বন্ধুত্ব পুরনো জিন্সের মত!

বন্ধুত্ব হলো পুরনো হয়ে যাওয়া জিন্সের মতো। জিন্স প্যান্ট যতো পুরাতন হয়, তা পড়ার সময় ততো কমফোর্টেবল ফিল হয়। আর পুরানো জিন্সের প্রতি আমাদের এতোটা মায়া জন্মে যায় যে তা ছিড়ে গেলেও আমরা ছেড়া জিন্স পড়ে ঘুরে বেড়াই।

‘পুরানি জিন্স’ ২০১৪ সালের ছবি। এই ছবিটা খুব বেশি আলোচিত হয় নি, বড় কোনো স্টারকাস্ট নাই দেখে। তবে, তানুজ ভিরওয়ানি, আদিত্য সিল কিংবা ইসাবেলে লেইটারা অভিনয়ে কম চেষ্টা করেননি। অনেকটা আন্ডাররেটেড ফিল্ম। তারপরও ছবিটা অবশ্যই দেখার মতো – রিফ্রেশিং একটা বলিউড সিনেমা।

এক ছবিতে ফ্রেন্ডশিপ, রিলেশনশিপ, বিট্রেয়াল, ফ্যামিলি বন্ডিং, নস্টালজিয়া, সানশাইন, রেইন, কমেডি, জয়ফুল মোমেন্ট, সরোনেস, ইয়ুথ, রেসপন্সিবিলিটি, রিইউনিয়ন – সবকিছুর ফ্লেভার পাবেন। বাদ থাকবে কেবল অ্যাকশন। এটা এক কামিং-আপ-এজ ড্রামা উইদ গুড ভাইবস।

অনেক সুন্দর পাহাড়ি লোকেশনে ছবিটির শুটিং করা হয়। নির্মাতা তনুশ্রী চ্যাটার্জি বসুর ডিরেকশনও সুন্দর। কাসুলি নামের একটি ছোট্ট শহরের ডেনিম পরিহিত কয়েকজন যুবকের গল্প। তারা নিজেদের ফেন্ডস গ্যাংকে ‘কাসুলি কাউবয়’ নামে ডাকে। তাদের মধ্যে কেউ প্রেম করে, আর কেউ প্রেমে পড়ে – গল্পটা আর বলে মজা নষ্ট করতে চাই না।

ফিল গুড বা ফ্রেসনেস এর জন্য মুভিটি দেখতে পারেন। আপনি যদি ইউনিভার্সিটি লাইফ পার করে নিজের প্রফেশনে ব্যস্ত থাকেন তবে মুভিটি আপনাকে নস্টালজিক করে তুলবে যদিও মুভিটা ইউনিভার্সিটি বা ক্লাস রিলেটেড না।

‘পুরানি জিন্স’ হল খুব সুন্দর একটা আলো, যা বন্ধুত্বের আসল রঙ শেখায় তার প্রতিটি দৃশ্যে। বলিউডে বন্ধুত্বে নিয়ে নির্মিত অন্যতম সেরা ছবি এটা।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।