রিস্ট স্পিন এবং সীমিত ওভারের ক্রিকেট

বর্তমান যুগে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে একটা লক্ষণীয় ব্যাপার হল স্পেশালিষ্ট রিস্ট স্পিনারের আধিক্য। দু-একটা ব্যতিক্রম বাদ দিলে প্রায় সব দলেই দেখা যাচ্ছে, অ্যাটাকিং অপশন হিসেবে অন্তত একজন লেগ স্পিনার আছেই। এমনকি দলে প্রতিষ্ঠিত ফিঙ্গার স্পিনারকে প্রয়োজনে বসিয়ে পর্যন্ত খেলানো হচ্ছে রিস্ট স্পিনার। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ভারতের ওয়ানডে দলের দুই প্রতিষ্ঠিত ‘ফিঙ্গার স্পিনার’ রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজাকে সরিয়ে চাহাল-কূলদীপের রিস্ট স্পিন জুটির দলে অন্তর্ভুক্তির কথা।

আন্তর্জাতিক বলুন আর ঘরোয়া ক্রিকেটই বলুন, সর্বত্রই এখন রিস্ট স্পিনারদের জয়জয়কার। চাহাল, কূলদীপ, রশিদ খান, তাহির, শাদাব খান, ক্রেমারদের পারফরম্যান্সই কথা বলছে তাদের হয়। সাম্প্রতিক সময়টাকে তাই রিস্ট স্পিনারদের ‘স্বর্ণযুগ’ বললেও বোধ হয় খুব একটা বাড়িয়ে বলা হবে না।

রিস্ট স্পিনারদের সাফল্যের রহস্যটা আসলে কী? কেন এই রিস্ট স্পিনার প্রীতি? ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে তারা কেন এত ইফেক্টিভ সেসব প্রশ্নের উত্তর একটু বিস্তারিতভাবে জানানোর চেষ্টা করছি।

শুরুতেই একটা পরিসংখ্যান দিচ্ছি আপনাদের। বোলিং গড় অনুযায়ী বিগত তিন বছরে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া স্পিনারদের পারফরম্যান্সের একটা সার সংক্ষেপ নিম্নরূপ

***(মিনিমাম ২০ উইকেট এবং ৩৫ বোলিং গড়)

১. রশিদ খান (আফগানিস্তান) – ৪৪ ম্যাচ, ১০০ উইকেট, গড় ১৪.৪০

২. মুজিব জাদরান (আফগানিস্তান) – ১৫ ম্যাচ, ৩৫ উইকেট, গড় ১৬.৬২

৩. কুলদীপ যাদব (ভারত) – ২০ ম্যাচ, ৩৯ উইকেট, গড় ২০.০২

৪. যজুবেন্দ্র চাহাল (ভারত) – ২৩ ম্যাচ, ৪৩ উইকেট, গড় ২১.৮৩

৫. ইমরান হায়দার (ইউএই) – ১৩ ম্যাচ, ২৩ উইকেট, গড় ২৫.৩৪

৬. ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ৫৮ ম্যাচ, ৯২ উইকেট, গড় ২৬.৬৭

৭. শাদাব খান (পাকিস্তান) – ১৭ ম্যাচ, ২৪ উইকেট, গড় ২৮.৭৫

৮. মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান) – ৫৭ ম্যাচ, ৬৫ উইকেট, গড় ২৯.৬১

৯. গ্রায়েম ক্রেমার (জিম্বাবুয়ে) – ৫৩ ম্যাচ, ৬৬ উইকেট, গড় ৩০.২৪

১০. আদিল রশিদ (ইংল্যান্ড) – ৫৯ ম্যাচ, ৯০ উইকেট, গড় ৩১.২৩

১১. মিচেল স্যান্টনার (নিউজিল্যান্ড) – ৫৩ ম্যাচ, ৫৯ উইকেট, গড় ৩৩.৯১

১২. রবিচন্দ্রন অশ্বিন (ভারত) – ২৩ ম্যাচ, ৩১ উইকেট, গড় ৩৪.৬৪

১৩. অ্যাডাম জাম্পা (অস্ট্রেলিয়া) – ৩১ ম্যাচ, ৪২ উইকেট, গড় ৩৪.৭৩

১৪. সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ) – ৪৪ ম্যাচ, ৫৩ উইকেট, গড় ৩৪.৭৫

