‘এখন বাড়ি গেলে ওরাই বলে – ইসনে তো কারকে দিখায়া!’

‘নায়ক’ বলতে যা বোঝায়, তিনি ঠিক তেমন নন। তারপরও নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী সম্ভবত এই সময়ের সবচেয়ে চর্চিত অভিনেতা। ভারতের উত্তর প্রদেশের মুজাফ্ফরনগর জেলার এক প্রান্তিক কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে ধীরে প্রতিষ্ঠিত ও সব্যসাচী একজন অভিনেতায় পরিণত করেছেন পরিশ্রম আর প্রতিভার বদৌলতে।

এই সাক্ষাৎকারটা ২০১২ সালের। তখন একটু একটু করে বলিউডে নিজের জায়গা করে নিচ্ছিলেন নওয়াজুদ্দীন। চলুন ডিএনএকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারটা পড়ে ফেলা যাক।

– ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২ পোস্টারে পুরো শহর ছেয়ে গেছে। রাস্তায় লোকজন কি আপনাকে চিনতে পারছে?

নওয়াজ: আমার ব্যক্তিত্ব এতই সাধারণ যে আমি খুব সহজেই ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাই। বলিউড হিরোদের প্রচলিত ইমেজের সাথে আমি ঠিক যাই না, বডি ফিটনেস কিংবা সুন্দর চেহারা কোনোটাই আমার নেই। আমি চিকন ও হালকা, আর এটাই আমার সুবিধা, অনায়াসেই সব জায়গায় চলাচল করতে পারি, লোকজন লক্ষ্য করার আগেই চলে যাই!

উত্তরপ্রদেশের একটা গ্রাম থেকে এই বলিউড, গল্পটা কী?

নওয়াজ: আমি একটি কৃষক পরিবারে বেড়ে ওঠেছি, উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগর জেলার ‘বুধানা’ বলে একটা গ্রামে। সেখানে শিক্ষার উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা নেই। কিন্তু আমরা সাত ভাই, দুই বোন কোনো রকমে লেখাপড়া করতে পেরেছি। আমাদের গ্রামে শুধু তিনটি জিনিসই চলে— গম, আঁখ আর বন্দুক! এই বন্দুক সংস্কৃতির ভয়ই গ্রাম থেকে আমাদেরকে অন্যত্র নিয়ে এসেছে।

যাই হোক, আস্তে আস্তে আমি থিয়েটারের দিকে ঝুঁকে পড়ি, মাঝেমধ্যে থিয়েটারে গিয়ে নাটক দেখাও শুরু করি। পড়ালেখা শেষ করার পর ‘বারোদা’তে একটি পেট্রো-কেমিক্যাল কোম্পানিতে কেমিস্ট হিসেবে চাকরী নিই। এরপর দিল্লীর একটি থিয়েটার গ্রুপে যোগ দিই। থিয়েটারে টাকা না পাওয়ায় ওয়াচম্যানের কাজ শুরু করি। এগুলো আসলে একের পর এক হচ্ছিলো। এরপর ১৯৯৪ সালে এনএসডি (জাতীয় নাট্যশালা স্কুল)-তে ভর্তি হই। ২০০০ সালে আমার পরিবার মুম্বাই চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি দিল্লীতে চার বছর কাজ করেছি।

মুম্বাই আপনাকে কীভাবে গ্রহণ করেছিলো?

নওয়াজ: দিল্লীতে আমি খুব আর্থিক দৈন্যের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছিলাম। ভাবছিলাম সেখানে কাজ পেতে সুবিধা হবে, প্রকৃতপক্ষে তা হয়নি। ৪-৫ বছর ধরে আমি ছোট ছোট রোল প্লে করেছি। এরপর সিনেমা জগতে একটা বড়সড় পরিবর্তন আসে, অনুরাগ ক্যাশপের মতো পরিচালকরা ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’র মতো চলচ্চিত্র তৈরি করছেন। আস্তে আস্তে আমি কাজ পেতে শুরু করলাম। গত ৩-৪ বছর ধরে ৯ টি ছবির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছি।

আপনার পরিচিতজনরা কি ছবিগুলো দেখে? এবং এই পেশা তারা কি সমর্থন করে?

