ঈদের সেরা ১০ রোম্যান্টিক নাটক-টেলিফিল্ম

প্রতি ঈদেই প্রচারিত হয় অধিক সংখ্যক রোমান্টিক ধারার নাটক/ টেলিফিল্ম প্রচারিত হয়। দর্শকদের কাছেও বেশ আগ্রহে থাকে নাটকগুলি। এই ঈদে প্রচারিত হওয়া অন্যতম সেরা দশটা আলোচিত রোমান্টিক নাটক/ টেলিফিল্ম নিয়েই আমাদের এই আয়োজন।

  • নীল গ্রহ

নীল আর গ্রহ ভালোবেসে বিয়ে করেছেন দুইজন। তবে সংসারে তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে বিচ্ছেদ চাচ্ছেন দুইজনেই,তবে আলাদা এক টান রয়েছে দুইজনেই। আলাদা বাসায় উঠে যান গ্রহ। তবুও জন্মদিনে অপেক্ষার করেন নীলের। অভিমান ভেঙে নীল কি আসবে? ভালোবাসা কি বিচ্ছেদে রুপ নিবে! সাগর জাহানের রচনা ও পরিচালনায় অনেকদিন পর জুটি হয়ে ফিরেছেন মাহফুজ- অপি করিম। অভিনয়ে অপি করিম বেশ সুযোগ পেয়েছেন। সেটার সঠিক ব্যবহার ও করেছেন।

  • সিনেমা জীবন

আশির দশকের শেষদিকে দুই তরুন-তরুনীর ভালোবাসার গল্প হাবিব শাকিলের নাটক ‘সিনেমা জীবন’। ভিসিয়ারে সিনেমা দেখে নিজেদের স্বপ্নের নায়ক, নায়িকা ভাবতে থাকেন। অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, মেহজাবীন ও তানহা।

  • বুকের বাঁ পাশে

এই ঈদের সবচেয়ে আলোচিত নাটক ‘বুকের বাঁ পাশে’। জনপ্রিয় নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ানের নির্মানে এই নাটকে জুটি বেঁধেছেন নিশো- মেহজাবীন। রোমান্টিক নাটক হিসেবে এটি বহু দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে,পাশাপাশি মাহতাব শাকিবের কন্ঠে আবহ সঙ্গীতটিও দারুণ। নাটকটি প্রথম থেকে উপভোগ্য হলেও শেষটা ভালো হয় নি,আরো মনোযোগ দেয়া যেত।

  • শেষ পর্যন্ত

ঈদ আয়োজনে শিহাব শাহিনের টেলিফিল্ম মানেই আগ্রহের শীর্ষে। সেই ধারাবাহিকতায় এইবার অপূর্ব- মম কে নিয়ে প্রচারিত হলো ‘শেষ পর্যন্ত’। শিহাব শাহিন তাঁর চিরাচরিত রুপ নিয়েই এই নাটক বানিয়েছেন,অভিনয়শিল্পীরাও ভালো। সহজ সরল গল্প জটিল বানিয়ে ফেললেও দেখতে খারাপ লাগবে না।

  • হ্যালো ১১১ লাভ ইমারজেন্সি

জনপ্রিয় নির্মাতা মুস্তফা কামাল রাজের টেলিফিল্ম। এক রেডিওর সিইও, সাথে জনপ্রিয় আরজে। বিভিন্ন প্রেমের সমাধান করেই,হঠাৎ করেই অনুষ্ঠান চলাকালে একজন আপত্তিকর মন্তব্য করেন,তারপর তাকে ডাকা হয় অনুষ্ঠানে, বেরিয়ে আসে অজানা সত্য। মারুফ রেহমানের রচনায় নাটকটিতে আরজের ভূমিকায় পূর্ণিমা দারুণ করেছেন। আর তাকে সঙ্গ দিয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ।

  • এই শহরে কেউ নেই

ঢাকা শহরে পড়তে আসা এক মেয়ের সাথে এক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরিচিত হয় চাকুরীজীবী এক ছেলের সাথে,ঘটনাক্রমেই সেই পরিচিতি ভালো লাগায় রুপ নেয়, কিন্তু প্রকাশ হয় না। মেয়েটি ঢাকা শহরে একা থাকে,আর তাঁর পাশে থাকার চেষ্টা করে ছেলেটি। টেলিফিল্মটির গল্প সুপরিচিত হলেও শেষে এসে আপনাকে আকর্ষিত করবে। এটি যতটুকু রোমান্টিক ধারার,ততটুকু ইসামাজিক ইস্যুর নাটক হয়ে গেছে,শেষটা ভাবাবেই। অভিনয় শিল্পী হিসেবে তৌসিফ ও তানজিন তিশা নিজেদের মতো করে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

  • জলসাঘর

অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘দেবদাস’-এর আধুনিক রুপে জাফরিন সাদিয়ায় নাট্যরুপে জাকারিয়া সৌখিনের টেলিফিল্ম ‘জলসাঘর’। অভিনয়ে অপূর্ব, মম নিজেদের মত করে ভালো করেছেন। তবে সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন জাকিয়া বারী মম। দেবদাসের গল্প সবারই জানা, দেখতে ভালোই লাগছিল। কিন্তু শেষটা নিজেদের মত করতে গিয়ে খেই হারিয়েছে নাটকটি।

  • হয়তো তোমার কাছেই যাবো

পরিবারের অমতে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন দুইজন,ভালোই দিন কেটে যাচ্ছিল। হঠাৎ একটি দূর্ঘটনায় মেয়েটি তাঁর চলনশক্তি হারিয়ে ফেলে। ছেলেটি দূরে সরে না গিয়ে পাশে দাঁড়ায়। প্রতিভাবান নির্মাতা আশফাক নিপুণের পরিচালনায় এই নাটকে অনেকদিন পর একসাথে অভিনয় করেছে অপূর্ব-মোনালিসা।

  • আনমনে তুমি

অপূর্ব- মম জুটি আর সাথে পিয়া বিপাশাকে নিয়ে নির্মিত টেলিফিল্ম ‘আনমনে তুমি’। জীবনের একটা পর্যায়ে এসে ভালোবাসা কে নতুনভাবে অনুভব করার এই গল্প নিয়ে নাটকটি নির্মান করেছেন মাহমুদুর রহমান হিমি।

  • নীল ফড়িঙের গল্প

এই সময়ের এক প্রেমিক- প্রেমিকার গল্প এটি। দুইজনেরই বেশ ভালো সময় কেটে যাচ্ছিল। তবে তাদের মনে হতে লাগলো আগের সেই আগের টানটা নেই। দুইজনেরই অন্যদিকে আগ্রহ যেন বেশি,শুরু হয় দূরত্ব। এই নিয়েই গল্প মেহেদির হাসান জনির নাটক ‘নীল ফড়িঙের গল্প’। এই নাটকে আছেন অপূর্ব ও মিথিলা,বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।