প্লেয়িং ১১: এখনকার ক্রিকেট বনাম বাংলাদেশ

ক্রিকেট আমার রুটি-রুজি কিছুই না, নিছকই ভালো লাগা থেকে পর্যবেক্ষণ করি। একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রায় প্রত্যেক দলের খেলা বল বাই বল দেখতাম।

তবে ক্রিকেট বলতে আমি কেবল ওয়ানডে বুঝে থাকি। টি-টোয়েন্টি বিরক্ত লাগে, একটানা ৫ দিন কখনোই সময় বের করা হয় না বলে টেস্টের ক্ষেত্রে হাইলাইটস ভরসা।

কিন্তু, বয়স আর ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বহুদিন হলো বাংলাদেশ আর ভারত বাদে অন্য দলগুলোর খেলা নিয়মিত অনুসরণ করা হয়নি। কোনো সিরিজের ১-২টা ম্যাচ আংশিক অথবা হাইলাইটস দেখা হতো। হাইলাইটসের অসুবিধা হলো, এতে কেবল বাউন্ডারি আর উইকেট পড়ার দৃশ্য থাকে, ম্যাচের গতি-প্রকৃতি কিছুই বোঝা যায় না।

যেহেতু হিউম্যান ল্যাব এর পর্যাপ্ত প্রজেক্ট নেই আপাতত, বহুবছর বাদে কৈশোরের নিমগ্নতায় ক্রিকেট দেখার সুযোগ ঘটেছে। এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান ম্যাচটি ব্যতীত প্রতিটি খেলাই দেখেছি।

একনাগাড়ে এতোগুলো খেলা দেখার সুবাদে, এখনকার ক্রিকেটে দুই ধরনের প্লেয়িং এপ্রোচ আবিষ্কার করলাম –

  • টপ অর্ডার ডোমিনেন্ট- মিডল অর্ডার সাপোর্টিভ- লোয়ার মিডল অর্ডার ডিফেন্স- ফ্রন্টলাইন বোলার
  • টপ অর্ডার ব্যালান্সড- মিডল অর্ডার ডমিনেন্ট- ব্যালেন্সিং লোয়ার মিডল অর্ডার- ফ্রন্টলাইন বোলার

প্রথম অ্যাপ্রোচে খেলে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ,আফগানিস্তান। দ্বিতীয় অ্যাপ্রোচে খেলছে- শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান।

ভারতের অ্যাপ্রোচ প্রথমটার ৭৫%, বাকি ২৫% নিজেদের মতো। তাদের এপ্রোচ অনেক বেশি বিধ্বংসী- টপ অর্ডার ডমিনেন্ট- ফ্লেক্সিবল মিডল অর্ডার- ফ্রন্টলাইন বোলার

বাংলাদেশের অ্যাপ্রোচ এই ৩ ধারার কোনোটার সাথেই মিলছে না। তাদের গেমপ্ল্যানের যে এপ্রোচ দেখলাম: সংকুচিত টপ অর্ডার- টপ অর্ডার+ সংকুচিত মিডল অর্ডার- বর্ধিত মিডল অর্ডার- মিনি অলরাউন্ডার- ফ্রন্টলাইন বোলার

এই ফরমেশনটা বুঝতে অসুবিধা হতে পারে বিধায়, সুনির্দিষ্ট পজিশন দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছি:

ব্যাটিং পজিশন ১, ২- ব্যাটিং পজিশন ৩, ৪- ব্যাটিং পজিশন ৫, ৬, ৭- ব্যাটিং পজিশন ৮, ৯- ব্যাটিং পজিশন ১০, ১১।

এবারে যে অ্যাপ্রোচে সবচাইতে বেশি সংখ্যক দল খেলছে সেটা উল্লেখ করি:

  • অ্যপ্রোচ ১

ব্যাটিং পজিশন ১, ২, ৩- ব্যাটিং পজিশন ৪, ৫- ব্যাটিং পজিশন ৬, ৭, ৮- ব্যাটিং পজিশন ৯,১০, ১১

  • অ্যাপ্রোচ ২

ব্যাটিং পজিশন ১, ২, ৩- ব্যাটিং পজিশন ৪, ৫, ৬- ব্যাটিং পজিশন ৭, ৮- ব্যাটিং পজিশন ৯, ১০, ১১

ভারতের জন্য হিসাবটা সহজ। ব্যাটিং পজিশন ১,২,৩- ব্যাটিং পজিশন ৪-৭ ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী- ব্যাটিং পজিশন ৮,৯,১০,১১

