নীতিতে তাঁদের কোনো নড়চড় নেই

সিনেমা ছাড়াও বিজ্ঞাপনেও নিয়মিত কাজ করেন বলিউড তারকারা। জনপ্রিয়তা বাড়ানোর সাথে সাথে বাড়তি আয়ের জন্য বিজ্ঞাপন বলিউডের বড় একটা মাধ্যম। তবে, বড় বড় অনেক বিজ্ঞাপনী প্রস্তাবে প্রায়ই ‘না’ করে দেন তারকারা। কেন? তাঁদের পরিস্কার জবাব, নিজেদের নীতির বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো কিছুই করবেন না!

  • জন আব্রাহাম

জন আব্রাহাম শরীর নিয়ে খুব সচেতন। তিনি অ্যালকোহল বা তামাক ছুয়েও দেখেন না। সেজন্য সিগারেট ও মদের বিজ্ঞাপনের অনেকগুলো প্রস্তাবে না বলে দেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, যে মানুষ সুস্বাস্থ্য চায়, তার এসব পণ্যকে উৎসাহ দেওয়ার অর্থ হল নিজের মতের সাথেই ছলনা করা।

  • কঙ্গনা রৌনত

ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপন করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন ‘কুইন’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। বলা হচ্ছিল, এর ফলে এই প্রস্তাবে ‘হ্যা’ বললে তিনি বেশ অর্থকড়ির মালিক বনে যেতেন। যদিও, কঙ্গনা ‘না’ বলে দেন। কারণ, ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনকে কালোদের প্রতি অবমাননাকর হিসেবে মনে করেন।

  • কারিনা কাপুর খান

চিকেন প্রোডাক্টের একটি বিজ্ঞাপন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। কারণ তিনি নিজে নিরামিষভোজী।

  • অমিতাভ বচ্চন

যৌতুক প্রথাকে উৎসাহ যোগাতে পারে, এমন কারণ দেখিয়ে একটি বিজ্ঞাপনের প্রস্তাবকে নাকোচ করে দিয়েছিলেন বিগ বি।

  • আমির খান

আমির খান কখনোই কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপনে কাজ করেন না। অনেক বিজ্ঞাপনের প্রস্তাবই তিনি নাকোচ করে দিয়েছেন। তবে, আমির সামাজিক সচেতনতামূলক বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী বিজ্ঞাপনে অংশ নেন।

  • অভিষেক বচ্চন

জন আব্রাহামের মত অভিষেকও অ্যালকোহলের বিরোধী। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবী নিজের নীতিতে অটুট থাকার জন্য ১০ কোটি রুপির প্রস্তাবকেও না বলেছিলেন অভিষেক।

  • রণবীর কাপুর

ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন। এক বাক্যে না করে দেন। রণবীরের দাবী এই জাতীয় ফেয়ারনেস ক্রিম বর্ণবাদকে সমর্থন করে।

– এন্টারটেলস অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।