রূপকথা নয়, সত্যিকারের রাজপুত্র

রাজা-রাজপুত্রদের গল্পগুলো আমরা রূপকথার বইয়ে পড়েছি। একালের এই গণতন্ত্রের যুগে এসে রাজাদের খুব একটা খুঁজেও পাওয়া যায় না। তবে, এত কিছুর ভিড়েও কিছু রাজা ও রাজ পরিবার আলঙ্করিক উপায়ে হলেও টিকে আছে। টিকে আছেন রাজপুত্ররাও। তেমনই কয়েকজনের কথা বলবো আজ।

  • কন্সট্যানটিনোস অ্যালেক্সিওস (প্রিন্স অব গ্রিস অ্যান্ড ডেনমার্ক)

গ্রীসের উত্তরাধীকারি পাভলোসের পুত্র, ডাক নাম টিনো। ব্রিটেনের ওয়েলিংটন কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি সদ্যই যোগ দিয়েছেন ওয়াশিংটনের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটিতে। বয়স মাত্র ১৯। ব্রিটেনের প্রিন্স উইলিয়াম হলেন তাঁর গডফাদার।

  • আবুল মতিন (প্রিন্স অব ব্রুনেই)

তিনি এশিয়ার ‘মোস্ট এলিজেবল’ ব্যাচেলর। বয়স ২৬। মিডিয়া থেকে একটু দূরে থাকেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি একটু লাজুক প্রকৃতির, তাই ক্যামেরা তাঁর পছন্দ নয়।

  • জিন ক্রিস্টোফি (প্রিন্স নেপোলিয়ন অব ফ্রান্স)

প্রিন্স চার্লস নেপোলিয়নের ছেলে। তিনি বিশ্বখ্যাত যোদ্ধা নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বংশধর। প্যারিসেই তিনি গণিত ও অর্থনীতি উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেছেন।

  • হুসেইন (প্রিন্স অব জর্ডান)

প্রিন্স ইমানের ২৩ বছর বয়সী ভাই। মোটরবাইক ও খেলাধুলায় তাঁর বিশেষ আগ্রহ আছে। ইতিহাসে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবেও তিনি পরিচিত।

  • আলবার্ট মারিয়া (প্রিন্স অব থ্রুন অ্যান্ড ট্যাক্সিস)

তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়সী বিলিওনার। সেটাও আবার সেই আট বছর বয়সেই, বাবার মৃত্যুর পর। ৩৪ বছর বয়সী এই প্রিন্স একাধারে একজন ব্যবসায়ী ও পেশাদার ফর্মুলা ওয়ান রেসিং কার ড্রাইভার।

  • শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম (ক্রাউন প্রিন্স অব দুবাই)

আরব আমিরাতের দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স এই ধনকুবের। তিনি যে যথেষ্ট আধুনিক সেটা ইন্সটাগ্রামে তাঁকে ফলো করলেই বোঝা যায়। ৩৫ বছর বয়সী এই রাজপুত্রের কবিতাও আপনাকে মুগ্ধ করবে। কবিতা লেখায় তাঁর ছদ্মনাম ‘ফাজ্জা’।

  • ভেনজেসলওস (প্রিন্স অব লিচেস্টাইন)

বলা হয়, তাঁদেরটাই ইউরোপের সবচেয়ে ধনী রাজ্য। ৪৩ বছর বয়সী এই প্রিন্স ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ডেট করেছেন সুপার মডেল আদ্রিয়ানা লিমাকে। তিনি ‘ভিন্স দ্য প্রিন্স’ নামেও পরিচিত।

  • জোয়াকিম (প্রিন্স অব বেলজিয়াম)

আর্কডিউক অস্ট্রিয়া-এস্টে ও প্রিন্সেস অস্ট্রিড অব বেলজিয়ামের তৃতীয় পূত্র তিনি। ইংল্যান্ডের উস্টারশায়ারের ম্যালভার্ন কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন। ব্রুগের নটিক্যাল স্কুল থেকে শেষ করেছেন উচ্চতর শিক্ষা। এখন তিনি বেলজিয়ান নৌবাহিনীর একজন সদস্য।

– হেলো, এইটলিস্ট ও টিনভোগ অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।