সিনেমার চেয়েও বেশি রিয়েলিটি শো’র পারিশ্রমিক!

বলিউডে হালের ট্রেন্ড হল টেলিভিশন রিয়েলিটি শো-এ বিচারকের দায়িত্ব নেওয়া। বিচারকের চেয়ারে নামী কোনো তারকা বসানোর মানেই হল, হু হু করে সেই অনুষ্ঠানের টিআরপি বেড়ে যাওয়া। সেজন্য তারকাদের পারিশ্রমিকও দিতে হয় আকাশচুম্বি। অনেক ক্ষেত্রে এক মৌসুমে বিচারক হয়ে তাঁরা যত আয় করেন, ততটা একটা সিনেমা করেও এত আসে না।

  • অনুরাগ বসু

সনি টেলিভিশ ন ‘সুপার ডান্সার’ রিয়েলিটি শো-এর বিচারক এই পরিচালক প্রতি মৌসুমে পারিশ্রমিক নেন সাত কোটি ভারতীয় রুপি।

  • রাভিনা ট্যান্ডন

এমটিভিতে ‘শাইন অব ইন্ডিয়া’ নামের একটি ডান্স রিয়েলিটি শো-তে বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন রাভিনা ট্যান্ডন। একমাত্র আসরে পারিশ্রমিক হিসেবে প্রতি এপিসোডে তিনি নিয়েছিলেন এক কোটি ২৫ লাখ ভারতীয় রুপি।

  • গীতা কাপুর

সনি টেলিভিশনে ‘সুপার ডান্সার’ রিয়েলিটি শো-এর বিচারক গীতা প্রতি মৌসুমে পারিশ্রমিক নেন পাঁচ কোটি ভারতীয় রুপি।

  • শিল্পা শেঠি

বলিউডে অনেকদিন হল অনিয়মিত হলেও রিয়েলিটি শো-তে দেখা যায় শিল্পার ঝলক। ‘সুপার ডান্সার’ রিয়েলিটি শো-তে প্রতি আসরে তাঁকে পেতে আয়োজকদের খরচ করতে হয় ১৪ কোটি ভারতীয় রুপি।

  • জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ

সেলিব্রিটি রিয়েলিটি শো ‘ঝালাক দিখলাজা’র নবম আসরের বিচারক ছিলেন জ্যাকুলিন। তাঁর পারিশ্রমিক ছিল এক কোটি ২৫ লাখ রুপি, গোটা আসরে নয়, প্রতি এপিসোডে।

  • মাধুরী দিক্ষিত

‘ঝালাক দিখলাজা’র সপ্তম আসর অবধি বিচারকের চেয়ারে ছিলেন মাধুরী। প্রতি এপিসোডের জন্য তাঁর পারিশ্রমিক ছিল এক কোটি রুপি।

  • অর্চনা পুরান সিং

সনি টেলিভিশনের ‘কমেডি সার্কাসে’ অনেকদিন হল বিচারকের দায়িত্বে আছেন অর্চনা। প্রতি আসরে এই অভিনেত্রীর পারিশ্রমিক দুই কোটি রুপি।

  • রেমো ডি সৌজা

অন্যদের তুলনায় এই কোরিওগ্রাফার ও রেস থ্রি’র মত সিনেমার পরিচালর রেমোর পারিশ্রমিক বেশ কম। ‘ডান্স প্লাস’-এর তৃতীয় আসরে প্রতি এপিসোডের জন্য তিনি নিয়েছেন আড়াই লাখ রুপি।

  • কিরণ খের

‘ইন্ডিয়া’স গট ট্যালেন্ট’ নামের প্রতিভা অন্বেষণকারী রিয়েলিটি শো-এর বিচারক, স্বনামধন্য অভিনেত্রী কিরণ খের প্রতি আসরের জন্য নেন দুই কোটি রুপি।

  • মিঠুন চক্রবর্তী

‘ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স’ রিয়েলিটি শো-তে গ্র্যান্ড মাস্টার হিসেবে দেখা যায় মিঠুনকে। ডিস্কো ডান্সার খ্যাত এই অভিনেতা প্রতিটি আসরে নেন দুই কোটি রুপি।

  • সোহেল খান

অভিনেতা হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার সুখকর নয়। অথচ, ‘কমেডি সার্কাস’-এর প্রতিটি আসরে তিনি তিন কোটি করে পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন।

  • করণ জোহর

‘ঝালাক দিখলাজা’র প্রতিটি আসরে দায়িত্ব পালনের জন্য ১০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পান চলচ্চিত্র নির্মাতা করণ জোহর।

  • হৃতিক রোশন

স্টার প্লাসের ‘জাস্ট ডান্স’ রিয়েলিটি শো-তে বিচারক ছিলেন হৃতিক। পারিশ্রমিক ছিল আকাশচুম্বি। প্রতিটি এপিসোডে নির্মাতারা তাকে দুই কোটি রুপি করে পারিশ্রমিক দিতেন।

  • সাজিদ খান

পরিচালক সাজিদ খান ‘নাচ বালিয়ে’র প্রতিটি আসরে পেয়ে থাকেন ছয় কোটি রুপি।

  • শহীদ কাপুর

২০১৫ সালে সবাইকে অবাক করে ‘ঝালাক দিখলাজা’র বিচারক বনে যান শহীদ কাপুর। প্রতিটি এপিসোডে তাঁর পারিশ্রমিক ছিল এক কোটি ৭৫ লাখ রুপি।

  • সোনাক্ষী সিনহা

‘নাচ বালিয়ে’র অষ্টম আসরে বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছেন সোনাক্ষী। প্রতিটি এপিসোডে তাঁর পারিশ্রমিক এক কোটি রুপি।

  • মালাইকা অরোরা খান

‘ইন্ডিয়া’স গট ট্যালেন্ট’-এ প্রতি আসরে এই আইটেম কুইনের পারিশ্রমিক এক কোটি রুপি।

– দেশিমার্টিনি ও সিনেটেলস অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।