখ্যা আমাকে আরও সন্তুষ্ঠ করে তুলে।

অস্ট্রেলিয়া ছিলো ভয়ংকর প্রতিদন্দ্বী

অস্ট্রেলিয়া ছিলো ভয়ংকর প্রতিদন্ধি এবং আপনি সবসময় তাদের সাথে ভালো খেলার জন্য মুখিয়ে থাকবেন। তাদের বিপক্ষে আমি আমার সেরাটা নিংড়ে দেয়ার চেষ্টা করতাম।

ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা

ক্রিকেটের প্রতি আমার সবসময় ছিলো বিশেষ ভালোবাসা। আমি যখন ১৯৮৩ সালে লিগ ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম, তখন আমার মনে হয়েছিল যে এটি ৯টা থেকে ৫ টা অফিসের পরিবর্তে করা যায় এমন কিছু। আমার যতটুকু মনে পড়ে ১৯৮২-৮৩ এর দিকে আমি ক্রিকেটার স্বপ্ন দেখা শুরু করি।

আজকের ক্রিকেট

আজকের দিনে ক্রিকেটে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের তাদের অভিজ্ঞতা এবং টিপস নিয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের সাথে সময় ব্যয় করতে দেখা যায় না। এ কারনে অনেক তরুন ক্যারিয়ারের শুরুতে গভীর সমুদ্রে পতিত হয়।

আডিলেড টেস্ট এবং কার্টলি অ্যামব্রোসের সংস্পর্শ

১৯৯৩ সালে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে কার্টলি অ্যামব্রোস  নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়ে খেলছেন। অ্যামব্রোস সবে মাত্র তার বোলিং মার্কে ফিরে এসেছে। অতঃপর অ্যামব্রোস ফাইন লেগের দিকে হাটা শুরু করেছে এবং আবার ফিরে আসছে। আমি ধারণা করে নিয়েছিলাম আমরা সম্ভবত এই ওভারে জয়ের সুবাস পেতে যাচ্ছি এবং সৌভাগ্যবশতঃ তাই হয়েছিলো। এটি ছিলো আমার খেলা সবচেয়ে শ্বাস-রুদ্ধকর টেস্ট ম্যাচ।

ব্রায়ান লারা ৩৭৫

ব্রায়ান লারা যখন ৩৭৫ রান করেন, তা ছিলো আমার অধিনায়কত্বে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে সুখকর ঘটনা। ব্রায়ানের জন্য সবাই খুব খুশি এবং গর্বিত। যদিও ম্যাচের ফল ছিলো ড্র কিন্তু অধিনায়ক হিসাবে ম্যাচটি আমার কাছে স্মরনীয় ব্রায়ানের বিশ্ব রেকর্ডের কারনে।

প্রথমবার জাতীয় দলে সুযোগ

আমার মনে আছে প্রথমবার আমি ১৯৮৪ ইংল্যান্ড সফরের দলে সুযোগ পাই কিন্তু ৫ ম্যাচ সিরিজের একটিতেও আমি মাঠে নামার সুযোগ পাইনি। আমি কেবল ড্রেসিং রুমেই ছিলাম এবং গার্নার, মার্শাল, হোল্ডিং এবং উইন্সটন ডেভিসের সান্নিধ্যে ছিলাম। তাদের সাথে থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা ছিলো অসাধারন।

প্রিয় মাঠ ‘স্যাবাইনা পার্ক’

যেহেতু আমার বড় হওয়া জ্যামাইকাতে তাই ‘স্যাবাইনা পার্ক’ ছিলো আমার প্রিয় গ্রাউন্ড। একটি প্রান্ত আমার নামে নামকরণ করা হয়। এটা আমার জন্য বিশেষ সম্মানের। দুর্ভাগ্যবশতঃ তারপর ‘স্যাবাইনা পার্কে’ আমার আর খেলা হয়নি।

