সাকিবের নিষেধাজ্ঞা ও খেলোয়াড় ধর্মঘট: বিতর্ক বনাম বাস্তবতা

খুব সহজ ও সাবলীলভাবেই ক্রীড়া সাংবাদিকতার একটা অন্যরকম ফেজ যাচ্ছে, যেখানে খুব অদ্ভুত বিষয় ঘটছে। বাংলাদেশ ফুটবলে ১০৪তম দেশ ভারতের সাথে ড্র করেছে, নাজমুল হাসান পাপনের সাথে ক্রিকেটারদের ২ দিনের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের দূরত্ব একটা বৈঠকেই সুরাহা হয়েছে এবং ঠিক তার ৫ দিনের মাথায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মিডিয়া রিলিজ দিয়েছে।

ঘটনা এক, নাজমুল হাসান পাপন বেশ অপেশাদার গোছের সংবাদ সম্মেলন করেন। কিন্তু সে জানেন সাকিব আল হাসান-মাশরাফি বিন মুর্তজা ছাড়া ক্রিকেট কিছুই না, আর এটা তার জীবিকারও অংশ। যেহেতু তাঁর সেলিং পয়েন্ট, সাকিব কিংবা মাশরাফি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের মিডিয়া রিলিজে স্পষ্টত বলা রয়েছে, সাকিব আল হাসানকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসেই সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় অগাস্টে।

তাই এই ঘটনার সাথে আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই।

ঘটনা দুই, দীপাক আগারওয়াল নামের যে ব্যক্তির নাম মিডিয়া রিলিজে দেয়া আছে। তিনি একজন বুকি, জুয়াড়ি। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল কোনো ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার রাখেনা আইনত।

সেও তার প্রফেশনাল কাজই করেছে, গ্যাম্বলিং অনেক দেশেই আইনত দন্ডনীয় নয়।

ঘটনাটা ঘটাইসে সাকিব আল হাসান, প্রথম থেকে শেষ হোয়াটস্যাপ কনভারসেশন বলছে, সাকিব কোনো তথ্য দেয়নি ঠিক, কিন্তু সে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে।

শেষ পর্যন্ত, ‘আগে আপনার সাথে দেখা হোক’ এই বক্তব্য অনেকটাই শাস্তিকে ত্বরান্বিত করেছে।

পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমি মনে করি, বাস্তব মেনে নেয়া।

আজকে যদি আমি হাটঁতে হাটঁতে ড্রেনে পড়ে যাই, আমার প্রাথমিক কাজ হবে, সেটা মেনে নিয়ে। যথাসম্ভব কোনো জায়গায় গিয়ে গোসল করে পোশাক পরিবর্তন করা।

কান্নাকাটি হয়তো জীবনের অংশ বলতে পারেন, কিন্তু সেটায় সময়ের অপচয় হয়। বিশ্বে সবকিছুর যে ধূসর অংশ আছে অর্থাৎ কিছুই সাদা বা নির্দিষ্টভাবে কালো নয় সেটা মেনে নেয়াই শ্রেয়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।