ধন্য হোক এই সাহস!

আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি, সাকিব আল হাসান হচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। তিনি ছেলেবেলায় ফুটবল বাদ দিয়ে বেছে নিয়েছিলেন ক্রিকেট, এই ঘটনা খুব সম্ভব বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ঘটা সবচেয়ে সুন্দরতম ঘটনা।

তাঁকে ‘বর্ন লিডার’ হিসেবেও মানি অনেকে। তাঁর ক্রিকেট সেন্স ও স্মার্ট ব্রেইন, বিশ্বক্রিকেটেই হাতে গোণা। এই ভদ্রলোক পূর্ণ মেয়াদে, দীর্ঘ সময়ের জন্য নির্ভার হয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নেতৃত্বের আসন অলংকৃত করুন, চাই আমরা অনেকেই। সেই সুযোগ তিনি পাবেন কি না কে জানে!

তবে যে ঘটনার সূত্রপাতে নেতৃত্ব দিলেন, তা সিকিভাগ সফলও যদি হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেটে আলোর যে দ্বীপশিখা প্রায় নিভু নিভু তা নতুন আশার সলতে জ্বলে উঠবে আবার নতুন করে।

প্রিয় সাকিব আল হাসান ও তাঁর সতীর্থবৃন্দ! ধন্য হোক আপনার ও আপনাদের সবার সাহস। এ-ই লড়াইটা দেশের ক্রিকেটের জন্যই খুব জরুরী ছিল।

পুরো প্রক্রিয়াটা হঠাৎ হলেও গোছানো আয়োজন লক্ষণীয়। প্রত্যেকটা দাবী বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থককেন্দ্রিক। এই দাবীর সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করছি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে হারের পরও এই দাম্ভিক বোর্ড প্রধান এবং ‘ম্যান্দামারা’ বোর্ডের টনক নড়েনি একচুল। এবার যদি নড়ে!

বাংলাদেশ হচ্ছে ধমকের দেশ। ক্ষমতার অপব্যবহারের উর্বর ক্ষেত্র। স্বাভাবিকভাবেই এই দাবী দাওয়ার ক্ষেত্রে ধমক ও ক্ষমতা খাটিয়ে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলবে হয়তো।

সাকিব আল হাসান যেভাবে ওয়াহাব রিয়াজের সঙ্গে পাল্টা আঙুল দেখিয়েছিলেন, যেভাবে ধোনির রক্তচক্ষুর জবাব রেখেছিলেন, আমরা চাই ঠিক তেমনিভাবে অনমনীয় ও আপোষহীনতার সাক্ষর রাখবেন এখানেও। যোগ্য নেতার মতোই সবাইকে একসুতোয় গেঁথে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে মুক্ত করবেন, কূপমন্ডুকে ভর্তি এই ক্রিকেটবোর্ডের রাহুগ্রাস থেকে।

ক্যাপ্টেন! আপনার জন্য শুভকামনা।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।