অ্যাপ্রোচ ১-এর প্রথমাংশ যদি দেখি ( টপ অর্ডার ডমিনেন্ট), এখানে ২ জন ওপেনারই স্ট্রোক খেলে প্রথম ওভার থেকে, তাদের পরে যে নামে সে হয় দলের প্রধান ব্যাটসম্যান অথবা বিকল্প ওপেনার। এই ৩ জনের যে কেউ বড়ো ইনিংস খেলতে পারে, এবং তাদের উপর নির্ভর করে স্কোর কত হবে।

ইংল্যান্ডের রয়-বেয়ারস্টো-রুট, নিউজিল্যান্ডের গাপটিল-মুনরো- উইলিয়ামসন, অস্ট্রেলিয়ার ফিঞ্চ-ওয়ার্নার-খাজা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের গেইল- লুইস- হোপ, আফগানিস্তানের শেহজাদ- জাজাই-রহমত শাহ।

এই অ্যাপ্রোচে প্রচুর রান হয়, আবার মাঝেমধ্যেই ব্যাটিং কলাপ্স করে, এটা এটাকিং ক্রিকেট।

অ্যাপ্রোচ ২-এর প্রথম অংশ যদি দেখি(টপ অর্ডার ব্যালেন্সড), এখানে ২ ওপেনারের একজন স্ট্রোক খেলবে, একজন স্ট্রাইক রোটেট করবে, ৩ এ যে নামবে সে দলের প্রধান ব্যাটসম্যান অথবা ইনিংস বিল্ড আপ এর ক্ষমতাসম্পন্ন। এই দলগুলোর ক্ষেত্রে স্ট্রোকমেকিং ওপেনারের ভূমিকা বেশি থাকে ফ্লাইং স্টার্টের ক্ষেত্রে, অন্য দুজন যেহেতু রানের চাকা সচল রাখে, তাই এখানে প্রচুর রানও হয় না, একেবারে স্লথও থাকে না। এটা অপটিমাম বা ক্যালকুলেটিভ ক্রিকেট।

শ্রীলংকার করুনারত্নে-কুশল পেরেরা- থিরিমান্নে, দক্ষিণ আফ্রিকার ডি কক-আমলা-ডুপ্লেসি, পাকিস্তানের ইমাম-ফখর-বাবর।

অ্যাপ্রোচ ১-এর দ্বিতীয়াংশে ( সাপোর্টিভ মিডল অর্ডার), এখানে দায়িত্ব থাকে টপ অর্ডারের রানের ফ্লো জারি রাখা, এবং রানরেট একই রাখা। এরা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হলেও দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা রাখে, এবং পার্টনারশিপ তৈরি করে।

ইংল্যান্ডে মরগান-স্টোকস, নিউজিল্যান্ডে টেলর- ল্যাথাম, অস্ট্রেলিয়ায় স্মিথ-ম্যাক্সওয়েল, ওয়েস্ট ইন্ডিজে পুরান-হেটমায়ার, আফগানিস্তানে শাহিদী-আসগর।

অ্যাপ্রোচ ২-এর দ্বিতীয়াংশে ( মিডল অর্ডার ডমিনেন্ট) এদের টপ অর্ডারের চাইতে মিডল অর্ডারের উপরে চাপ বেশি ফেলে। মিডল অর্ডারে একারণে বাড়তি একজন ব্যাটসম্যান খেলায়। বড়ো রান সংগ্রহের জন্য মিডল অর্ডারের কাউকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হয়।

শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস- ম্যাথিউস-ডিসিলভা, দক্ষিণ আফ্রিকার মার্করাম-ডুসেন-মিলার, পাকিস্তানের হাফিজ- সরফরাজ-শোয়েব মালিক।

অ্যাপ্রোচ ১-এর তৃতীয়াংশ ( লোয়ার মিডল অর্ডার ডিফেন্স) এই পজিশনের ৩ জন খেলোয়াড় মূলত ইনিংসের এক্স ফ্যাক্টর হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। তারা যেমন রান বাড়ায়, অনুরূপভাবে বোলিংয়ে উইকেট এনে দেয়। এই পজিশনে যে দলের রিসোর্স যত শক্তিশালী তারা তত বেশি এগ্রেসিভ টিম। এই পজিশনে খেলে মূলত একজন ফিনিশার, একজন ব্যাটিং অলরাউন্ডার এবং একজন বোলিং অলরাউন্ডার। কোনো কোনো দল কিপারও খেলিয়ে থাকে।

ইংল্যান্ডে বাটলার-মইন আলি-ওক্স, নিউজিল্যান্ডে নিশাম- গ্র‍্যান্ডহোম- স্যান্টনার, অস্ট্রেলিয়ায় স্টয়নিস- ক্যারি- কুল্টারনাইল, ওয়েস্ট ইন্ডিজে হোল্ডার-রাসেল-ব্র‍্যাথওয়েট, আফগানিস্তানে নবী- নাজিবুল্লাহ-গুলবাদিন।

