সালমান খান-শাহরুখ খান: ফিল্ম স্টার নন, ক্রিকেটার!

শাহরুখ খান ও সালমান খান- এ দুটি নাম শোনা মাত্রই আপনার ভাবনায় চলে আসবে বলিউডের দুজন প্রাণভোমরা। কিন্তু বলিউড মাতানো এই দুই তারকা নিশ্চয়ই এই নামগুলোর একমাত্র অধিকারী নন।

আসলে ভারতে শাহরুখ খান ও সালমান খান নামে দুজন তরুণ ক্রিকেটারও রয়েছেন যারা ঘরোয়া ক্রিকেটে দুটি ভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সমার্থক এই নামগুলো মাঠ এবং মাঠের বাইরে তাদের জীবনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

২০ বছর বয়সী সালমান ফারুক খান ওঠে এসেছেন রাজস্থানের ঝালাওয়ার থেকে। আর ২৪ বছর বয়সী মাসুদ শাহরুখ খানের জন্ম চেন্নাইয়ে। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে তামিলনাড়ুর হয়ে খেলে থাকেন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এই দুজন ক্রিকেটার কথা বলেছেন তাদের নামের নেপথ্যের গল্প, এখন পর্যন্ত চলমান ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং দুজন হিন্দি সিনেমার নায়ক দ্বারা বিখ্যাত হওয়া তাদের নামগুলো কিভাবে তাদের জীবনকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে সেসব সম্পর্কে।

  • যেভাবে নাম রাখা হয়

ক্রিকেটার শাহরুখ খান বলেন, ‘আমার খালা নায়ক শাহরুখ খানের একজন বড় ভক্ত এবং তিনি সবসময় আমার মাকে বলতেন যদি মা পুত্র সন্তানের জননী হোন তবে তার নাম যেন শাহরুখ খান রাখেন। খালা শাহরুখ খানের একজন অন্ধ ভক্ত।’

অন্যদিকে ভারতের হয়ে ২০১৬ ও ২০১৭ যুব এশিয়া কাপে  অংশ নেয়া সালমান খান জানান তাঁর বাবা ‘সালমান’ শব্দের অর্থটি খুব পছন্দ করতেন যা হলো ‘নিরাপদ’। সিদ্ধান্ত নেন নিজের পুত্রের নাম এই সালমান-ই রাখবেন।

তিনি বলেন, ‘আমার বাবা আমার নাম সালমান রেখেছেন কারণ তিনি এর অর্থ খুব পছন্দ করতেন। বলিউড তারকা সালমান খানের কারণে নয় বরং এ কারণেই তিনি আমার এই নামটি দিয়েছিলেন।’

  • রঞ্জি ট্রফিতে স্বপ্নের অভিষেক

শাহরুখ, সালমান উভয় নিচু সারির ব্যাটসম্যান যারা ডানহাতি অফব্রেক বলও করে থাকেন। ২০১৪ সালে তামিলনাড়ু দলে প্রথমবারের মত জায়গা করে নিলেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের জন্য শাহরুখকে অপেক্ষা করতে হয় চার বছর। অবশেষে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে চেন্নাইয়ে রঞ্জি ট্রফির একটি ম্যাচে কেরালার বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান ২৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার এবং সুযোগটা লুফে নেন দুহাত ভরে। প্রথম ইনিংসে তার হার না মানা ৯২ এবং দ্বিতীয় ইনিংসের ৩৪  কেরালার বিপক্ষে ১৫১ রানের জয় পেতে সাহায্য করে তামিলনাড়ুকে।

শাহরুখ বলেন, ‘যখন আমি দলে (তামিলনাড়ু)  প্রথমবারের মত সুযোগ পাই তখন আমার বয়স ১৯! এর চার বছর পর প্রথমবারের জন্য মাঠে নামার সুযোগ মেলে আমার। চিপকে খেলাটা সবসময় আমার স্বপ্ন ছিল। এ স্বপ্নটা দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছিলাম আমি এবং অবশেষে সেটা বাস্তবে রূপ নেয়। এটা আমার জন্য আবেগঘন মুহূর্ত ছিল। এটা ছিল আমার স্বপ্নের অভিষেক (কেরালার বিপক্ষে)। আমি বেশ ভালো রান করি এবং দলকে জেতাতে সাহায্য করি।’

