ঈদের সেরা ২০ নাটক-টেলিফিল্ম

ঈদ নাটক ও টেলিফিল্মেও এবার ফুটবল বিশ্বকাপের প্রভাব পড়েছে। যার ফলে বেশ কিছু নাটক আর টেলিফিল্মগুলো নির্মিত হয়েছে ফুটবল ও ফুটবল সমর্থন ঘিরে। যার ফলে ঈদ নাটকের ধুম পড়ে যাওয়ার অভাবটা লক্ষ্য করা গিয়েছে টিভি প্রিমিয়ারের সময়। তবুও এসবের মধ্যেও কিছু ভাল কাজ হয়েছে।

  • ফেরার পথ নেই

সমসাময়িক সময়ের সোশ্যাল ইস্যু বেসড দূর্দান্ত এক নির্মাণ। নিঃসন্দেহে ঈদের অন্যতম সেরা একটি কাজ ও বটে। পরিচালক আশফাক নিপুণ এবার তার নির্মিত নাটকে সামাজিক অবস্থার যে ক্রাইম ইস্যু দাঁড় করিয়েছে দুটো ভিন্ন গল্পে। তাও এত সুনিপুণ নির্মাণশৈলীতে! সত্যি এক কথায় লা-জবাব।

২টি দম্পতি ২টি অবস্থানে অথচ নাটকের টাইটেল ‘ফেরার পথ নেই’ নামের সার্থকতার বাঁধাডোরে বাঁধা। যে গল্পের মধ্যে আমার-আপনার জীবনে নয়তো ঠিক পাশের মানুষটির জীবনের হাহাকার।

এখানে মেহজাবীনের স্ক্রিনপ্রেজেন্স নিশো থেকেও বেশি ছিল। সে দুটো অবস্থানেই সাবলীল অভিনয় করে দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। অন্যদিকে মেহজাবীনের সহশিল্পী হিসেবে আফরান নিশো যেন স্বস্তির এক প্রশ্বাস। নিশোর জায়গায় সে বরাবরের মতই নিখুঁত কাজ করেছেন।

২টি অবস্থানেই নিশো-মেহজাবীনের পর্দায় রসায়ন কোন বাস্তব প্রতিচ্ছবির তুলনায় কোন অংশে কম নয়। দুজনের পর্দায় জুটি আদতে রূপক হলেও, আমাদের জীবনের জয়গান ঠিকই সমস্বরে উচ্চরিত হয় বাস্তবিক গল্পের প্রতীকি রূপে।

  • সব মিথ্যে সত্য নয়

এই ঈদের এখন পর্যন্ত দেখা সেরা কাজ। এমনকি ঈদের সেরা কাজগুলোর মধ্যেও শীর্ষের দিকে থাকবে। শাফায়েত মনসুর রানা ভাই আবারো তার কারিশমা দেখালেন। যদিও তিনি পরিচিত কাস্ট নিয়ে অভিনয় করেন। তবুও এই কথা অস্বীকার করা যাবে না যে একমাত্র তার কাজেই জন কবিরকে সেরা ফর্মে দেখা যায়। সাথে অপর্ণা তো আছেই।

গল্পটি বেড়ে উঠেছে রাহাতের ছোট পরিবারকে ঘিরে। তার ছোট্ট পরিবারে আপন বলতে কেবল তার মা আর স্ত্রী রয়েছে। রাহাতের অসুস্থ মাকে নিয়ে তার স্ত্রী ফারিনের সময় কেটে যায়। দুজনে এক অদ্ভুতুড়ে রিয়েলিটি শোয়ের চরম ভক্ত। রাহাত আবার এই আগ্রহকে অনেকটা বিদ্রুপ ভাবেই দেখে। অনীহা আর কি। একটা সময়, সময়ের চাকা মায়ের চিকিৎসার আর্থিক টানাপোড়নের দরুণ রাহাতকে সেই রিয়েলিটি শোয়ের সম্মুখীন হতে হয়। উন্মোচন হতে থাকে একের পর রহস্যজনক ঘটনা।