অধিনায়কত্ব পাওয়া

ওয়েস্টইন্ডিজের অধিনায়কত্ব পাওয়া ছিলো এমন একটি কাজ যা পেয়ে আমি ছিলাম দারুণ আনন্দিত। আমি জানতাম যে অধিনায়কত্ব কোন চিরস্থায়ী কাজ নয়। এটা ছিলো আমার ক্যারিয়ারের জন্য বিশেষ কিছু। আমি জানতাম আমার ক্যারিয়ারের শেষ পর্যন্ত আমি অধিনায়ক থাকবো না, তাই আমি ব্রায়ান (লারা)কে তৈরি হতে বলি। যে অধিনায়কত্বের ‘বাটন’টি লারাকে দিতে পেরে আমি খুব খুশী ছিলাম।

কার্টলি অ্যামব্রোসের সাথে প্রথম সাক্ষাৎ

১৯৮৭ সালে জ্যামাইকা ও অ্যান্টিগার ফাইনালে আমি এবং কার্টলি অ্যামব্রোস একে অপরের বিপক্ষে প্রথম খেলি। আমি খেয়াল করলাম দীর্ঘদেহী এক আগ্রাসী তরুণ দারুণ বল করছে এবং কেউ একজন বললো অ্যামব্রোস হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভবিষ্যৎ ফাস্ট বোলার। তার ভবিষ্যত বানী সত্য প্রমান করে পরবর্তী বছরই অ্যামব্রোস ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে সুযোগ পায়।

ভিভের অধিনায়কত্ব

ভিভ রিচার্ডস ছিলেন এমন একজন অধিনায়ক যিনি কখনো হারতে চাইতেন না। তিনি ছিলেন যথেষ্ঠ দৃঢ়চেতা। ভিভ একজন ক্রিকেটারের ভেতর থেকে সেরাটা বের করে নিতে পারতেন এবং সবসময় সমর্থন দিয়ে যেতেন। একারণে আমাদের সম্পর্ক ছিলো যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ।

আমার বোলিং প্রান্ত

আমি সবসময় অন্য বোলারদের প্রান্ত পছন্দ করার সুযোগ দিয়েছি এমনকি যখন আমি সিনিয়র হয়েছি তখনও। আমি যেকোন প্রান্ত থেকে বোলিং করতাম।

ক্লাইভ লয়েড ও ভিভ রিচার্ডসকে দেখা

ক্লাইভ লয়েড ও ভিভ রিচার্ডসকে যখন খেলতে দেখি তখন মুগ্ধচিত্তে টিভি পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। মাইকেল হোল্ডিং যখন অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে জায়গা পায় তখন ক্লাব (আমিও একই দলের খেলোয়াড়) তার জন্য খুব গর্বিত ছিল। এটা আমাকে দলে জায়গা করে নেয়ার জন্য অনুপ্রানিত করেছে।

ক্যারিয়ারের সেরা সময়

২০০০ সাল আমার ক্যারিয়ারের সেরা সময়। আমার ফিটনেস ছিলো যথেষ্ট ভালো। তখন আমি ফাষ্ট বোলিংটা ভালোই বুঝি এবং আমি জানতাম আমি কি করতে সক্ষম।

স্বপ্নের জুটি

কার্টলি অ্যামব্রোসের সাথে আমার একটা স্বপ্নের জুটি গড়ে উঠেছিলো। আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করেছি। আমরা ছিলাম খুব ভালো বন্ধু এবং আমরা ক্রিকেটের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা ছিলাম একে অপরের পরিপুরক।

অধিনায়কত্ব ও খেলোয়াড়ী জীবন

সাধারনভাবে বলতে গেলে অধিনায়কত্ব আমাকে ক্রিকেটার হিসাবে পরিপূর্ণ করেছে। অধিনায়কত্বের কারণে আমি ক্রিকেট নিয়ে একটু বেশী চিন্তা করেছি। মাঠে আর কী কী করা যায় সেসব নিয়ে ভেবেছি।

