তারকাদের ভুতুড়ে যত শর্ত

তারকা হওয়া কোনো সহজ কাজ নয়। তারকা হওয়ার যে যাত্রাটা সেটা খুব কম লোকই পাড়ি দিতে পারেন। সেখানে অনেক ঝক্কি। এই ঝক্কি শেষ হওয়ার পর একজন সাধারণ মানুষ যখন তারকা বনেই যান, তখন তারাও যেন চাহিদার ডালা সাজিয়ে বসেন। একটা সিনেমা সাইন করার আগে এতসব উদ্ভট শর্ত দিয়ে বসেন যা আসলে সাধারণ মানুষ ভাবতেও পারে না।

  • কারিনা কাপুর খান

কারিনার পরিবারের সবাইই কমবেশি বড় তারকা। কথাটা যেমন তাঁর বাবার বাড়ি ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি শ্বশুরবাড়ির জন্যও সত্য। সে কারণেই কি না, কারিনা কখনোই কোনো বড় তারকা ছাড়া সিনেমা করেন না। তিনি মনে করেন, সিনেমায় বড় তারকা না থাকলে সেটার সাফল্য অনিশ্চিত।

  • হৃত্বিক রোশন

পৃথিবীর পাঁচজন সুদর্শন পুরুষের একজন হলেন হৃত্বিক। সিনেমার শুটিংয়ের জন্য তিনি যেখানেই যান না কেন, তাঁর নিজস্ব কুক তাঁর সাথেই থাকেন। তাঁর সাথেই সেটের হোটেলে থাকেন। এটা প্রযোজকদের আগে থেকেই বলা থাকে।

  • সোনাক্ষী সিনমা

খুব বেশি রগরগে দৃশ্যে কাজ করতে বরাবরই আপত্তি সোনাক্ষী সিনহার। কোনো সিনেমায় সাইন করার আগেই তিনি ‘নো কিসিং’-এর শর্ত জুড়ে দেন।

  • অক্ষয় কুমার

অক্ষয় কুমার কখনোই রোববার (ভারতের সাপ্তাহিক ছুটির দিন) কাজ করেন না। সেভাবেই তাঁর শিডিউল ঠিক করা হয়। রোববারের দিনটা পরিবারের সাথে কাটাতে পছন্দ করেন অক্ষয়।

  • আমির খান

বিচিত্র চাহিদার দিক থেকে মিস্টার পারফেকশনিস্ট খ্যাত আমির খান না কম যান না। তিনি কখনোই তিনি আছেন এমন দৃশ্যে ‘লো অ্যাঙ্গেল শট’ নিতে দেন না পরিচালকদের। এমন শট করতে নাকি তাঁর খুব লজ্জা লাগে।

  • কঙ্গনা রনৌত

কঙ্গনা সিনেমার সেটে কখনো কথা বলেন না। এই অভিনেত্রীর যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী। তিনিই সব জায়গায় কঙ্গনার হয়ে কথা বলেন।

  • সালমান খান

সালমান খান সিনেমাতে খুব বেশি রগরগে দৃশ্যে কাজ করেন না। তবে, রিয়েলিটি শো’র ক্ষেত্রে তাঁর চাহিদাটা খুব বিচিত্র। সবাইকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে যখন ভাইজানের কোনো গান বাজানো হবে তখন ভুলেও যেন কে্উ নেচে না ফেলে। কারণ, এই ব্যাপারটা সাল্লু ভাইয়ের একদমই পছন্দ না।

– বলিবাইটস অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।