১৫. ইশ সোধি (নিউজিল্যান্ড)- ২২ ম্যাচ, ২৯ উইকেট, গড় ৩৫.৩৪

দেখা যাচ্ছে, বিগত তিন বছরের পারফরমেন্স অনুসারে সেরা ১৫ জন স্পিনারের মধ্যে জেনুইন রিস্ট স্পিনারই ১০ জন আর রহস্য স্পিনার একজন (মুজিব জাদরান)।

জেনুইন ফিঙ্গার স্পিনার মাত্র ৪ জন (নবী, সাকিব, অশ্বিন, স্যান্টনার); শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে মাত্র একজন (নবী)।

উপরোক্ত পরিসংখ্যান থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, শর্টার ফরম্যাটের ক্রিকেটে সাফল্যের বিচারে অফ স্পিনারদের চাইতে অনেকাংশেই এগিয়েই আছেন লেগ স্পিনাররা। দে আর টেকিং উইকেটস অল ওভার দ্য ওয়ার্ল্ড।

রিস্ট স্পিনারদের প্রধান সম্পদ হচ্ছে টার্ন অর্থাৎ সাইড স্পিন। একই জায়গায় বল ফেলে ফিঙ্গার স্পিনারদের তুলনায় অনেক বেশি সাইড স্পিন আদায়ের ক্ষমতা রাখেন রিস্ট স্পিনাররা।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে লেগ স্পিনাররা কেন এত বেশি প্রায়োরিটি পাচ্ছে সেটার কারণ কিন্তু শুধুমাত্র টার্ন নয়; বরং তাদের ভ্যারাইটি এবং উইকেট টেকিং অ্যাবিলিটি। অফ স্পিনারদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতা যেটাই বলুন না কেন, তা হল বৈচিত্রের অভাব। দে আর টু মাচ প্রেডিক্টেবল। গুগলি, ফ্লিপার, ব্যাক স্পিনার, স্লাইডারের মত এত রকমের ভ্যারিয়েশন অফ স্পিনারদের হাতে নেই। একমাত্র ব্যতিক্রম বলা যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইনকে। যিনি মূলত ফিঙ্গার স্পিনার হয়েও দুসরা, ক্যারম বল, নাকল বলের মত ভ্যারিয়শনে বিশেষভাবে পারদর্শী। এছাড়া অশ্বিন আর ‘ওয়ান ট্রিক পনি’ মেন্ডিসের ক্যারম বলের কথা তো আমরা সকলেই জানি।

নারাইন ছাড়াও দুজনের কথা একটু আলাদাভাবে বলতে হয় যারা কিনা ব্যতিক্রমী একশনে ফিঙ্গার এবং রিস্ট স্পিন দুটোই করাতে জানেন। শ্রীলংকার আকিলা ধনঞ্জয়া ও আফগানিস্তানের নতুন ‘স্পিন সেনসেশন’ মুজিব জাদরান।

ধনঞ্জয়ার স্টক ডেলিভারি অফ স্পিন হলেও লেগ ব্রেক আর ‘ব্যাক অফ দ্য হ্যান্ড’ অ্যাকশনে চমৎকার গুগলিও দিতে পারেন। অন্যদিকে, মুজিব জাদরান প্রথাগত অফ ব্রেক, লেগ ব্রেকের সাথে ক্যারম বল আর গুগলির মত বুদ্ধিদীপ্ত ভ্যারিয়েশন মিশিয়ে দিনকে দিন দুর্বোধ্য করে তুলছেন নিজেকে।

টেকনিক্যালি রিস্ট স্পিনারদের চাইতে ফিঙ্গার স্পিনারদের বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ বেশি। শর্টার ফরম্যাটে অফ স্পিনাররা লুজ বল কম দেয়, কিন্তু তাদের লাইন লেন্থ প্রেডিক্টেবল হওয়ায় তাদের পিক করা সহজ। অন্যদিকে লেগ স্পিনারদের একটাই সমস্যা যে এরা প্রচুর লুজ বল দেয়। রান লিক করার প্রবণতা অনেক বেশি। তবে রিস্ট স্পিনারদের সবচেয়ে বড় এডভান্টেজ ওদের আনপ্রেডিক্টিবিলিটি। প্রচুর ভ্যারিয়েশন থাকায় ওদের পিক করাও কঠিন। ফলে লেগ স্পিনারদের উইকেট নেওয়ার সুযোগ তৈরি করার সম্ভাবনাও বেশি।