অভিনয়ে এখানে জন কবির সত্যি ফাটিয়ে দিয়েছে। পরিচালক যেভাবে তাকে ব্যবহার করেছেন। ঠিক সেভাবে নিজের নৈপুণ্যতার জানান দিয়েছেন। দিলারা জামানের সাবলীল শব্দচয়ন ও নিখাদ অভিনয় নিয়ে নতুন করে বলার প্রশ্ন উঠে না। অপর্ণা তার জায়গায় দারুণ কাজ করছে। তারিক আনাম ও তার স্বল্প পরিসরে স্কোপে ফাটাফাটি কাজ করেছেন, তার ভারিক্কি ভাবের অভিনয়ের মাধুর্যতায়।

দূর্দান্ত ন্যারেটিভ স্টাইলে শাফায়েত ভাই ড্রামাটিক ওয়েভে গল্পের ফ্লো দৃশ্যায়িত করেছেন। গল্পে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু শুরুতে যেভাবে দর্শকমনে বীজ বপন করবে, তা অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠার আগ্রহ দর্শককে গল্পের শেষ অবধি টানটান উত্তেজনাপূর্ণ আবহে টেনে রাখবে।

মেলোড্রামাটিক ধাঁচে উচ্চস্বরে কাঁদার হাহাকার হয়তো দেখান নি। তবে রচিত সংলাপের মোহনায় চোখের কোণে জমে থাকা জল, অক্ষিকোটর থেকে বেয়ে গড়িয়ে পড়তে থাকবে অশ্রু হয়ে।

  • ডালিম কুমার

মাহমুদ দিদারের পরিচালনায় ডিপ থটের একটি কাজ। মজনু নামে প্রেমিক শোনালেও ভয়াবহ প্রেম বিরোধী লোক। এমনকি তার এলাকার কাউকে প্রেম ও করতে দিবে না। নারী বিদ্বেষী স্বভাবাপন্ন মজনুর এমন আচরণের ভেতরগত বেদনার সুর ও যেন বাহিরের মুখোশে ঢাকা। অন্যদিকে রূপবতী কঙ্কাবতীর নাম করে লর্ড ক্লাইভ নামধারী ব্যক্তি দিনের পর দিন টাকা কামিয়ে যাচ্ছে। যদিও নারীদের প্রতি কোন প্রকারের মোহ নেই মজনুর। তবুও সমাজকে প্রেমমুক্ত করতে কঙ্কাবতীর শরণাপন্ন হয় মজনু।

আমাদের দেশে এমন ডার্ক থিমের দূর্দান্ত কাজ খুব কমই দেখা যায়। হলেও বেশিরভাগ দর্শক তার মহত্ত্ব বুঝতে অপারগ থাকে। কেননা গল্প বলার ভঙ্গির সাথে পরিবেশন ধাঁচটা বড়ই অদ্ভুতুড়ে। কিন্তু সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে কাজটির ভেতরগত সৌন্দর্য শোভিত সুনিপুণ কাজ পরিলক্ষিত করে সার্থক হলে বুঝতে পারবেন কাজগুলোর গুরুত্ব।

  • এই শহরে কেউ নেই

শিহাব শাহিনের পরিচালনায় বর্তমান সোশ্যাল ইস্যু নিয়ে দূর্দান্ত এক নির্মাণ। মিথি ঢাকা শহরে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় দেওয়ার জন্য। কিন্তু আকষ্মিকভাবে তার ছিনতাই হয়ে যাওয়ার সময়, সে পথ দিয়ে যাওয়া আদিত্য ছিনতাইকারীদের বাঁধা দিতে চাইলে তারও একই পরিণতি হয়। আদিত্য মানবতার খাতিরে মিথির সাহায্যে এগিয়ে আসলেও, একটা সময় তা প্রণয়ে দেখা দেয়। তবে শহরে কি আদৌ কেউ কারো জন্য কি?

