এই বেআইনি কাজগুলো আমরা হরহামেশাই করি

দৈনন্দিন জীবনে আমরা এমন অনেক কাজই করি যা আসলে বেআইনি। অধিকাংশেরই এসব আইনের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তবে, কখনো হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলে আসতে পারে ভয়াবহ বিপদ। তাই, বিপদে পড়ার আগে জেনে নেওয়া ভাল।

টরেন্ট ডাউনলোড

টরেন্ট থেকে সিনেমা ডাউনলোড করা মানেই আইন ভঙ্গ করা। কারণ, এখানে সিনেমার নির্মাতাদের কোনো লাভ হচ্ছে না, কিন্তু ভোক্তার বিনোদন ঠিকই হচ্ছে।

পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার

যথাযথ অনুমতি ছাড়া অন্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা বেআইনি। কারণ, এখানেও কোনো আর্থিক লেনদেন নেই। কাজটা অনৈতিকও বটে। এর জন্য গ্রেফতার হওয়ার ঘটনাও আছে।

অনলাইনে ফেক আইডির ব্যবহার

সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক আইডির কোনো অভাব নেই। ধরা পড়লে জেলও হতে পারে এর জন্য।

অপ্রাপ্তবয়সে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার

১৩ বছর বয়সের নিচে কারোই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের আইন নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বয়স আরো বেশি হওয়া দরকার। যেমন, হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৬ বছর বয়সী হতে হয়।

দাম দেওয়ার আগেই খেয়ে ফেলা

সুপার শপ গুলোতে এই ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে। বিশেষ করে বাচ্চারা না বুঝে করে ফেলে। কর্তৃপক্ষও খুব একটা উচ্চবাচ্য করে না। কিন্তু, কখনো করে বসলে কিন্তু খবর আছে।

কপিরাইডেড কনটেন্ট ব্যবহার

ইন্টারনেট ঘেটে আমরা প্রায়ই এটা-ওটা তথ্য নেই। তাতে কোনো আপত্তি নেই। বিপত্তি ঘটে ছবির ক্ষেত্রে। কারণ ইন্টারনেটে পাওয়া যাওয়া ছবির অধিকাংশই কারো না কারো কপিরাইটেড।

গাড়ী চালাতে চালাতে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো

গাড়ী চালাতে চালাতে ফোনে কথা বলা ডে বেআইনি সেটা আমরা কম বেশি সবাই জানি। তবে, ব্যাপার হল গাড়ী চালানোর সময় ক্ষুদে বার্তা আদান-প্রদানও আইনসম্মত নয়।

পাসওয়ার্ড শেয়ার করা

কারো সাথে নিজের কোনো ধরণের পাসওয়ার্ড শেয়ার করা আইনসঙ্গত নয়। তবে, সেটা আর ক’জনাই বা মানে। আর এক্ষেত্রে ধরা পড়াও খুব শক্ত।

– ব্রাইট সাইড অবলম্বনে

https://www.mega888cuci.com