স্মিথকে দরকার বিপিএলের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতে খুব মরিয়া ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। কারণটা স্পষ্ট, নিষেধাজ্ঞা শেষের সময় এগিয়ে আসছে, তার গেম টাইম দরকার। ম্যাচ অনুশীলন দরকার।

অনেক অনিশ্চয়তার পর যখন তার আসা নিশ্চিত হলো এবং যখন জানতে পারলেন যে অধিনায়কত্ব করতে হবে, অস্ট্রেলিয়ায় বসেই কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের কাছ থেকে দলের স্থানীয় ক্রিকেটারদের সবার সম্পর্কে বিশদ খোঁজ নিয়েছেন। সব ধারণা নিয়েছেন। ঢাকায় আসার আগেই দলের সব বোলারের ভিডিও দেখেছেন বারবার। অ্যানালাইসিস করেছেন।

মেহেদি, রনি, শহিদ, সাইফ উদ্দিন, সবার শক্তি-দুর্বলতা বিস্তারিত ধারণা নিয়ে ফেলেছেন এখানে আসার আগেই। এতটাই পেশাদার। এতটা আন্তরিক। সেসবের প্রতিফলন পড়েছে কুমিল্লার প্রথম দুই ম্যাচে। দল এক ম্যাচ জিতেছে, এক ম্যাচ হেরেছে। কিন্তু দুই ম্যাচেই তার অন ফিল্ড ক্যাপ্টেন্সি ছিল দারুণ।

অফ দা ফিল্ড ছিলেন আরও দারুণ। দলের যতজনের সঙ্গে কথা হয়েছে, সবাই বলেছেন, খুব হাসিখুশি ছেলে। আশাতীত রকমের আন্তরিক। দলের সবাইকে খুব দ্রুত আপন করে নিয়েছেন। নিজে সম্পৃক্ত হয়েছেন দলে, সবাইকে খুবই সম্পৃক্ত রেখেছেন। কোচ সালাউদ্দিন ভাই একটি কথা কয়েকবার বলেছেন গত কিছুদিনে, ‘খুব ভালো ছেলে স্মিথ।’

আশা করি স্মিথের এই ইনজুরি গুরুতর নয়। আশা করি, স্ক্যান রিপোর্ট ভালো আসবে এবং তিনি দ্রুত ফিরবেন। তার নিজের গেম টাইম যতটা দরকার, কুমিল্লার তাকে যতটা দরকার, তার চেয়ে তাকে বেশি দরকার বিপিএলের। বাংলাদেশ ক্রিকেটের। বিপিএল বরাবরই হবে অস্ট্রেলিয়ান সামারের সময়টাতেই। তাই ওয়ার্নার-স্মিথ বা শীর্ষ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের তাদের ক্যারিয়ারের প্রাইমে বিপিএল বা বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেওট আর কখনও পাওয়া যাবে না। ক্রিকেটার, কোচ, ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবার, কতকিছু শেখার আছে তাদের কাছ থেকে!

প্রবলভাবে চাই, চোট গুরুতর না হোক, স্মিথ ফিরে আসুক।

কনুইয়ের পুরোনো চোট মাথাচাড়া দেওয়ায় দেশে ফিরছেন স্মিথ। স্ক্যান করিয়ে, রিপোর্ট ভালো হলে ফিরবেন দ্রুতই। তবে দুটি ম্যাচ অন্তত মিস করা নিশ্চিত।

– ফেসবুক ওয়াল থেকে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।