নওয়াজ: আমার মা-বাবা যেখানে থাকে সেখানে কোনো প্রেক্ষাগৃহ নেই। জেলা শহর মুজাফ্ফরনগরে সিনেমা দেখানো হয়, যা আমাদের গ্রাম থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে। তারা আমাকে দেখার জন্য মাঝেমাঝে এই দূরত্বটা পাড়ি দেয়। কেন এই কাজ করছি, কেউ এই ধরণের প্রশ্ন করেনি, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি ভালো কাজ করছি, তাঁদের কোনো সমস্যা নেই।

এখানে আপনি অনেক জনপ্রিয়, বাড়িতে গেলে আপনার বন্ধু এবং পরিচিতদের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়?

নওয়াজ: এটা একটা সুখের অনুভূতি। কারণ আমি সবাইকে ভুল প্রমাণ করেছি। তাদের সবাই বলেছিলো— ‘ক্যায়সে হিরো বনেগা?’ (কিভাবে হিরো হবে?) এখন বাড়িতে গেলে ওরাই বলে— ‘ইসনে তো কারকে দিখায়া!’ (সে তো করে দেখিয়েছে)। আসলে আমি এটাকে সম্ভব করেছি।

আপনার বাবা কি এখনও কৃষি কাজ করছেন?

নওয়াজ: হ্যাঁ, খুব…

তাদেরকে কি এখানে আপনার সাথে থাকতে বলেননি?

নওয়াজ: বলেছি… এমনকি এখানে থেকেছেও কিছুদিন। ওনারা গ্রামের খোলামেলা পরিবেশে অভ্যস্ত। শহরে কিছুটা দমবন্ধ হয়ে আসছিলো। তাছাড়া সব বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয় সেখানেই আছে, তাই ওনাদের হৃদয়টাও যেখানে…

সংগ্রামের দিনগুলোতে কখনও কি হাল ছেড়ে দেয়া কিংবা ‘বুধানাতে ফিরে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন?

নওয়াজ: অনেক সময় মনে হতো, আসলে আমি সময় অপচয় করছি। এখানে কাজ পাচ্ছিলাম না। কিন্তু, ফিরেও তো যেতে পারবো না। আর গিয়েইবা কী করব? আমার পুরো জীবন শুধু অভিনয় নিয়েই থাকতে চেয়েছি, অন্য কোন কাজও জানি না। আমার বন্ধুদের নিয়েও কিছুটা ভয়ে ছিলাম, ফিরে গেলে ওরা উপহাস করে বলবে – ‘আরে হিরো বননে গ্যায়া থা, ওপাস লট আয়া!’

আপনি বলেছেন আপনার গ্রামে বন্দুক-সংস্কৃতি প্রচলিত আছে, এ ব্যাপারে কিছু বলুন…

নওয়াজ: গ্যাং হত্যার চেয়েও সেখানে বড় ধরণের হত্যকাণ্ড হয়। এটি এমন একটি আইন-বহির্ভূত জায়গা; যেখানে পুলিশ-প্রশাসন পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করে না। সর্বশেষ যখন আমি বাড়ি গিয়েছিলাম, তখন ছয় দিনে সাতটি হত্যাকান্ড ঘটেছিল! এগুলো আসলে খুবই সাধারণ ঘটনা এবং কেউ এ সম্পর্কে কিছু বলে না, এমনকি পুলিশও অসহায়। সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই, কোন আইন-শৃঙ্খলা নেই।

এসব তো আপনি খুব কাছে থেকে দেখেছেন, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুরের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে এগুলো কি কাজে লেগেছিলো?

নওয়াজ: কিছুটা হয়তো… আমি কাছে থেকে সব দেখে দেখেই বড় হয়েছি। তবে কিছু কিছু সমালোচক বলেছেন, যদিও বাস্তবে এমন কিছু ঘটে, কিন্তু ‘গ্যাংস অব ওয়েসিপুর’ মুভিটা নাকি বেশি ভায়োলেন্ট ছিলো। আর, আপনি যদি উত্তর প্রদেশ কিংবা বিহারের অভ্যন্তরে ভ্রমণ করেন, তাহলে দেখতে পাবেন যে এই জিনিসগুলি আসলেই খুব সাধারণ।

এটা অনুরাগ ক্যাশপের গবেষণায় প্রতিফলিত হয়েছে। ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’ শুটিংয়ে আপনি কি কোনো ভূমিকা রেখেছিলেন?

