কিছু অজানা প্রেমের গল্প

অমিতাভ বচ্চন-রেখা কিংবা সালমান খান-ঐশ্বরিয়া রায়ের সম্পর্কের গল্পগুলো এখনো বলিউডের বাতাসে ভাসে। তাতে, এর বাইরেও অনেক তারকা জুটির প্রেমের সম্পর্কের খবর এসেছে। এর মধ্যে কিছু আজো ভক্তদের মুখে মুখে শোনা যায়। আর কিছু গল্প হারিয়ে গেছে, সেই হারিয়ে যাওয়া প্রেমের গল্পগুলো নিয়ে আমাদের এই আয়োজন।

  • অজয় দেবগন ও রাভিনা ট্যান্ডন

অক্ষয় কুমারের সাথে ছাড়াছাড়ির পরও প্রেম এসেছিল রাবিনার জীবনে। এবার পাত্র অজয় দেবগন। যদিও, সেটাও টেকেনি। শোনা যায়, এরপর কারিশমার সাথে সম্পর্কে জড়ানোয় এই দু’জন আলাদা হয়ে যায়। এরপর কারিশমার সঙ্গী হন অভিষেক বচ্চন, আর অজয় তো কাজলকে বিয়ে করে সুখের সংসার গড়েন।

  • ববি দেওল ও নীলম কোঠারি

ববি আর নীলমের সম্পর্কটা ছিল ওপেন সিক্রেট। তাঁরা বিয়ে করবেন না, এমনটা কেউ ভাবতেও পারতো না। তবে, বাঁধা দিয়েছিলেন খোদ ধর্মেন্দ্র, ববি’র বাবা। তিনি কোনো অভিনেত্রীকে বাড়ির বউ হিসেবে দেখতে নারাজ ছিলেন। ব্যস, আলাদা হয়ে যান দু’জন। ট্র্যাজিক সমাপ্তিতে ভালবাসার গল্পের ইতি হয়।

  • গোবিন্দ ও রানী মুখার্জী

‘হাদ কার দি আপনে’ সিনেমার শুটিং চলাকালে দু’জনের রোম্যান্সের সূচনা হয়। সমস্যা ছিল একটাই, গোবিন্দ তখন বিবাহিত। গোবিন্দ’র স্ত্রী সুনিতা বিবাহ বিচ্ছেদের হুমকি দিয়ে বসেন। ব্যস, গোবিন্দও সোজা পথটা বেছে নেন। সুবোধ বালকের মত রানীকে ছেড়ে ঘরে ফিরে আসেন।

  • অজয় দেবগন ও কারিশমা কাপুর

রাবিনা থাকতেই কারিশা এসেছিলেন অজয়ের জীবনে। খুব খোলামেলা না হলেও, কয়েক বছর তাদের সম্পর্ক টিকে ছিল। এরপর অজয়ের জীবনে কাজলের আগমণ হয়।

  • বিক্রম ভাট ও সুস্মিতা সেন

নব্বইয়ের দশকে মিস ইউনিভার্স সুস্মিতা সেনকে ডেট করেছেন পরিচালক বিক্রম ভাট। বিক্রম বিষয়টা জনসম্মুখে স্বীকারও করেন। তখন স্ত্রীর সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর সুস্মিতার কাছে এসে তিনি শান্তি ও ভালবাসা খুঁজে পান। যদিও, কালক্রমে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এখনো বিক্রম বলে থাকেন, সুস্মিতা তাঁর হৃদয়ের খুব কাছাকাছিই থাকেন।

  • সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা ও টাবু

সাজিদের জীবনের সবচেয়ে বড় ‘শক’ স্ত্রী দিব্যা ভারতীর হঠাৎ মৃত্যু। সেই মৃত্যু এখনো রহস্য। কেউ বলে খুন, কেউ বলে আত্মহত্যা, কেউ বা বলে দুর্ঘটনা। এমন একটা ঘটনার পর যেকোনো স্বামীরই ভেঙে পড়া স্বাভাবিক। তাই সাজিদও নিজের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেছিলেন। তখনই দৃশ্যপটে আসেন টাবু। দু’জনের মধ্যে ভাল একটা বোঝাপড়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে থাকেন। যদিও, টাবু সরে আসেন এক সময়। কারণ তিনি ‍বুঝে যান যে, সাজিদ কখনোই দিব্যাকে ভুলতে পারবেন না।

  • নাগার্জুনা ও টাবু

নব্বই দশকে দক্ষিণের কিংবদন্তিতুল্য নায়ক নাগার্জুনার সাথে কয়েকটি সিনেমা করেছিলেন টাবু। এর মধ্যে আছে ‘আভিদা মা আভিদে’ ও ‘নিনে পেল্লাদাথা’। ওই সময় দু’জনের বেশ রোম্যান্টিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেটা না থাকলেও দিব্যি বন্ধুত্বটা টিকে আছে এখনো।

– বলিবাইটস, ভ্যাগাবম্ব ও ডেকান ক্রনিক্যাল অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।