স্পিন সহায়ক উইকেট ছাড়া শর্টার ফরম্যাটে আজকাল ফিঙ্গার স্পিনারদের কার্যকারিতা নেই বললেই চলে। কেননা টার্ন পাওয়ার জন্য বেশিরভাগ অফ স্পিনারই পিচের ওপর নির্ভরশীল। তাছাড়া আজকাল প্রায় সব দেশেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যাটিং উপযোগী তক্তা উইকেট। ব্যাটের সাইজ দ্বিগুণ হচ্ছে; দিনকে দিন ছোট হয়ে যাচ্ছে বাউন্ডারিগুলোও। ফলে চাইলেই যেকোন সময় ‘বৈচিত্রহীন’ ট্র্যাডিশনাল অফ স্পিনারদের ওপর চড়াও হতে পারছেন ব্যাটসম্যানরা।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বেশিরভাগ অধিনায়ক যেটা করে থাকেন যে, বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ক্রিজে থাকলে বাঁহাতি ফিঙ্গার স্পিনার আর ডানহাতি ব্যাটসম্যান ক্রিজে থাকলে ডানহাতি অফ স্পিনারদের বোলিং করানো থেকে বিরত রাখেন। ফিঙ্গার স্পিনাররা যে লাইন লেংথ মেনে বল করে থাকেন, সঙ্গত কারণেই সেটা উপরোক্ত ব্যাটসম্যানদের জন্য ‘কমফোর্ট জোন’। অথচ লেগ স্পিনারদের ক্ষেত্রে সেটাই হয়ে যায় ‘আউট অফ দেয়ার কমফোর্ট জোন’। আর যেকোন স্পিনারের জন্যই উইকেট পাওয়ার সবচেয়ে ভাল সুযোগ তৈরি হয় যখন ব্যাটসম্যান তার কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে শট খেলতে বাধ্য হয়।

শর্টার ফরম্যাটে দেখা যায়, বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই স্পিনারদের বলে তুলে মারার জন্য ‘এরিয়াল রুট’ হিসেবে বেছে নেয় মিড উইকেট অঞ্চলকে। স্পেসিফিক্যালি বলতে গেলে ‘লং অন’ থেকে ‘ইনফ্রন্ট অফ স্কয়ার লেগ’ অঞ্চল। এক্ষেত্রে লেগ স্পিনারদের এডভান্টেজ হচ্ছে, তারা দুদিকেই বলকে টার্ন করাতে পারে। তার মানে ডানহাতিদের বেলায় ‘লেগ ব্রেক’ আর বাঁহাতিদের বেলায় ‘গুগলি’ দিলে ব্যাটসম্যান ‘এগেইন্সট দ্য স্পিন’ বটম হ্যান্ডেড স্ট্রোক খেলতে বাধ্য হবে। আর ‘এগেইন্সট দ্য স্পিন’ যে কোন এরিয়াল শটই ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে মিসটাইমিং অথবা টপ এজ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় অনেকগুণ।

টেকনিক্যালি অফ স্পিনারদের চাইতে লেগ স্পিনারদের ডেলিভারি স্ট্রাইড তুলনামূলক লম্বা। তাছাড়া বেশিরভাগ রিস্ট স্পিনারই উচ্চতায় খাটো। ম্যাক্সিমাম সাইড স্পিন আদায়ের জন্য তারা কিছুটা রাউন্ড আর্ম একশনে বল করে থাকে। কম উচ্চতা, লং ডেলিভারি স্ট্রাইড এবং রাউন্ড আর্ম একশনের কারণে লেগ স্পিনারদের ‘পয়েন্ট অফ রিলিজ’ কিছুটা লোয়ার। ফলে বলের ট্র‍্যাজেক্টরি থাকে তুলনামূলক লো, বল বাউন্স করে কম।

আবার লো ট্র্যাজেক্টরি আর লো বাউন্সের কারণে এ ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে বলের নিচ থেকে হিট করা অর্থাৎ তুলে মারা বেশ কষ্টসাধ্য কাজ। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে, বল ব্যাটের ‘সুইট স্পটে’ লাগছে না। ‘ল্যাক অফ বাউন্সের’ কারণে ‘বটম এজ’ হয়ে বোল্ড কিংবা তুলে মারতে গিয়ে পর্যাপ্ত ‘এলিভেশন’ না পাওয়ায় বাউন্ডারিতে ক্যাচে পরিণত হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।