নওয়াজ: ঠিক তেমনটা না। অনুরাগের চিত্রনাট্য নিয়ে বেশ গবেষণা হয়েছিলো। তবে কাজের সময় অনেক সংস্কারও হয়েছে। আমরা অভিনেতা, শুধু অভিনয় নিয়েই ভাবি। একজন অভিনেতা হিসাবে কি করা যেতে পারে সর্বোচ্চ তা পরামর্শ দিতে পারি, কিন্তু স্ক্রিপ্ট পর্যায়ে সাধারণত পরিবর্তন হয় না।

সব পরিচালক কি একই ভাবে কাজ করে?

নওয়াজ: না… প্রত্যেকের একটা নিজস্ব স্টাইল আছে। যখন আপনি অনুরাগের সঙ্গে কাজ করবেন, সে আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে জানতে চেষ্টা করবে, এবং পর্যবেক্ষণ করবে। সে কঠোর না, কোনো অভিনেতাকে আক্রমণও করে না। একজন অভিনেতা হিসেবে আপনার অংশ বোঝাতে চেষ্টা করবে এবং সেরাটা বের করে আনবে।

অনুরাগের স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী যদি কোনো অভিনেতা পারফরমেন্স দেখাতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে তার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হয়?

নওয়াজ: এটা কখনো ঘটে না। সে ভালোভাবে অভিনেতা সিলেক্ট করে, এবং যারা পারফেক্ট তাদেরকেই কাস্ট করে।

‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’-এর পর এতো প্রশংসা পাচ্ছেন, জীবনে কোনো পরিবর্তন এসেছে?

নওয়াজ: আপনার সামনেই গত ২০ মিনিটে আমি অন্তত ৮ টি কল পেয়েছি। মানুষ কল করছে, আমার কাজের প্রশংসা করে টেক্সট করছে, এটা অবশ্য ভালো লাগে।

হঠাৎ এতো খ্যাতি কিছুটা ভীতিকর না?

নওয়াজ: আসলে এটা খুব বেশি না। কারণ, আমি জানি তারা আমার কাজ নিয়ে কথা বলছে। তবে শুটিংয়ের সময় এটা নিয়ে আলোচনা আমার মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে। কাজের সময় এগুলোতে কান দেয়া উচিত নয়। আর খ্যাতির সাথে সাথে কিছুটা বিড়ম্বনা তো থাকবেই।

একটা বিষয় লক্ষ করা যায় যে, অন্যদের তুলনায় আপনি মুসলিম ক্যারেক্টার বেশি প্লে করছেন, ‘কাহানি’তে ইন্সপেক্টর খান, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুরে’ ফয়জাল খান, ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে আসগর…

নওয়াজ: এটা পুরোপুরি সত্য নয়। ‘পিপলি লাইভে’ আমি সাংবাদিক রাকেশ চরিত্রে ছিলাম। ‘দ্যাখ ইন্ডিয়ান সার্কাসে’ জেথু। তবে এটা ঠিক যে শেষ দুই ছবিতে আমি মুসলিম ক্যারেক্টার প্লে করেছি। ইন্সপেক্টর খান আর ফয়জল খান দুইটা সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্র। আমি কোনো গতানুগতিক অভিনেতার মতো নই যে, যার একই পারপরম্যান্স কিংবা একই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে কোনো ভাবনা নেই।

আপনি কি কোনো ফর্মুলা ফিল্ম করতে প্রস্তুত?

নওয়াজ: হ্যা, তবে অর্থবহ কিছু তো থাকতে হবে। আমি অদ্ভুতভাবে গাছের চারপাশে কিংবা রাস্তায় নাচবো, তা কিন্তু হতে পারে না। একজন ড্যান্সার অথবা রকস্টারের ভূমিকায় অভিনয় করা যেতে পারে। অযৌক্তিক কিছুতে অভিনয় করতে আমি রাজি নই।

আমির খানের সাথে ‘তালাশ ছবির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো?

নওয়াজ: এটি সাসপেন্স থ্রিলার, আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছি। এ সম্পর্কে এর বেশি কিছু বলতে চাই না। আমিরের সাথে কাজ করার সুবাদে বলতে পারি, তার কোনও অহংবোধ নেই। সে এমন একজন সুপারস্টার যার ‘লগন’ ‘পিপলি’ ‘তারে জমিন পার’ কিংবা ‘দিল্লী বিল্লি’র মতো ছবি আছে। আমার চোখে সে অন্যতম  শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, সে কঠোর পরিশ্রম করে এবং সব ধরণের ছবির পিছনে অর্থ ব্যয় করে।

অন্য বলিউড তারকাদের কাছ থেকে কেমন প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন?

