‘ভাই বলেছিলেন, আজকে তুই জেতা’

এশিয়া কাপে এখন অবধি যে ফাইনালের পথ খোলা আছে বাংলাদেশের তাতে বড় কৃতীত্বটা অবশ্যই মুস্তাফিজুর রহমানের আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওভারের জাদুকরী বোলিং দিয়েই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের তিন রানের রুদ্ধশ্বাস জয়। ম্যাচ জয়ের পরদিন তিনি টিম হোটেলে বসে জানালেন শেষ ওভারের রহস্য।

  • পানিশূণ্যতা ও পায়ে টান থাকার পরও বোলিং করার চ্যালেঞ্জ

ভাই (মাশরাফি) আমাকে একটা কথা বলছিল যে তোর বোলিং করা লাগবেই। মাঝখানে ৩ ওভার বোলিংয়ের সময় ভাইকে বলেছি যে পায়ে লাগছে। ভাই তখন বলেছেন যে তুই বিশ্রাম নে। শেষে করবি আবার। আমি বলছি যে ভাই ঠিক আছে, যেভাবে পারি করব।

  • অবিশ্বাস্য শেষ ওভার

গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই। ওপরওয়ালা সহায় থাকলে হবে। শেষ ওভারে কুড়ির ওপরে থাকলে ঠিক আছে। কিন্তু ২০ পর্যন্ত থাকলে কোনো গ্যারান্টি নেই। যেকোনো মুহূর্তে নিতে পারে। আমার চেষ্টা ছিল, নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। আর ভালো সময় গেছে।

 

  • ছোট ছোট রান আপে বোলিং

রান আপে বেশি জৌরে দৌড়ালে আমার পায়ে টান লাগছিল। আমি এজন্য এমন ভাবে দৌড়ালাম যেন পায়ে না লাগে। ওভাবেই বোলিং করছি।

  • শেষ ওভারের রহস্য

স্বাভাবিক বোলিং করা দরকার, করছি। বেশি ভাবলে দেখা যেত যে ওই দুই বলেই নিয়ে নিছে ৮ রান। বেশি ভাবি নাই, এই কারণেই জিতছি।

  • অধিনায়কের সাথে পরিকল্পনা

ভাই (মাশরাফি) আমাকে বলছে, তুই যেটা ভালো মনে করিস সেটা কর। আমি জাতীয় দলে খেললে সবসময় সিনিয়রদের দেখি। কি করলে, কোনটা নিলে, কোন জায়গায় ফিল্ডার নিলে ভালো হয়।

শেষ ওভারে যখন ৮ রান বাকি ছিল, মাশরাফি ভাই এটাই বলছিল যে আমরা অনেকবার ৮-৯ রান করতে গিয়ে হারছি। আজকে (রোববার) তুই জেতা। ভাই বলার সময় ভালো লাগছিল।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।