বায়োপিকে কেন বিনিয়োগ করছে বলিউড?

‘ফ্যাক্ট ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন’ – বলিউডে যখন বায়োপিকের রমরমা বাজার তখন এই কথাটাকে সত্য মানতে কোনো দ্বিধা নেই। বায়োপিকে কেন এত বিনিয়োগ? কারণটা পরিস্কার, বানিজ্যিক সাফল্য। বাস্তবের হিরোদের তাই পর্দায় আনতে তাই কার্পণ্য করছে না বলিউড।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসা সাফল্যের দিক থেকে বায়োপিক অন্য যেকোনো জনরাকেই পেছনে ফেলছে বলিউডে। এখন যে বায়োপিকগুলোর কথা বলবো, সেই তালিকা দেখলেই বুঝতে পারবেন আয়ের দিক থেকে তাঁদের পার্থক্যটা কোথায়।

  • দঙ্গল (২০১৬)

আমির খান অভিনীত এই ছবিটি বিশ্বব্যাপী ৭০২ কোটিরও বেশি রুপি আয় করে। এর মধ্যে ভারত থেকে আয় ছিল প্রায় ৫০০ কোটি রুপি। ছবিটিতে আমির খান, ফাতিমা সানা শেখদের অভিনয় প্রশংসা কুড়ায়। শুধু বায়োপিক নয়, বলিউডের ইতিহাসেই সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছবি হল দঙ্গল।

  • সাঞ্জু (২০১৮)

সঞ্জয় দত্তর বায়োপিক বিশ্বব্যাপী আয় করে প্রায় ৫৮০ কোটি রুপি। বলিউড বক্স অফিস থেকে আয় ছিল ৪৩০ কোটি রুপি। রণবীর কাপুরের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ এই সিনেমা।

  • এম.এস.ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি (২০১৬)

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির বর্ণাঢ্য জীবন অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিটির ভারত ও ভারতের বাইরে মিলিয়ে মোট ১৯০ কোটি রুপি আয় করে। বক্স অফিস ইন্ডিয়াতে আয় ছিল ১৫৭ কোটি রুপি।

  • ভাগ মিলখা ভাগ (২০১৩)

অভিনেতা হিসেবে ফারহান আখতারের ক্যারিয়ারের জন্য একটা মাইলফলক হয়ে রয়েছে ভাগ মিলখা ভাগ। বিশ্বব্যাপী ছবিটি প্রায় ১৬৪ কোটি রুপি আয় করে। ভারতে আয় ছিল ১৪১ কোটি রুপি।

  • নীরজা (২০১৬)

সোনম কাপুর অভিনীত ছবিটি বক্স অফিস ইন্ডিয়া থেকে আয় করেছিল ৯০ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী আয় ছিল ১২০ কোটি রুপি। কোনো সন্দেহ ছাড়াই বলা যায় যে, এটাই সোনমের ক্যারিয়ারের সেরা ছবি।

  • দ্য ডার্টি পিকচার (২০১১)

বিদ্যা বালানের ক্যারিয়ারের সেরা ছবি ডার্টি পিকচার। সিল্ক স্মিতার ক্যারিয়ার অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিটি বিশ্বব্যাপী ১১৭ কোটি ‍রুপি আয় করে। এর মধ্যে ভারতীয় বক্স অফিস থেকে আয় করে ১০৮ কোটি রুপি।

  • ম্যারি কম (২০১৪)

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া’র এই ছবিটি বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকে শতকোটির ক্লাবে পৌঁছায়। ভারতীয় কিংবদন্তিতুল্য বক্সারের জীবন অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিটির মোট আয় ১০৪ কোটি রুপি।

– পাইকার.কম, বিজনেসওয়ার্ল্ড ও বক্স অফিস ইন্ডিয়া অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।