নওয়াজ: সবাই এখন খুবই মনোযোগী। একজন মানুষ যিনি আট বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে আছেন, এখন হঠাত তার প্রতি মনোযোগ দেয়া হচ্ছে, এটা কিন্তু অল্প কিছু না।

ভাল অভিনেতা কী বলিউডের তারকা হয়ে উঠতে পারে না?

নওয়াজ: ভালো অভিনেতা হওয়ার কোন কঠোর কিংবা দ্রুততম নিয়ম নেই, এটা ভিতর থেকে আসে। আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও অনেক ভালো অভিনেতা আছে। আমাদের সমস্যা হলো কেউ একজন ফিল্ম-ফ্যামিলি থেকে আসলো, আর সে কোটি কোটি টাকা পেতে শুরু করলো। সে একজন ভালো অভিনেতা হতে পারে; কিন্তু এটা ঠিক নয়। তাকে প্রথমত তার দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। কেনো ভালো অভিনেতাকে বেশি পারিশ্রমিক পাবে না? আমি সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের অভিনেতা হতে চাই। আমি জানি এটা আমার অভিনয়, দক্ষতা ও বিনোদনের জন্য দেয়া হবে।

এমন কোনো পরিচালক আছে যার সাথে আপনি কাজ করতে চান?

নওয়াজ: আমি সব তরুণ পরিচালকদের সাথে কাজ করতে চাই। ওদের নিজস্ব চিন্তাজগত আছে, স্টাইল আছে। আমি তাদের আবেগ এবং শক্তিকে কাজে লাগাতে চাই।

স্ট্রাগলের দিনগুলিতে কেমন প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হয়েছিলেন?

নওয়াজ: কখনো কখনো এমনও হয়েছে যে, আমাকে একটা চরিত্রের জন্য কাস্ট করা হয়েছে, পরে ডেকে নিয়ে বলছে, কাজটা আর হচ্ছে না। আসলে সীমাহীন প্রত্যাখ্যানের শিকার হতে হয়েছে। প্রত্যাখ্যানটা ছিলো বন্ধুর মতো, এটি আমাকে ধীরে ধীরে প্রভাবিত করতে করেছে।

অবশেষে আপনি পেরেছেন…

নওয়াজ: হ্যা, তা ঠিক, যদিও কিছুটা দেরী হয়েছে, তারপরও ভালো। মাঝেমাঝে ভাবি, এই ফিল্মগুলো যদি পাঁচ বছর আগে পেতাম, তাহলে এখন আমাকে এই অবস্থায় থাকতে হতো না।

আপনার ফিমেল কো-স্টারদের সম্পর্কে কিছু বলুন…

নওয়াজ: হুমা কুরেশি অসম্ভব ভালো অভিনেত্রী। আমাদের প্রথম দৃশ্যটি শুটের সময় যখন সে আমাকে স্পর্শ করার অনুমতি দিলো, সেটা আমার কাছে বাস্তব মনে হচ্ছিলো এবং সবশেষে শুটিং যেভাবে সমাপ্ত হলো, তা এক কথায় প্রশংসনীয়। রিচা চাড্ডাও ভালো অভিনেত্রী, সে অনেক বছর ধরে অভিনয় করে যাচ্ছে। আর এটা ভেবে ভালো লাগে যে, এরা সবাই তরুণ এবং ভালো কাজ করেছে।

সেট থেকে কোনও স্মরণীয় গল্প…

নওয়াজ: তিন মাস আমরা একসাথে দুই অংশের শুটিং করেছি। হুমা আর আমি একটি রোমান্টিক দৃশ্যের শুটিং করছিলাম, যেখানে আমরা গ্লাসের মধ্যে একে অপরকে দেখি। এক সময় হুমা বলল, ‘নওয়াজ ভাই, আমি তোমাকে দেখবো এবং চোখে ইশারা করবো।’এমন একটা রোমান্টিক দৃশ্যে সে আমাকে ভাই ডাকলো। আমি অনুরাগকে এই ব্যাপারে বললাম। পরে সে হুমা কে বলেছিলো, যাতে ওই দৃশ্যের আগে ভাই বলে না ডাকে! (হাসি)

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।