২০ বছর বয়সী সালমানকে যদিও প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেকের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ২০১৬ সালের নভেম্বরে পাতিয়ালায় রঞ্জি ট্রফির এক ম্যাচে ওড়িশার বিপক্ষে মাত্র ১৭ বছর বয়সে অভিষেক ঘটে সালমানের। আর অভিষেকেই বাজিমাত করেন তিনি।

ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে  ২০৩ বলে খেলেন ১১০ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস যেখানে ছিল ১৫টি চারের মার। সম্প্রতি উইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটা দীপক চাহারেরও প্রথম শ্রেণীর অভিষেক হয়েছিল সেই ম্যাচে। ম্যাচটি ড্রয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয় এবং ম্যাচ সেরার পুরস্কার ওঠে সালমানের হাতে।

তিনি জানান, ‘আমি আট বছর বয়স থেকে খেলা শুরু করি। খেলার মাঠে কিছু পুরনো খেলোয়াড়দের আমি দেখতাম। তাদের উত্তেজনা, শক্তি পছন্দ করতাম এবং ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে নেয়ার পেছনে এগুলোই অনুপ্রাণিত করত আমাকে। ক্রিকেটের প্রতি আমার ভালবাসা দেখে মুগ্ধ হতেন আমার বাবা। একদিন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ক্রিকেট খেলবে নাকি?’ আমি হাসিমুখে তার প্রশ্নে ইতিবাচক সাড়া দিলাম। সেদিন থেকে তিনি আমাকে অনেক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন যেটা এখনও অব্যাহত রয়েছে।’

সালমান আরও যোগ করেন, ‘রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেকটা ছিল স্বপ্নের মত । প্রথম শ্রেণীর অভিষেকে শতক হাকানো ক্রিকেটারদের অভিজাত তালিকায় নাম লিখাতে সক্ষম হই আমি।’

যদি শাহরুখ ও সালমান তাদের বিখ্যাত মিতার সম্মুখীন হোন তবে কেমন সাড়া দিবেন? বলিউডের মেগা তারকা সালমান ও শাহরুখের সাথে দেখা হলে প্রতিক্রিয়া কেমন হবে জানতে চাইলে এ দুই ক্রিকেটারের কাছ থেকে আকর্ষণীয় জবাব পাওয়া যায়।

শাহরুখ বলেন, ‘আমি যদি তাঁর (বলিউডের শাহরুখ খান) সাথে দেখা করি তবে একটা হাসি দিব। নিশ্চিতভাবে প্রথমে আমি বেশ নার্ভাস বোধ করব। তবে আমি আরম্ভ করব না (কথোপকথন)। ‘আমার নাম শাহরুখ খান’ – কথাটা তাঁর মুখ থেকে শোনবার জন্য অপেক্ষা করব। তখন আমিও বলব, ‘আমার নামটিও শাহরুখ খান।’ আমি তার সেসময়ের প্রতিক্রিয়া দেখতে চাই। তবে আমি নিশ্চিত যে ততদিনে তিনি আমাকে চিনে ফেলবেন।’

এদিকে বলিউডের একজন সুপারস্টারের সাথে নিজের নাম ভাগ করে নেয়ার চেয়ে সালমান চান তার পরিচয়টি আলাদাভাবে তুলে ধরতে। তিনি বলেন, ‘আমি গর্বের সাথে বলব যে আমার নাম সালমান খান কারণ এটি আমার নাম এবং আমার মা-বাবা এ নামটি আমাকে দিয়েছেন। এটা তার কারণে হয় নি। তিনি যশস্বী ব্যক্তি হতে পারেন তবে আমিও একজন ক্রিকেটার।’

  • যারা তাঁদের অনুপ্রাণিত করেন

শাহরুখ যেখানে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে অনুকরণ করতে পছন্দ করেন সেখানে শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলিকে পছন্দ সালমানের।