স্মরনীয় বল

দ্যা ওভাল এ ২০০০ সালে গ্রাহাম থর্পের বিপক্ষে করা বলটি ছিলো যা আমি করতে চেয়েছি ঠিক তাই। এটি ছিলো এমন এক মুহূর্ত যার প্ল্যান ও বাস্তবায়ন একসাথে চমৎকারভাবে হয়েছিলো।

কিপিং এবং স্লিপ ফিল্ডিং

জেফ ডুজন উইকেট কিপার হিসাবে আমার জন্য দুর্দান্ত সব ক্যাচ নিয়েছে। ভিভ রিচার্ডস, ক্লাইভ লয়েড এবং রিচি রিচার্ডসন স্লিপে ছিলো অসাধারন, তার মধ্যে রিচি রিচার্ডসন ছিলো স্লিপে সেরা।

অবসর ভাবনা

মানুষ বলে আমি একটু দ্রুত অবসর নিয়েছি এবং আমিও তাই মনে করি। আমি চেষ্টা করলে আরও এক-দুই মৌসুম খেলতে পারতাম। কিন্তু আমি তা চাইনি, কারন অবসরের আগে ১৯৯৮-২০০১ সালে আমি আমার সেরা ফর্ম নিয়ে অবসরে যেয়ে চেয়েছি। কিন্তু আমাদের দলের টানা হারের কারনে আমি ছিলাম হতাশ। তরুণদের জায়গা ছেড়ে দেয়ার জন্য আমি অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই যদিও ক্যাপ্টেন কার্ল হুপার ও কোচ রজার হার্পার আমাকে আরও কিছুদিন খেলা চালিয়ে যাবার অনুরোধ করেন। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলাম।

ফাস্ট বোলারদের স্বপ্নের মাঠ

সব ফাস্ট বোলারদের মত বার্বাডোজ ও পার্থ আমার খুব প্রিয় ছিলো যদিও রেকর্ড বলে ওখানে আমার খুব বেশী উইকেট নেই। লর্ডসে খেলাও যেকোন ক্রিকেটারের কাছে স্বপ্নের মত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাম্রাজ্যের পতন

১৯৯৫ সাল থেকে ওয়েস্টইন্ডিজের ক্রিকেটের একটু একটু করে পতন শুরু হতে থাকে। তখন থেকেই অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বিষবে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। তবে আশা করি দ্রুতই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট আবার পূর্বের রূপ ফিরে পাবে।

ভারতের মাটিতে ফাস্ট বোলিং

সবাই বলে ভারতে মাটি ফাস্ট বোলিংয়ের জন্য সহায়ক নয় কিন্তু আমি ভারত ও পাকিস্তানের মাটিতে ছিলাম মোটামুটিভাবে সফল।

আমার অধিনায়কেরা

আমার দৃষ্টিতে ভিভ থেকে রিচি রিচার্ডসন অনেক শান্ত অধিনায়ক। লারা অধিনায়ক হিসাবে খেলাটা খুব ভালোভাবে বুঝতো আর কার্ল হুপার ছিলো অধিনায়ক হিসাবে শান্ত, ধীর ও নিরুদ্বেগ।

ম্যাচ ফিটনেস

আপনার ফিটনেস গননায় ধরা হবে যতক্ষণ আপনি ম্যাচে যথেষ্ট পরিমান বোলিং করার মত ফিট না হবেন।

৫০০ উইকেট পাওয়া

টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট পাওয়া গর্ব করার মত ব্যাপার। আমি এতদূর যাবো আশা করিনি। প্রথম বোলার হিসাবে ৫০০ উইকেট পাওয়া আমার জন্য অসাধারন অনুভূতি। এটা নিয়ে আমি ব্যাক্তিগতভাবে গর্বিত ও সন্তুষ্ঠ।

রজার হার্পারের ফিল্ডিং

রজার হার্পার ছিলো একজন দুর্দান্ত ফিল্ডার। যেকোন জায়গার ফিল্ডিং এ ছিলো সে পারদর্শী এবং দিনশেষে কিছু রান সে বাঁচাতে পারতো। স্লিপ ফিল্ডার হিসাবেও সে ছিলো দুর্দান্ত।

