অদেখা সত্যজিৎ, দুর্লভ সত্যজিৎ

তাঁকে বলা হয় উপমহাদেশীয় সিনেমার গডফাদার। এই তকমাটা তিনি পেয়েছেন উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপটের অনেক সীমাবদ্ধতার পরও। কি করে কম খরচে সেরা দৃশ্য শুট করতে হয় সে চিন্তায় থাকতে হত তাঁকে। এর মধ্য থেকেও নিজের তো বটেই, এই অঞ্চলের ইতিহাসের সেরা কাজগুলো বের করে নিয়ে আসতেন।

এখন যে ছবিগুলো দেখাতে যাচ্ছি, তা দেখে সত্যজিৎ কি করে শ্যুটিং করতেন, সেই ব্যাপারে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। এর সাথে আছে, তাঁর ব্যক্তিগতজীবনের দুর্লভ কিছু ছবি।

‘অভিযান’ ছবির শ্যুটিংয়ের ফাঁকে চিন্তিত সত্যজিৎ।
‘অভিযান’ ছবির সেট থেকে
‘আগন্তু’ ছবির শ্যুটিং চলছে
সত্যজিৎ ও তাঁর স্ত্রী বিজয়া রায়। সত্যজিৎ যেকোনো গল্প, উপন্যাস বা চিত্রনাট্য লিখে প্রথম শোনাতেন নিজের স্ত্রীকে।
সত্যজিৎ বরাবরই বেশ খুঁতখুতে। দেখুন না, ফেলুদা মানে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের হেয়ারস্টাইলও নিজেই ঠিক করে দিচ্ছেন।
বাঙালি নির্মাতার শ্যুটিংয়ে সব ছিল। শ্যুটিংয়ের ফাঁকে ছিল এমন নির্মল আড্ডাও।
বাংলা সিনেমার জগতের দুই কিংবদন্তি – সত্যজিৎ ও উৎপল দত্ত
বাংলাদেশের নায়িকা ববিতাকে শট বুঝিয়ে দিচ্ছেন সত্যজিৎ। ববিতাকে নিজের আন্তর্জাতিক খ্যাতি পাওয়া ‘অশনি সংকেত’ ছবিতে নিয়েছিলেন সত্যজিৎ।
সত্যজিৎ, অমিত কুমার ও কিশোর কুমার।
এক ফ্রেমে দুই কিংবদন্তি – সত্যজিৎ ও সঙ্গীতকার পণ্ডিত রবি শঙ্কর
বাবার হাত ধরেই সিনেমায় হাতেখড়ি হয় সন্দীপ রায়ের
বাবা-পুত্র। সন্দীপ রায় তখন অনেক ছোট।
পথের পাঁচালী’র শ্যুটিং-এর ফাঁকে।
পথের পাঁচালী’র শ্যুটিং
পথের পাঁচালী’র শ্যুটিং-এ ব্যস্ত জাদুকর
চলছে অশনি সংকেত-এর শ্যুটিং। সত্যজিতের সাথে সৌমিত্র।
শ্যুটিংয়ে সত্যজিৎ। ‘ছবি অশনি সংকেত’।
কি না করতে হত একটা ভাল দৃশ্য’র জন্য। ছবির নাম ‘অরণ্যের দিনরাত্রী’।
‘জয় বাবা ফেলুনাথ’-এর সেট
‘ঘরে বাইরে’ ছবির চিত্রায়ন চলছে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।