ক্রিকেটার সালমান খান

শাহরুখ বলেন, ‘সামনের পায়ে এগিয়ে ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে পাঞ্চ শট খেলাটা আমার শক্তি। আমি স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে পুল শটও খেলে থাকি। আমি শুধু স্থির থাকি এবং পরিস্থিতি ঠাহর করি। আমার কাছে ম্যাচের পরিস্থিতি ঠাহর করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি প্রতিপক্ষের শরীরী ভাষা প্রত্যক্ষ করি এবং সে অনুযায়ী খেলার পরিকল্পনা সাজাই। আমি ডানহাতি ব্যাটসম্যান। আমি সবসময় ইনজামাম উল হককে দেখি। তার ভিডিওগুলো দেখে কিভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরানো যায় তা শিখি। বর্তমানে কেন উইলিয়ামসনকে খুব পছন্দ আমার।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার ক্যারিয়ার সবে শুরু হয়েছে। আমি একটি একটি ম্যাচ করে এগুতে চাই। ক্যারিয়ারে উচু পর্যায়ে পৌঁছতে এটাই আমার মন্ত্র।’

সালমানের কাছে অবশ্য ধৈর্য্যই হচ্ছে সাফল্যের চাবিকাঠি। তার ভাষায়, আমি সাধারণত ৬ কিংবা ৭ নাম্বারে ব্যাটিং করতে নামি যদিও আমি একজন পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান। শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলি আমার অনুপ্রেরণা। আমি তাদের মত হতে চাই। আমি দলের সম্পদে পরিণত হতে চাই হোক সেটা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কিংবা টেস্টে।’

২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কায় ও ২০১৭ সালে মালয়েশিয়ায় যুব এশিয়া কাপের টানা দুই আসরে ভারতের অন্যতম সদস্য ছিলেন সালমান। তিনি বলেন, ‘২০১৬ ও ২০১৭ যুব এশিয়া কাপে আমি দলের সাথে ছিলাম। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে সফর করা দলেও আমি ছিলাম। এ পর্যায়ে আসার জন্য ঈশ্বরের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এখন আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য কোন একদিন জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করা।’

যুব দলে খেলার সময় তৎকালীন কোচ এবং ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়ের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সালমান। তিনি বলেন, ‘তাঁর (রাহুল দ্রাবিড়) কাছ থেকে সবচেয়ে সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ যা শিখি সেটা হলো শৃঙ্খলা। আমি তাঁর পরামর্শগুলো আমার জীবনে প্রয়োগ করেছি এবং সেগুলো আমাকে শালীন ক্রিকেটার হিসেবে বিকশিত হতে সহায়তা করেছে। ওয়ানডেতে সিঙ্গেল বের করা এবং স্ট্রাইক রোটেটের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি আমার সাথে কথা বলতেন। যেহেতু আমি ৬ বা ৭ নাম্বারে ব্যাটিং করি সেহেতু সব ধরনের শট খেলতে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিতেন তিনি। মনোঃসংযোগ থেকে শুরু করে খেলার পরিকল্পনা পর্যন্ত সবকিছু শিখিয়েছেন আমাকে। ম্যাচের পর তিনি আমার কাছে আসতেন, ভুলগুলো সম্পর্কে কথা বলতেন এবং টেকনিক্যাল কোন সমস্যা থাকলে সেগুলো শুধরে দিয়ে সাহায্য করতেন।’

  • শাহরুখ সালমানের ভক্ত! সালমান ভক্ত শাহরুখের!

বিখ্যাত কোন যশস্বী ব্যক্তির নামের সাথে যদি আপনার নাম মিলে যায় তাহলে তার প্রতি আপনার পছন্দ বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারতের দুই তরুণ ক্রিকেটার সালমান ও শাহরুখের ক্ষেত্রে এই সূত্রটি খাটে না। সালমান যেখানে শাহরুখের ভক্ত সেখানে হিন্দি সিনেমায় শাহরুখের পছন্দ সালমান।

শাহরুখ জানান, ‘আমি সালমান খানকে পছন্দ করি। তাঁর সুঠাম শরীর আমার পছন্দ। তিনিই তো ভাইজান। আমি শাহরুখের অতো বড় ভক্ত নই। সকল খানদের মধ্যে সালমানই আমার সবচেয়ে পছন্দের।’

ওদিকে ক্রিকেটার সালমান বলেন, ‘আমি তার (সালমান খান) সিনেমা দেখি তবে আমি শাহরুখ খানকে ভীষণ পছন্দ করি। আমি সালমানের চেয়ে শাহরুখকেই এগিয়ে রাখব।’

