বিশ্ব কাঁপানো ২০ টি রোম্যান্টিক সিনেমা

অধিকাংশের মতে সিনেমা হল মানবজীবনের বাস্তব এক প্রতিফলন। আবার কেউ বলেন সিনেমা হল, বাস্তব জীবনের জাদুকরী এক রুপান্তর। আর সেই জীবনে তো রোম্যান্স থাকবেই। তাই, যুগ যুগ ধরে রোম্যান্স হল নির্মাতা ও দর্শকদের পছন্দের এক জনরা। আমাদের এবারের আয়োজন তাই বিশ্বসেরা সব রোম্যান্টিক সিনেমা নিয়ে।

  • সিটি লাইটস (১৯৩১)

এক খামখেয়ালি, ধনী মাতালের সহায়তায় একজন ভবঘুরে একটি অন্ধ মেয়ের চোখের চিকিৎসা করে। ঘটনাচক্রে ভবঘুরে লোকটিকে জেলে যেতে হয়। ছাড়া পেয়ে দেখে মেয়েটি দৃষ্টি ফিরে পেয়েছে। সে কি তাকে চিনতে পারবে? ভালবাসবে?

  • ইন দ্য মুড ফর লাভ (২০০০)

দুই প্রতিবেশী – পুরুষ ও মহিলা। তাদের স্ত্রী ও স্বামী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। তারাও পরস্পরের দিকে আকৃষ্ট হয়। কিন্তু তাদের স্বামী বা স্ত্রীর ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চায়না বলে সম্পর্কটা নিষ্কাম রাখে।

  • রোমান হলিডে (১৯৫৩)

একঘেঁয়ে জীবনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠা এক রাজকুমারী পালিয়ে যায়। প্রেমে পড়ে যায় রোমে কর্মরত এক আমেরিকান সাংবাদিকের।

  • ডক্টর জিভাগো (১৯৬৫)

একজন রুশ ডাক্তার ও কবির কাহিনী। বিবাহিত লোকটি এক রাজনৈতিক কর্মীর স্ত্রীর প্রেমে পড়ে যায়। শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং তারপরে অক্টোবর বিপ্লব।

  • ওয়েস্ট সাইড স্টোরি (১৯৬১)

নিউ ইয়র্কের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই গ্রুপের দুই তরুণ-তরুণী প্রেমে পড়ে যায়। তারা চায় তাদের বন্ধুদের মধ্যে এই ঝগড়া বন্ধ হোক। কিন্তু তা এগিয়ে যায় মর্মান্তিক পরিণতির দিকে।

  • ব্রিদলেস (১৯৬০)

গাড়ী চুরি করতে গিয়ে ঝোঁকের মাথায় এক পুলিশ অফিসারকে খুন করে বসে ছেলেটি। সে তার আমেরিকান প্রেমিকার সাথে আবার একত্রিত হয় এবং তাকে রাজী করায় ইতালি পালিয়ে যেতে।

  • রুম উইথ আ ভিউ (১৯৮৫)

লুসি ও শারলেট ফ্লোরেন্সে গিয়ে পছন্দসই রুম পায়না। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় এমারসন-রা। ওদের সাথে দেখা তার জীবন পাল্টে দিতে পারে। তার বিয়ের পরিকল্পনাতে কি প্রভাব ফেলবে এই দেখা?

  • দ্য শপ অ্যারাউন্ড দ্য কর্নার (১৯৪০)

একটি উপহার সামগ্রীর দোকানের দুই কর্মচারী – দু চোখে দেখতে পারেনা একজন আরেকজনকে। তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারেনি যে ছদ্মনামী পত্রমিতা রুপে তারা আসলে পরস্পরের প্রেমে পড়ে গেছে।

  • দ্য নোটবুক (২০০৪)

দরিদ্র যুবকটি প্রেমে পড়ে এক ধনীর মেয়ের সাথে। সামাজিক পার্থক্য তাদের প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

  • আপ ইন দ্য এয়ার (২০০৯)

লোকটার চাকরিটাই এমন – সারা দেশ ঘুরে বেড়ায় আর লোকজনের চাকরি খায়। তার এই জীবন হুমকিতে পড়ে যখন নতুন একজনকে নিয়োগ দেয়া হয় এবং সে এক মহিলার প্রেমে পড়ে যায়।

  • বিফোর সানরাইজ (১৯৯৫)

ইউরোপে ট্রেনে দেখা হয় দুই তরুন তরুনীর। ভিয়েনায় একটি রাত তারা একসাথে কাটায়। জানে, আর কখনো হয়তো দেখা হবেনা।

  • বিফোর সানসেট (২০০৪)

প্রথম দেখার নয় বছর পর আবার ওদের দেখা হয়ে যায় ফ্রান্সে। ছেলেটি তার বইয়ের প্রচারণার কাজে এসেছে।

  • বিফোর মিডনাইট (২০১৩)

নয় বছর পর আমরা আবার ওদেরকে দেখি, এবার গ্রীসে ছুটি কাটাতে এসেছে। ওরা বিয়ে করেছে এবং তাদের যমজ মেয়েদের নিয়ে প্যারিসে থাকে।

  • জুলস এট জিম (১৯৬২)

দুই বন্ধু ও এক নারীর ভালোবাসার গল্প। ভালোবাসা তাদের বন্ধুত্বে প্রভাব ফেলেনা, সময়ের সাথে বিকশিত হয়।

  • অ্যানি হল (১৯৭৭)

এক খ্যাপাটে নিউ ইয়র্ক কমেডিয়ান এবং খামখেয়ালি অ্যানি হল- এর প্রেম কাহিনী

  • ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সেলোনা (২০০৮)

গ্রীষ্মের ছুটিতে স্পেনে বেড়াতে গিয়ে দুই বান্ধবী একই পেইন্টারের প্রেমে পড়ে যায়। পর্দায় আবির্ভাব ঘটে তার প্রাক্তন স্ত্রীরও।

  • সাইডওয়েজ (২০০৪)

মধ্যবয়সী দুই বন্ধু, কেউ জীবনে তেমন সফল হতে পারেনি। এক সপ্তাহ পর একজনের বিয়ে। তারা ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়াইন কাউন্টিতে যায় সপ্তাহব্যাপী এক রোড ট্রিপে।

  • আ ওয়াক টু রিমেম্বার (২০০২)

নর্থ ক্যারোলাইনা’র দুই তরুণ-তরুণীর গল্প। একটি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে ছেলেটিকে কমিউনিটি সার্ভিস দিতে হয়, আর সেখানেই দেখা হয় মেয়েটির সাথে।

  • অ্যান অ্যামেরিকান ইন প্যারিস (১৯৫১)

তিন বন্ধু প্যারিসে কাজ খুঁজে ফিরছে। ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয় যখন তাদের দুজন একই মেয়ের প্রেমে পড়ে যায়।

  • এটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড (২০০৪)

দু’জনের সম্পর্কটা ভাল যাচ্ছিলো না। ছেলেটি একদিন জানতে পারে তার প্রেমিকা একটা প্রসিডিউরের মাধ্যমে তাদের সব স্মৃতি নিজের মন থেকে মুছে নিয়েছে। ছেলেটিও সেটা করতে যায়। বুঝতে পারে সে তাকে কতটা ভালোবাসে। কিন্তু ততক্ষণে হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।