না, হিমালয়ের এই ছবিটি মিথ্যা নয়!

সপ্তাহখানেক আগের কথা। আমেরিকান পর্বতারোহী ডন ক্যাশ হিমালয়ের চূড়ায় আরোহন করলেন। কিন্তু, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস – এর ঘণ্টাখানেক পরই তাঁকে করুণ মৃত্যু বরণ করে নিতে হল।

অ্যালান আর্নেটের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানা যায়। তাঁর দাবী, ওই দিন হিমালয়ের চূড়ায় ওঠা ২০০ জনের একজন ছিলেন ডন ক্যাশ। তিনি ঠিকঠাক পর্বতের চূড়ায় উঠেছিলেন ঠিকই। কিন্তু, ফেরার সময় ‘ট্র্যাফিক জ্যাম’-এর মধ্যে পড়েন।

আর্নেট লিখেছেন, ‘যখন ক্যাশ ও শেরপারা হিলারি স্টেপে পৌঁছায়, তখন তাদের বাধ্য হয়ে অন্তত দুঘণ্টা স্রেফ বসে থাকতে হয়েছিল। ’ ওই জায়গায় প্রতিটা মুহূর্ত খুবই মূল্যবান। সেখানে দুই ঘণ্টা সময় বসে থাকা মানেই মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানো।

গেল ২৩ মে আরেক পর্বতারোহী নির্মল পূজা ফেসবুকে একটা ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে হিলারি স্টেপ হয়ে হিমালয়ের চূড়ায় ওঠার পথে পর্বতারোহীদের লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। তিনি ছবিটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি ভোর সাড়ে পাঁচটায় হিমালয়ের চূড়ায় উঠি। যদিও, আমি আগেরদিনই দুপুর পৌনে চারটা নাগাদ হিলারি স্টেপে চলে এসেছিলাম।’ পূজা এবার এক মৌসুমে হিমালয়ের ১৪ টি ভিন্ন ভিন্ন চূড়ায় ওঠার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।

ছবিটি পোস্ট করার পর ভাইরাল হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। চলতি সময়ে এটাই যেন এভারেস্টের সবচেয়ে আইকনিক ছবি।

এভারেস্ট এখন আর অজেয় কিছু নয়। প্রতিবছরই রেকর্ডসংখ্যক পর্বতারোহী এর চূড়ায় ওঠেন। বিরুদ্ধ আবহওয়ার কারণে হিমালয়ে ওঠার সবচেয়ে ভাল সময়টা খুবই কম দিনের। তাই, একই সময়ে পৃথিবীর নানা দেশ থেকে অনেকেই এখানে আসেন। তাই বাঁধে এমন জট!

আউটসাইড অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।