সুচিত্রা মুখশ্রীর দুর্গা প্রতিমা

| শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা থেকে |

এখন যাদের বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে তাঁদের ছোটবেলা ফিরিয়ে দিলাম আর এখনকার তরুণ বা কিশোর প্রজন্মকে দিলাম শোনা গল্পকথার জীবন্তচিত্র।

চলুন ফিরে যাই অতীতে। পঞ্চাশ ষাটের দশকের বিখ্যাত দমকলের ঠাকুর। রমেশ পালের ঠাকুর দেখতে কলকাতার সেন্ট্রাল এভিনিউ-এ দমকল স্টেশনে যেতেন সবাই। অনবদ্য প্রতিমা শাড়ীর রং আগুন কমলা, কি অপূর্ব শিল্প, কি অপূর্ব চিন্তা!

কলকাতা দমকলবাহিনী এই পুজো করতো। এই মণ্ডপ দেখতে ভীড় উপচে পড়তো। আজকাল এবিপি আনন্দ যাকে বলে ‘দর্শনার্থীর ঢল’।

আরো পড়ুন

তখনকার কলকাতার এটাই সবচেয়ে বিখ্যাত পুজো। শেষ বোধহয় ১৯৬৩ সালে এই পূজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ, শুনেছি দমকল বাহিনী পূজাব্যস্ততার কারণে যাতে ঠিকমত পরিশেবা অন্য প্যান্ডেলে না দিতে পারে।

কলেজ স্কোয়ার, পার্ক সার্কাস, খিদিরপুর যুবক সংঘ ছাড়া একডালিয়াতেও উনি প্রতিমা দিতেন। এই পুজোর কিছু উদ্যোক্তাই পরে পাশে পার্কে মহম্মদ আলী পার্কের পুজো চালু করেন।

প্রতিমার মুখ অবশ্যই সুচিত্রা সেন। তখন মিসেস সেন ফুলফর্মে প্রথমা হায়েস্ট পেড নায়িকা। তাই দর্শক ক্লাব উদ্যোক্তারা চাইত প্রতিমা হবে ম্যাডামের মুখের আদলে আর তারই রূপ দিতেন রমেশ পাল। সে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়!

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।