  • হোম টিউটর

মাবরুর রশীদ বান্নাহের পরিচালনায় এই ঈদের সবচেয়ে আলোচিত এবং প্রশংসিত কাজ ও বটে। এমন এক টপিক নিয়ে তার নিজস্ব ভঙ্গিতে দারুণ উপস্থাপনার জন্য সাধুবাদ পরিচালক ভাইকে। গল্পটি একজন শিক্ষার্থীকে ঘিরে। যেকিনা পড়ালিখা শেষ করেও লাগাতার ইন্টারভিউ দিয়ে চাকুরী নামক সুখপাখির দেখা পাচ্ছে না। বন্ধুদের পরামর্শ মতে হোম টিউশনের যে যাত্রা শুরু হয়, এতে কেবল অর্থনৈতিক দিক দিয়ে নয়। বরং সে নিজেও আত্মতৃপ্তিতে মোহিত হয়ে টিউশনের পরিবারের সাথে জড়িয়েছে নিজ পরিবারের সদস্যরূপে। মনোমুগ্ধকর এক গল্প, সেই সাথে শিক্ষণীয় ও বটে।

  • কিছু দুঃখ সবারই থাকে

শিহাব শাহিনের পরিচালনায় বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে ড্রামা ধাঁচের নাটক। গল্পটির প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে একই সমাজের দুটি মানুষের জীবনের আলোকে আমাদের জীবনের অবস্থান অবলোকিত হয়েছে। যেথায় নিচুশ্রেণী হোক কিংবা উচ্চশ্রেণীর লোক, প্রত্যেকেই বেদনার মর্মগাঁথায়।

  • জেনিফার তুমি রক্ত গোলাপ

মাহমুদ দিদারের পরিচালনায় আরেকটি অসাধারণ কাজ। সোশাল ইস্যুটা তার সুনিপুণ নির্মাণশৈলীতে অভূতপূর্ব ভাবে পরিদর্শিত করেছেন।

  • সিনেমা জীবন

হাবিব শাকিলের পরিচালনায় আশির দশকের প্রেক্ষাপটে দূর্দান্ত এক রোমান্টিক নাটক। জেসমিন ও নিপা দুই বোন অভিনেত্রী সূচিত্রার অনেক বড় ভক্ত। পাড়ার ছেলেরাও জেসমিনকে সূচিত্রা হিসেবেই সম্বোধন করে। রাজ্জাক নামের এক সরল যুবক সে পথ দিয়ে যাওয়ার সময়, সূচিত্রার মুখোপানে চেয়ে ভালোবাসার অতলে হারিয়ে যায়। রাজ্জাক তার মনের গহীনে সৃষ্ট হওয়ার ভালোবাসার অভিপ্রকাশ চিঠির আলোকে জানায় সূচিত্রার রূপী জেসমিনকে। তার মনে গভীর বিশ্বাস সিনেমায় রাজ্জাক শাবানার হলেও এই রাজ্জাক কেবলই সূচিত্রার। সেলুলয়েডের সেসব দিনগুলোতে হারিয়ে নিয়ে যাবে অভূতপূর্ব রোমান্টিক নাটকটি।

  • মুরগী মতিন

আবু শাহেদ ইমন ভাইয়ের পরিচালনায় অনেকটা ডার্ক থিমের হিউমেরাস ভঙ্গিতে পরিবেশনায় দূর্দান্ত এক কাজ। ঢাকা শহরের এক প্রভাবশালী মুরগী ব্যবসায়ী ও তারার নানান পাগলাটে কর্মকান্ড নিয়ে ক্রাইম ফিকশান ধাঁচের হিউমেরাস নাটক।

  • শাড়ি

হিমেল আশরাফের পরিচালনায় রোমান্টিক নাটক। শাহাদাত পরিচয়ে একজন লিফটম্যান। লিফটে শাহাদাতের স্যারের ফেলা যাওয়া শাড়ির প্যাকেট, শাহাদাত নিজের কাছে রাখে পাছে কেউ ভুল করে তুলে নেওয়ার ভয়ে। পরে শাহাদাত তার অফিসের স্যারকে জানালে, উনি জানান আপাতত শাড়িটা শাহাদাতের কাছেই রাখুক। উনি পরে তার কাছ থেকে চেয়ে নিবেন।