১ রানে ৫ উইকেট

পঞ্চম হিসেবে বল করতে এসে ১ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট। এটা এমন এক মুহূর্ত যা কখনো ভুলবার নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফ্ল্যাট উইকেটে এই অর্জন আমার জন্য ছিলো যথেষ্ট আনন্দদায়ক।

১৯৯৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ হার

১৯৯৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ হার আমার জন্য ছিলো খুব পীড়াদায়ক। কারন এটি ছিলো অধিনায়ক হিসাবে আমার শেষ সিরিজ। যদিও আমি ছিলাম সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। কিন্তু সিরিজ হারার কারণে সেটা আমার কাছে খুব অর্থবহ ছিলো না।

মাঠের স্টিভ ওয়াহ

স্টিভ ওয়াহ ছিলো একজন ফাইটার। শচীন বা মার্ক ওয়াহর মত হয়ত ‘ট্যাকনিক্যালি সাউন্ড’ ব্যাটসম্যান ছিলো না স্টিভ কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে তার সবকিছু দিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতো। সে যেভাবে খেলেছে তার জন্য সে প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

কঠোর পরিশ্রম

ভারত সফরের পূর্বে আমি কঠোর পরিশ্রম করতাম। কারণ আমি জানতাম ভারতে খেলা খুব কঠিন কাজ। পরবর্তীতে ভারত সফরে আমি সফল হওয়ার পেছনে এটি খুব কাজে দিয়েছে।

টেস্ট হ্যাটট্রিক

১৯৮৮ সালে ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হওয়ার পূর্বে আমার মনে হয়েছে বাকী সব বলের মতই। শুধু বুঝতে পেরেছিলেন, আমাকে উইকেটটি নিতে হবে। আমার উৎযাপন ছিলো অন্যান্য উইকেট লাভের মত। পরে বুঝতে পেরেছি আমি হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছি।

জেন্টলম্যান গেম ক্রিকেট

অনেকে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলো ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে নট-স্ট্রাইকার প্রান্তে সেলিম জাফরকে রান আউট না করার কারণে। কিন্তু, যদি আবারো একই পরিস্থিতি তৈরি হয় তবুও আমি তাকে সাবধান করবো, রান আউট করবো না। আমার দলের খেলোয়াড়রা ওই সময় একটু বিরক্ত ছিল। কিন্তু তারা বুঝেছিলো যে এটাই আমার স্বভাব।

আমার দেখা পরিপূর্ণ ফাস্ট বোলার

আমার দেখা ম্যালকম মার্শাল হচ্ছে পরিপূর্ণ ফাস্ট বোলার।

অভিষেক টেস্ট

আমি আমার অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে বোলিং করার সুযোগ পাইনি। ম্যালকম মার্শাল, মাইকেল হোল্ডিং এবং জোয়েল গার্নারের বোলিং তোপে অস্ট্রেলিইয়া ৭৬ রানে অলআউট হয় এবং মাইকেল হোল্ডিং ৬ উইকেট পায়।

অ্যান্ডি রবার্টসের সান্নিধ্য

আমি কখনো অ্যান্ডি রবার্টসের সাথে খেলিনি কিন্তু তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি যখন জ্যামাইকাতে তখন তিনি জ্যামাইকার কোচ ছিলেন। ফাস্ট বোলিং এর অনেক কিছু হাতে-কলমে শিখিয়েছেন।

__________

ইএসপিএন ক্রিকইনফোর ক্রিকেট মান্থলিতে মোহাম্মদ ইশামের নেওয়া ‘To get to 500 was tremendous for me’ শিরোনামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জীবন্ত কিংবদন্তী ও বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সাক্ষাৎকারটি প্রথম প্রকাশিত হয়। অলিগলি.কমের হয়ে অনুবাদ করেছেন ফয়সাল হোসেন

https://www.mega888cuci.com