অ্যাপ্রোচ ২-এর তৃতীয়াংশ ( ব্যালেন্সিং লোয়ার মিডল অর্ডার) এখানে মূলত ২ জন অলরাউন্ডার খেলানো হয়, কিংবা একজন হার্ড হিটার ও ব্যাটিং জানা বোলার থাকে। এই ফরমেশনের অসুবিধা হলো, এতে বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে, যে কারণে ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে না পারলে ভুগতে হয়।

শ্রীলঙ্কার থিসারা পেরেরা-লাকমল, পাকিস্তানের আসিফ আলি-ইমাদ ওয়াসিম, সাউথ আফ্রিকার ফেলাকাউ-ক্রিস মরিস।

অ্যাপ্রোচ ১ এবং ২ উভয় ক্ষেত্রেই ৩ জন ফ্রন্টলাইন বোলার খেলে। তারা প্রত্যেকেই উইকেট টেকিং বোলার। ফলে ৩০ ওভার তারা শিওর শট ধরে রাখে। বাকি ২০ ওভার দলানুসারে ভ্যারি করে।

এবার ভারতের ক্ষেত্রে যদি আসি, টপ অর্ডার ( রোহিত-ধাওয়ান- কোহলি) ফিক্সড, মিডল অর্ডারের বাকি পজিশনে কে কখন খেলবে সেটা নিশ্চিত নয়, পরিস্থিতি অনুসারে আগে-পরে নির্ধারিত হয়, এবং ৪ জন ফ্রন্টলাইন বোলার খেলে,যা আর কোনো দল খেলাচ্ছে না। তাদের এপ্রোচকে বলা যায় সুপার অ্যাটাকিং ক্রিকেট। এধরনের খেলা দেখার মজাই আলাদা।

তবে ভারতের বিপক্ষে কাউন্টার এটাক করলে তারা মাঝেমধ্যে আউটস্মার্ট হয়ে যায়। এই থিওরিটা অন্য দল বুঝে গেলে ভারত হয়তোবা সুপার এটাকিং থেকে এটাকিং গেমপ্ল্যানে শিফট করবে।

অ্যাপ্রোচ ১-এর খেলাগুলোই বেশি আকর্ষণীয় লাগে।

এবার বাংলাদেশের অ্যাপ্রোচে আসা যাক।

এখানে গেমপ্ল্যান বানানো হয়েছে ব্যাটিংকে প্রাধান্য দিয়ে, এবং মিনিমাম রিস্ক ফ্যাক্টর মাথায় রেখে।

ওপেনে ১ জন এর রোল অ্যাঙ্করিং; তাকে ইনিংসের প্রায় শেষাবধি টানতে হবে আগে-পরে যখনই ব্যাট করুক। (তামিম ইকবাল)

অপর ওপেনার লাইসেন্স টু কিল স্টাইলে খেলবে। যে কোন মুহূর্তে সে আউট হতে পারে, তবু সে এভাবেই খেলবে। এই গেমপ্ল্যানে এই প্লেয়ারটি কতটুকু সফল হবে তার ওপর দলের সাফল্য নির্ভর করছে। সে না পারলে একই দায়িত্ব পালন করার জন্য আরেকজন ওপেনার ব্যাক আপ হিসেবে আছে (সৌম্য/লিটন)

এই কৌশলের কারণে আমাদের টপ অর্ডার সংকুচিত হয়ে কেবলমাত্র ওপেনিং পজিশন পর্যন্ত সীমায়িত।

সাকিব কিছুটা টপ অর্ডার, কিছুটা মিডল অর্ডার, তার সাথে মুশফিক মিলে একটি আলাদা স্লট তৈরি করা হয়েছে। মূলত এই ২ জনের একজনকে তামিমের সাথে সঙ্গ দিতে হবে। সাকিব যেহেতু অলরাউন্ডার, তার কাছ থেকে ১০ ওভার বোলিংও লাগবে। কিন্তু ৩ এ খেলার কারণে সে খেলছে মূল ব্যাটসম্যান হিসেবে।

কোনো কারণে যদি সাকিব বা মুশফিক রান না পায় তাহলে এমন ৩ জন ব্যাটসম্যান রাখা হয়েছে যাদের মধ্যে ১ জন প্রতি ম্যাচেই ২০-২৫ রান করবেই, মানে ব্যাটিং যদি কলাপ্স করে সেটা শামাল দেয়ার জন্য মিঠুন থাকবে।