রিস্ট স্পিনারদের একুরেসি কিংবা কন্ট্রোলে ঘাটতি থাকতে পারে, বাট দে আর জেনুইন উইকেট টেকার্স। রিস্ট স্পিনারের বলে আউট হওয়ার সম্ভাব্য কয়েকটি উপায়-

১. ড্রিফট ও টার্নে পরাস্ত হয়ে বোল্ড কিংবা এলবিডব্লু।

২. ফ্লাইট, লুপ এবং টার্নে বিভ্রান্ত হয়ে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়া।

৩. গুগলি ও ফ্লিপারে পরাস্ত হয়ে বোল্ড কিংবা এলবিডব্লু।

৪. টার্ন এবং বাউন্সে পরাস্ত হয়ে ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে স্লিপ অথবা কিপারের হাতে ক্যাচ।

৫. ‘এগেইন্সট দ্য টার্ন’ সুইপ খেলতে গিয়ে ‘অ্যারাউন্ড দ্য লেগ’ বোল্ড হওয়া কিংবা টপ এজে শর্ট ফাইন লেগের হাতে ক্যাচ উঠে যাওয়া।

৬. ‘এগেইন্সট দ্য টার্ন’ তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ।

৭. ফ্লাইট এবং টার্নে পরাস্ত হয়ে মিসটাইমিংয়ের শিকার। ফলাফল কট এন্ড বোল্ড, শর্ট কভারে লোপ্পা ক্যাচ তুলে দেয়ার মত সফট ডিসমিসাল।

বেশিরভাগ লেগ স্পিনারই প্রথাগত টার্ন নির্ভর ‘স্লোয়ার থ্রু দ্য এয়ার’ অ্যাকশনের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কার্যকারিতার দিক থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই রশিদ খান কিংবা ইমরান তাহিরের মত ‘কুইকার থ্রু দ্য এয়ার’ অ্যাকশনের স্পিনাররাও। ওদের সাফল্যের মূল রহস্য হচ্ছে স্পিড এবং অ্যাকুরেসি!

ঘন্টা প্রতি ৮৫-৯৫ কিলোমিটার গতিতে নিখুঁত ‘স্টাম্প টু স্টাম্প’ বোলিং এদের প্রধান শক্তি। এদের বলে ফ্লাইট কম, লেন্থও ঠিক ফুলার নয় বরং গুড লেন্থ বলা চলে। তুলনামূলক হাই আর্ম অ্যাকশন, কুইকার ডেলিভারি স্ট্রাইড এবং স্কিডি নেচারের কারণে এরা সাইড স্পিন তেমন একটা পান না। কিন্তু ফাস্টার স্পিড এবং ডেডলি একুরেসির কারণে এদের ‘রঙ আন’ কিংবা ‘গুগলি’ হয়ে ওঠে আরও ভয়ঙ্কর। যার ফলে এদের বেশিরভাগ উইকেটই আসে বোল্ড এবং এলবিডব্লু থেকে। তাছাড়া রশিদ খান ও ইমরান তাহিরের গুগলি দেয়ার প্রবণতাও সাধারণ লেগ স্পিনারদের চাইতে কয়েকগুণ বেশি।

এই ধরনের স্টাম্প সোজা, নিখুঁত গুগলি ও কুইকার ডেলিভারিতে ব্যাটসম্যান মোট ৪ উপায়ে বোল্ড কিংবা এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়তে পারে-

১. টার্নের গতিপথ বুঝতে না পেরে ভুল লাইনে খেলা অর্থাৎ লাইন মিসের মাধ্যমে।

২. বলের স্কিড আন্দাজ করতে না পেরে দেরিতে ব্যাট নামানো অর্থাৎ পেসে বিট হওয়া।

৩. বলের লাইন এবং লেংথ ঠিকমত রিড করতে না পেরে ভুল শট নির্বাচন। যেমন- ফুল লেন্থের বলে কাট করা (টু ফুল টু কাট), পর্যাপ্ত রুম নেই তবুও কাট খেলার চেষ্টা করা (টু ক্লোজ টু কাট)।

৪. ‘অ্যাক্রস দ্য লাইন’ শট অ্যাটেম্পট করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে সংযোগ না হওয়া। ক্রস ব্যাটেড যেকোন শট, যেমন- সুইপ, রিভার্স সুইপ, পুল, স্লগ।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।