সাদা-কালো দিনের রঙিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

‘রাজু ভাস্কর্যে’র চারপাশে সারাদিন হাজারো রিক্সা- গাড়ির টুংটাং, রাজনৈতিক আলাপচারিতায় মুখর ‘মধুর ক্যান্টিন’ কিংবা ঐতিহ্যগত ভাবে ছেলেদের তীর্থস্থান ‘রোকেয়া হলে’র সুবিশাল গেইট – কেমন ছিল আমাদের এই চিরপরিচিত ক্যাম্পাসের রূপ; ষাট-সত্তর দশক কিংবা তারও আগে? তারই কিছুটা দুষ্প্রাপ্য কিছু ছবির মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তাহসীন হক ও জিনাত হাসান রাকা।

ফুলার রোড ( বর্তমান ভিসি চত্বর ) , নীলক্ষেত এলাকা। ১৯৬৫ সালে তোলা।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হল। ১৯০৬ সালে এখানেই ঢাকার নবাব খাঁজা সলিমুল্লাহ’র উদ্যোগে এক সভা হয়। তখনই গঠিত হয় সর্বভারতীয় মুসলিম লিগ।
জগন্নাথ হল, ১৯৪০ সাল।
অ্যানেক্স বিল্ডিং, ১৯৭০। যা ‘মোতাহার হোসেন ভবন’ নামে সমানভাবে পরিচিত।
চারুকলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৮০ সাল।
টিএসসি মোড়, ১৯৬৫ সাল। পাশেই রমনা কালীবাড়ি মন্দির।
ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৮০ সাল। খুব একটা কি বদলেছে?
ছবির ছবিটি সুইমিংপুলের, হ্যাঁ টিএসসি’র ঠিক পেছনের সুইমিংপুলের। এখানে এক সময় বিভিন্ন সাঁতার প্রতিযোগীতার আয়োজন হতো। কালের বিবর্তনে যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগার কথা, সেখানে এটি এখন পরিত্যক্ত প্রায়। ছবিটি ঠিক কত সালে তোলা বলা না গেলেও, ধারণা করা যাচ্ছে ষাটের দশকের পর পর সময়কার হবে!
আশির দশকের অপরাজেয় বাংলা! তখন এর আশেপাশে বন্ধু-বান্ধব’দের আড্ডা বসতো, এখনো তা কম যায় নাহ।ছবিটি ১৯৮৭ সালে তোলা।
১৯৫০ সালের কার্জন হল।
শহীদুল্লাহ হলের গেট, ১৯০৮ সালের শেষভাগে তোলা।
১৯৫০ সালের কার্জন হল।
রোকেয়া হল, ১৯৮১ সাল। চলছে ‘পদাতিক’ নাট্যদলের পথনাটক ‘ক্ষ্যাপা পাগলের প্যাঁচাল’।
নওয়াব দরবার হল থেকে আজকের মধুর ক্যান্টিন,১৯০৪ সাল। স্থাপনাটির নির্মাণকাল ১৮৭৩ সাল। তৈরীর পর থেকেই এটি ‘নওয়াব দরবার হল’ বা ‘জলসাঘর’ হিসেবেই প্রচলিত ছিল। বৈঠকখানা ছাড়াও এটি নওয়াবদের স্কেটিং রিং এবং বলরুম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। স্থাপনাটির সামনের অংশ দুটি গ্রিনরুম হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলে জানা যায়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।