তামিম যেহেতু ওপেনার, সঙ্গত কারণেই সে ম্যাচ শেষ করে আসতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ৫০ ওভার পর্যন্ত টিকে থাকার জন্য আরেকজন ব্যাটসম্যান লাগবে, সে হলো মাহমুদুল্লাহ। সাকিবের কাছ থেকে বোলিংয়ের ১০ ওভার পাওয়া যাবে বিধায়, আরেকজন জেনুইন ব্যাটসম্যান খেলানো হচ্ছে যে ৪-৫ ওভার বোলিং সাপোর্ট দিবে।(মোসাদ্দেক)

এরপরের দুটি পজিশনে দুজন মিনি অলরাউন্ডার খেলানো হচ্ছে, যারা কিছুটা বোলিং কিছুটা ব্যাটিং জানে। (মিরাজ, সাইফুদ্দিন)। যে কারণে বাংলাদেশের ফ্রন্টলাইন বোলার থাকছে মাত্র ২ জন ( মাশরাফি, মুস্তাফিজ)

এই গেমপ্ল্যানের মূল প্রতিপাদ্য হলো- উইকেট টু উইকেট বল করে ব্যাটসম্যানকে ভুল করতে বাধ্য করো, অথবা ব্যাটিং পিচে যত পারো কম রানে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখো। উইকেট বড়ো কথা নয়।

এজন্য আমরা আগে ব্যাট করার চাইতে চেইজ করতে বেশি পছন্দ করি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এর মাশুল দিতে হয়েছে চড়ামূল্যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও হতো, মুস্তাফিজের একটা স্পেল আর সাকিব-লিটনের অতিমানবীয় ব্যাটিং বাঁচিয়ে দিয়েছে।

মাত্র ২ জন ফ্রন্টলাইন বোলার নিয়ে একাদশ গড়ার কারণে খুব কমক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষকে অল আউট করতে পারি আমরা। সেদিন এক পরিসংখ্যান দেখলাম, শেষ ২৭ ম্যাচে মাত্র ২ বার অল আউট হয়েছে বিপক্ষ দল।

এটাকে বলে নেগেটিভ ক্রিকেট। সাধারণত আইসিসি সহযোগী সদস্য দেশগুলো এধরনের গেমপ্ল্যান করে ১৫০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা থেকে বাঁচতে। আমাদের প্রতিপক্ষ যে-ই হোক, পিচ-কন্ডিশন যেমনই হোক, গেমপ্ল্যানে কোনো পরিবর্তন নেই।

ফলে এবারের বিশ্বকাপের সবচাইতে বোরিং দল বাংলাদেশ, যারা সেমিতে যাওয়ার প্ল্যান করেছে পেছনের দরজা দিয়ে।

সেটা কেমন?

শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তানকে হারাবো, আর দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে কোনো একটাকে বাগে পেলে বর্তে গেলাম, তারপর অন্য দলগুলোর বাকি ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকবো, সেখানে পয়েন্ট টেবিল ওলটপালট হলে সেমিতে যাওয়া হতেও পারে!

অথচ শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল, নিউজিল্যান্ডের সাথে জেতা ম্যাচ হেরে গেছে, আফগানিস্তান কেবলমাত্র অনভিজ্ঞতার কারণে ভারতকে চরম বাগে পেয়েও শেষ উদ্ধার করতে পারেনি।

আমরা কেবল দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছি, নিউজিল্যান্ডের সাথে ১৫২/৩ থেকে ২৪৪ এ অল আউট হয়েছি, ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া বুঝিয়ে দিয়েছে নেগেটিভ গেমপ্ল্যানের পরিণাম কী ও কতপ্রকার, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বাকি রয়েছে। তাদের সাথে মাঠের চাইতে মাঠের বাইরেই খেলা হয় বেশি। পাকিস্তানের হারার জন্য তাদের নিজেদের খেলোয়াড়রাই যথেষ্ট।

ফলে পেছনের দরজা দিয়ে সেমিতে যাওয়ার যে নেগেটিভ প্ল্যান, সমীকরণের মারপ্যাচে তা যদি বাস্তবায়িত হয়েও যায়, তাতে ক্রিকেট পর্যবেক্ষক হিসেবে আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই।।

ইংল্যান্ড হয়তোবা শেষ ৩ ম্যাচে হেরে যাবে, তাতে তারা বাদ পড়ে যাবে। পাকিস্তান আর দক্ষিণ আফ্রিকার সুযোগ কম, ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর শ্রীলঙ্কার মধ্যে যদি কেউ সেমিতে চলে যায়, সেটাই হবে পোয়েটিক জাস্টিস!

বাংলাদেশের প্লেয়িং ১১, গেমপ্ল্যান সবকিছুই ৬ নম্বরে থাকার মতো; পায়ের মাপেই জুতা কেনা উচিত!

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।