ইউরোপের রাস্তায় বাংলাদেশি বাইসাইকেলের কদর

ইউরোপীয়রা, বিশেষত ডাচ এবং ফিনিশরা বাইসাইকেল ভালোবাসেন। নেদারল্যান্ডে তো এমনও কথার চল রয়েছে, এ দেশে দ্বি-চক্রযানের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ঠিক দ্বিগুণ। আমস্টারডামের সাইকেল চালকেরা তাদের বাইসাইকেলটিকে শহরে কেন্দ্রে পথের ধারে পার্ক করেন।

ইউরোপের শহরগুলোর মাঝে বাইসাইকেলের জন্য আমস্টারডাম হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর। আর এ শহরের বাইসাইকেলগুলোর প্রধান উৎস হচ্ছে তাইওয়ান (২৪%), কম্বোডিয়া (১৮%), বাংলাদেশ (১১%) এবং ফিলিপাইন (১০%)।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন যতসংখ্যক বাইসাইকেল বিগত বছরে আমদানি করেছে, তার শতকরা ১১ ভাগ বাংলাদেশের বাইসাইকেল প্রস্তুতকারীরা সরবরাহ করেছেন, যা বাংলাদেশকে তাইওয়ান এবং কম্বোডিয়ার পরে তৃতীয় বৃহত্তম বাইসাইকেল রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিজস্ব পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট, ইউরোস্ট্যাটের এক উপাত্তে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক আমদানিকৃত বাইসাইকেলের ৪২ শতাংশ-ই অইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রস্তুতকৃত। যেখানে তাইওয়ান (২৪%), কম্বোডিয়া (১৮%), বাংলাদেশ (১১%) এবং ফিলিপাইন (১০%) বাইসাইকেল রপ্তানি করে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে।

ইউরোস্ট্যাটের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ২০১৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অধিভুক্ত ২৮ দেশ ১৭ মিলিয়ন বাইসাইকেল আমদানি করেছে, যার ৫২ শতাংশ ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোতে তৈরি।

অন্যদিকে, সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলো ১১ মিলিয়ন বাইসাইকেল গত বছর রপ্তানি করেছিলো, যার ৯২ শতাংশ-ই ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ রাষ্ট্রগুলোতে।

https://www.mega888cuci.com