যে পাঁচ কারণে ‘সোলো’ দেখবেন

সিনেমা’র মূল উদ্দেশ্য হল বিনোদন দেওয়া। দুই কি আড়াই ঘণ্টা নিজেকে রুপালি পর্দায় ডুবিয়ে রাখতেই দর্শক ছবি দেখেন। এর বাইরেও কিছু ছবি হয়, যা আপনাকে ভাবিয়ে তুলতে পারে। ছবি শেষ হয়ে গেলেও তাঁর রেশ থাকে আপনার মন-মগজে।

তেমনই একটি ছবি হল ‘সোলো’। ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি একই সাথে মালায়ালাম ও তামিল ভাষায় নির্মিত হয়। দুলকার সালমান বরাবরই ভিন্নধর্মী সব স্ক্রিপ্টে অভিনয় করেন। ‘সোলো’ তেমনই একটি ছবি।

কেন দেখবেন ‘সোলো’?

  • দুলকার সালমানের অভিনয়

পুরো ভারতেই সময়ের সেরা অভিনেতাদের একজন তিনি। ‘সোলো’ ছবির প্রাণও তিনি। আর কেবল তাঁর অভিনয় দেখার জন্য হলেও ‘সোলো’ দেখা উচিৎ। চারটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আর এটাই ছবির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার। তিনি কখনো এক ছন্নছাড়া প্রেমিক হয়েছেন, কখনো হয়েছেন ভাড়াটে খুনী, কখনো বা একজন প্রতিশোধ পরায়ন স্বামী, কখনো বা পেশিবহুল আর্মি অফিসার।

  • বিজয় নাম্বিয়ারের নির্মান

তিনি একটু অন্যরকম নির্মাতা। মূলধারা থেকে একটু দূরে সরে তিনি ছবি বানান। তাই, তিনি একটু আন্ডাররেটেড। তাঁর নামটা হয়তো দর্শকদের অনেকের কাছেই পরিচিত নয়, তবে তাঁর নির্মিত ছবিগুলো পরিচিত। তিনি বলিউডে ‘ওয়াজির’ কিংবা ‘কারওয়ান’-এর মত ছবি নির্মা করেছেন। ২০১১ সালে ইন্ডাস্ট্রিতে আগমন। অল্প কয়েকদিনেই তিনি নির্মানে নিজের হাত পাঁকিয়ে ফেলেছেন।

  • অনবদ্য প্লট

দেবতা শীবের চারটি অবতার – পানি, বাতাস, আগুন আর মাটিকে ধারণ করা হয়েছে চারটি ভিন্ন ভিন্ন গল্পে। প্রথম গল্পে দুলকার সালমান হলেন শেখর, দ্বিতীয় গল্পে ডাক্তার ত্রিলোক, তৃয়ীয় গল্পে ভাড়াটে গুণ্ডা শিবা, আর চতুর্থ ও শেষ গল্পে আর্মি অফিসার রুদ্র। প্রতিটা গল্পই একটা অন্যটা থেকে আলাদা। এটা একটা অ্যান্থলজিক্যাল ড্রামা।

  • অনবদ্য সঙ্গীত ও বিজিএম

বিজয় নাম্বিয়ার একটা সময় ছিলেন মানি রত্নমের সহকারী। সঙ্গীতের ব্যাপারে তাই বিজয়ের রুচিটাও নিজের গুরুর মত। ‘সোলো’ ছবিতে কাজ করেছেন ১১ জন ভিন্ন ভিন্ন কম্পোজার। আছে ২১ টি সাউন্ডট্র্যাক। বিশেষ করে ‘রশোমন’ বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

  • শক্তিমান সহ-অভিনয় শিল্পী

ছবিতে দুলকার একাই একশ। তবে, তার সাথে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে কাজ করারাও পিছিয়ে নেই। ছিলে শ্রুতি হরিহরণ, নেহা শর্মা, আর্থি ভেঙ্কটেশ আর সাই ধানসিকা। অন্যান্য চরিত্র করেছেন নাসার, সুহাসিনি মানি রত্নম, রেঞ্জি পানিকার, সতিশ ও মহিত জৌরা। ছোট একটা চরিত্রে ছিলেন ডিনো মরিয়া। যে যতটুকু সময় স্ক্রিনে ছিলেন, মানিয়ে গেছেন বেশ দারুণ ভাবে।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।