কিন্তু শাহাদাতের বউ শাড়িটি তার স্বামীর উপহার ভেবে সাদরে পরিধান করে। শাহাদাত ও তার বউয়ের মুখের হাসি কেড়ে নিতে চায়নি। এতে দ্বিধাদ্বন্দ্বের খেলায় শাহাদাত আনমনে চিন্তায় ভুগতে থাকে।

  • নীরার নীল আকাশ

তানিম পারভেজের পরিচালনায় ড্রামা থ্রিলার ধাঁচের নাটক। নীরার একাকিত্বের সময়কার নিত্যকার সঙ্গী তার ডায়েরী। সেথায় তার কর্মব্যস্ত প্রেমিক নীলের সময় দেওয়ার অভাবে ডায়েরীর মাধ্যমে তার অলিখিত এক ভার্চুয়াল বন্ধু আকাশের সৃষ্টি হয়। চমৎকার এক কাজ। খুব মনোযোগ দিয়ে দেখবেন। কেননা এতে মনস্তাত্ত্বিক বিষয় জড়িয়ে আছে।

  • চলছে চলবে

আশফাক নিপুণের পরিচালনায় দূর্দান্ত সংলাপনির্ভর মজার এক কমেডি নাটক। কণার পরিবারের সাথে দেখা করতে এসেছে খোরশেদের পরিবার। পাকা কথা বলার এক পর্যায়ে, খোরশেদের ভাই জামশেদের বিয়ের ও কথা উঠে কণার ফুফাতো বোন কান্তার সাথে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে বেঁকে বসে কান্তা। এরপর চলতে থাকে মজার সব কর্মকান্ড। সংলাপগুলো এতটা মজার ভাবে উপস্থাপিত করেছে যে, আপনাদের প্রত্যেকের ভীষণ ভালো লাগবে।

  • নাইট ওয়াচম্যান

ইশতিয়াক আহমেদের সিনেমা হলের গলি উপন্যাস অবলম্বনে ইমেল হকের পরিচালনায় দারুণ এক নাটক। গল্পটি এক নাইটগার্ড বজলুর। পুরাই পাগলাটে স্বভাবে সহজ-সরল ধাঁচের বজলু মানুষটি বড়ই সাধারণ। এলাকার সব মানুষের সাথে তার সখ্যতা। তার বেদনার সুর ও যেন তার বাহ্যিক সুখময় মুখোপানে দেখা যায় না। আজাদ আবুল কালামের অভিনয়। আসলেই এতটা ফাটাফাটি, আপনিও তার অভিনয়ের নৈপুণ্যতায় হারিয়ে যাবেন।

  • সুপারস্টারের সুপার ওয়াইফ

ইমরাউল রাফাতের রোমান্টিক কমেডি ধাঁচের নাটক। একজন সুপারস্টারের বউয়ের জীবনের নানান ঘটনা কমিক আঙ্গিকে পরিবেশনার মধ্য দিয়ে গল্পটি বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠবে দর্শকের মাঝে।

  • হয়তো তোমার কাছেই যাবো

আশফাক নিপুণের পরিচালনায় রোমান্টিক নাটক। মোনা ও শায়ানের প্রেমের বিয়ে সুখের ছোট সংসার। দুই স্বামী-স্ত্রী হাজার খুনসুটি হোক কিন্তু কখনোই তা বড় কোন মান-অভিমানে পরিণত হয়নি। একদিন আকষ্মিকভাবে মোনা বাথরুমে পড়ে ঘিরে প্রকট আকারে দূর্ঘটনার শিকার হয়। এতে মোনার মেরুদন্ড থেকে নীচের অংশ অকেজো হয়ে যায়। শুরু হয় মোনা-শায়ান দম্পতির নিষ্ঠুর নির্মমতার সাথে তাল মিলিয়ে চলার বসবাস।

