বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী নানীমা

ইন্সটাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা লাখের ওপর। নিয়মিত তাঁর ছবিতে লাইক দেন শেন ওয়ার্নের মত কিংবদন্তিরা। তিনি হলেন মডেল জিনা স্টিওয়ার্ট।

স্যোশাল মিডিয়ায় জিনার বিপুল জনপ্রিয়তার পেছনে অবশ্য আরো একটা কারণ আছে। তিনি এ বছরই বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী নানীমা বলে বিবেচিত হচ্ছেন।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে বসবাস করা ৪৮ বছর বয়সী জিনা চার সন্তানের জননী। বড় ছেলে জেমসের বয়স ২৭। বাকি তিনজন হলেন ২৫ বছর বয়সী ক্যাসি, ২২ বছর বয়সী কোডি ও চার বছর বয়সী সামার।

বয়স ৫০ ছুঁই ছুঁই হলেও এখনো চেহারায় বয়সের ছাপ নেই বললেই চলে।  বছর খানেক হল তাঁর ছেলে একটি কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন। এই সুবাদে জিনা বনে গেছেন ইন্টারনেট দুনিয়ার সবচেয়ে আবেদনময়ী নানীমা।

মেয়ে ক্যাসির সাথে জিনা

জিনার জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ হল তিনি আগেই ম্যাক্সিম ম্যাগাজিনের কভার গার্ল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা যায় তাঁকে। কখনো তিনি হাজির হন চ্যানেল সেভেনের ‘সানডে নাইট’-এ, কখনোবা তাঁকে পাওয়া যায় ডেইলি মেইল টেলিভিশনে।

এই বয়সে এসেও আবেদন ধরে রাখার রহস্যটা কি? – এমন প্রশ্নের জবাবে জিনার মেয়ে ক্যাসি বলেন, ‘কেমিক্যাল মুক্ত জীবন! আমার মা আমাকে বলেছে, কেমিক্যাল খুবই ক্ষতিকর। আমি নিজের জীবনেও ওর এই উপদেশটা মেনে চলি।’

নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন জিনা একটু বেশিই ‘শো-অফ’ করেন। এদের মুখের লাগাম টেনে ধরে জিনা বলেন, ‘আমি মনে করি প্রত্যেকটি মানুষই সুন্দর। আমি যা করি তা অন্যদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ার জন্য করি না। আসলে আমি লোক দেখানো কাজগুলো করতে খুবই ঘৃণা করি। আমি এসব করি আমারই মত অন্য নারীদের অনুপ্রাণিত করতে।’

নিউজিল্যান্ডে জন্ম নেওয়া জিনার আরেকটি পরিচয় হল তিনি অভিনেতা অ্যারন জেফরির বোন। ৪৯ বছর বয়সী অ্যারন ২০০৪ ও ২০০৭ সালে ড্রামা সিরিজে সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে সিলভার লোগি পুরস্কার জয় করেছেন। তাঁর জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ গুলোর মধ্যে ‘ওয়াটার র‌্যাটস’, ‘ওয়েন্টওর্থ’, ‘নেইবোরস’ ও ‘দ্য আন্ডারবেলি সিরিজ’ অন্যতম।

– ডেইলি মেইল, নিউ ইয়র্ক পোস্ট ও এওএল.কম অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।