ক্রিকেটার শাহরুখ খান

চিরস্থায়ী প্রশ্ন, ‘তোমার নাম কি সত্যিই শাহরুখ খান?’ বারবার এটা শোনাটা একটু বিব্রতকর। বিরক্তিকরও বটে। তবে, নিজের নাম থেকে অব্যাহতির কোন সুযোগ নেই। আর যখন আপনার নাম কোন জনপ্রিয় ব্যক্তির নামের সাথে মিলে যায় তখন প্রায় প্রতিদিনই আকর্ষণীয় সব ঘটনা ঘটবে। এটা শাহরুখ, সালমান উভয়ের ক্ষেত্রেই সত্য।

তামিলনাড়ুর ক্রিকেটার শাহরুখ বলেন, ‘একবার বিমানবন্দর স্টাফের একজন সদস্য আমার আইডি প্রুভ চেক করেন। তিনি আমার নাম পড়ে আমার উপর থেকে নিচ পর্যন্ত তাকিয়ে দেখে বললেন, ‘তুমি শাহরুখ খান?’ সাথে সাথে তিনি অন্যান্য কর্মকর্তাদের ডাকতে শুরু করেন এবং সবার সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন এই বলে, ‘এই ছেলেটির নাম শাহরুখ খান।’ এরকম ঘটনা আমার জীবনে বহুবার ঘটেছে। সত্যি বলতে প্রথমদিকে এই ঘটনাগুলো আমার কাছে বিব্রতকর লাগত কিন্তু এখন আমি এসবে পুরোপুরি অভ্যস্ত (হাসি)। আমি যখন ব্যাট হাতে মাঠে নামতাম কিংবা সাজঘরে ফিরে যেতাম তখন গ্যালারিতে মানুষজন এসআরকে এসআরকে বলে চিৎকার করত। আমার বন্ধুরাও আমার সাথে এসব নিয়ে ঠাট্টা করত। তবে আমি এখন অভ্যস্ত।’

এ প্রসঙ্গে রাজস্থানের ক্রিকেটার সালমান তার পুরনো স্মৃতিতে ফিরে যান, ‘আমি তখন যুব এশিয়া কাপে অংশ নিতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছিলাম। বিমানবন্দরে কর্মকর্তারা আমার বোর্ডিং পাস চেক করছিলেন। তারা জিজ্ঞাসা করেন, ‘তুমি কি সালমান খান?’ তারা বেশ জোরেশোরে প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং এটি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তখন লোকজন আমার দিকে তাকাতে শুরু করে এবং ‘হাই সালমান’….. ‘হাই সালমান’ বলতে থাকে।’

তিনি যোগ করেন, ‘প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশের পর থেকে যখনই আমার নামটি ম্যাচসেরার পুরষ্কার বা অন্য কোন কারণে ডাকা হয়, স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা প্রচুর উল্লাস করেন। এর একমাত্র  কারণ আমার নাম। সালমান খানের মত আমিও একটি সুন্দর দেহকাঠামোর অধিকারী। তাই আমার নামটি ন্যায়সঙ্গত হিসেবে বিচার করতেই পারি (হাসি)।’

  • আগামীর স্বপ্ন

শুধু যে স্বীকৃত ব্যাটসম্যান ও অফ স্পিনার হিসেবে শাহরুখ, সালমান উভয়ের মধ্যে মিল রয়েছে তা নয়। মিল রয়েছে দুজনের লক্ষ্যেও। সে লক্ষ্য বাইশ গজে কীর্তি গড়ে সকলের নিকট পরিচিত হওয়া।

সালমান বলেন, ‘আমি একজন ক্রিকেটার। আমি রাজস্থানের হয়ে খেলি। সেইসাথে ভারত যুব দলের প্রতিনিধিত্বও আমি করেছি। আমি তরুণ এবং আমার আত্মবিশ্বাস আছে যেকোন  দিন আমি ভারত জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করব। আমি ক্রিকেটার সালমান খান হিসেবে পরিচিতি পেতে চাই। বলিউড তারকা সালমান খানের সাথে নিজের নাম ভাগ করে নেয়ার মাধ্যমে পরিচিত হতে চাই না আমি।’

শাহরুখের কন্ঠেও মেলে একই সুর, ‘খালার কারণে আমার নাম শাহরুখ রাখা হয়েছিল। কিন্তু আমি  পরিচিত হতে চাই ক্রিকেটার শাহরুখ খান হিসেবে।’

– টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।