  • নীরবতা

ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় রোমান্টিক নাটক। নিশো-মেহজাবীন দম্পতির দারুণ রোমান্টিক নাটক। বিয়ের পর দুজনে নতুন বাসায় উঠেছে। বিয়ে যদিও পারিবারিক ভাবে ঘটেছে, কিন্তু তাদের মধ্যকার রসায়ন ঠিকই জমে উঠেছে। কিন্তু সময়ের চাকায় দুজন দম্পতির বিশ্বাসে যেন ফাটল দেখা দিয়েছে। যেথায় অধিক ভালোবাসার দরুণ হয়তো বা চিৎকার করে ঝগড়ার আর্তনাদ আর হচ্ছে না। বরং সেথায় জায়গা করে নিয়েছে বেদনার নীরবতা।

  • সুগন্ধি বোর্ডিং ও তুমি

গোলাম সোহরাব দোদুলের পরিচালনায় ড্রামা ধাঁচের নাটক। ইবাদত হোসেন কাজের খাতিরে শহরে এসে আশ্রয় নিতে বোর্ডিংয়ে উঠে। আকষ্মিকভাবে ইবাদতের রুমে এক আগুন্তক যুবতীর আবির্ভাব হয়। যুবতীকে খারাপ মেয়ে ভাবলেও তার বিপদের কথা শুনে তাকে ক্ষণিকের জন্য আশ্রয় দিতে সম্মতি জানায় ইবাদত হোসেন। যুবতী তার প্রাণনাশের ভয়ে ইবাদতের কাছ থেকে আপাতত অন্য কোথাও যেতে রাজি নয়।

  • মেমরি লস

সাইমুন ইসলামের পরিচালনায় থ্রিলার নাটক। রাতুল পরিচয়ে একজন ব্যাচেলার চাকুরীজীবী। প্রতিদিনের মত সে তার অফিসে কাজে চলে যায়, সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরে দেখে তার বাসায় তার বউ অপেক্ষা করছে। আশ্চর্য!!! রাতুল তো অবাক? কিভাবে সকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে তার বউয়ের আমদানি হলো? তাদের বিয়ের ও নাকি ১ বছরের বেশি সময় হয়েছে। দূর্দান্ত একটি থ্রিলার নাটক।

  • শুধুমাত্র কোম্পানির প্রচারের স্বার্থে

মুরসালিন শুভের পরিচালনায় রোমান্টিক কমেডি নাটক। এক ফেরি বিক্রেতা তার সহকারীকে নিয়ে নানান জিনিসপত্র মুখরোচক কথার বুলিতে বিক্রি করে দিন গুজরান করে চলছে। একদিন আকষ্মিক ভাবে দেখা হয়, গার্মেন্টস কর্মী ঝুমুরের সাথে। কোম্পানির প্রচারের নাম করে, নানান সময়ে জিনিসপত্র ফ্রি তে দেওয়ার নাম করে ঝুমুরের পেছনে ঘুরতে থাকে। কিন্তু ঝুমুর একটাই প্রশ্ন কেন তার কোম্পানী তাকে ফ্রি জিনিস দিতে এতটা আগ্রহী? চরম মজার নাটক। প্রধান চরিত্রে আছে মোশাররফ করিম, মোনালিসা ও জয়রাজ।

  • লং লিভ বজলু

ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় চরম কমেডি নাটক। বজলুল পরিচয়ে সনামধন্য তালাক সম্পর্কিত উকিল। স্বভাবে ভারিক্কি ধাঁচের শোনালে বড্ড হাস্যরসে ভরপুর তার কর্মকান্ড। দেখতে যেমনই পিকিউলিয়ার ঠিক পোশাক-আশাকেও অদ্ভুত। একটা সময় তার কাছে আসা এক মেয়ে ক্লাইন্টের তালাকজনিত মামলায় জড়ানোর পর; তার বয়োজ্যেষ্ঠ মনেও প্রেমের বীজ বপণ হয়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।