আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ: একজন আলোর ফেরিওয়ালা

‘আমি জাতে শিক্ষক। সামনে জ্যান্ত মানুষ নিয়ে আমার কারবার। অন্ধকারের সঙ্গে কথা আমার আসে না’

কথাগুলি মিষ্টি কথার জাদুকর, লক্ষ-কোটি শিক্ষার্থীর প্রাণের স্পন্দন, কিংবদন্তীতুল্য শিক্ষক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের। ক্ষুদ্র দেশে বিশাল চিত্তের এক বহুমাত্রিক ও নন্দিত ব্যক্তিত্ব তিনি। উপস্থাপক, সংগঠক, লেখক, বক্তা, গবেষক, সাহিত্য সমালোচক, সম্পাদক, সর্বোপরি শিক্ষক, কত অভিধায় তাকে অভিহিত করা যায়।

শিক্ষকতার মর্মমূল স্পর্শ করে যে সব মহৎ হৃদয় শিক্ষকতাকে তাদের জীবনের সুমহান ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন তন্মধ্যে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্ভবত আমাদের বাংলায় সবচেয়ে সেরাদের একজন। দেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা জীবন উপভোগ করেছেন দারুণভাবে।

এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছেলেবেলায়, স্কুল থেকে কলেজে উঠে, অর্থনীতির বইয়ে পড়েছিলাম কেন একজন শিল্পপতি, কন্ট্রাক্টর বা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীর চেয়ে একজন শিক্ষকের বেতন কম৷ যুক্তি হিসেবে সেখানে বলা ছিল একজন শিক্ষকের জীবন কাটে মার্জিত, পরিশীলিত পরিবেশে, বৈদগ্ধময় ব্যক্তিদের সাহচর্যে, উচ্চতর জীবনচর্চার অবকাশময় আনন্দে৷ জীবনের সেই মর্যাদা, তৃপ্তি বা শান্তি ঐ ব্যবসায়ী বা নির্বাহীর জীবনে নেই৷ এই বাড়তি প্রাপ্তির মূল্য দিতে শিক্ষকের আয় তাদের তুলনায় হয় কম৷ ঢাকা কলেজের শিক্ষকতায় ঐ তৃপ্তি আমার এত অপরিমেয় হয়েছিল যে কেবল বেতন কম হওয়া নয়, আমার জন্য হয়ত বেতন না-থাকাই উচিত হত৷ এই পাওয়া যে কতটা তা বুঝেছিলাম কিছুদিনের জন্য অন্য কলেজে গিয়ে৷’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে প্রস্তাব পেয়েছিলেন শিক্ষকতা করার। কিন্তু তাঁর প্রাণের স্পন্দন ঢাকা কলেজ ছেড়ে যেতে পারেন নি। শিক্ষকতা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় ভালোবাসার কারণে তাই তার পক্ষে ঢাকা কলেজ ছেড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করা সম্ভব হয় নি।

তাঁর মতে, ‘বাংলা বিভাগে যোগদান করাটা আমার কাছে সবচেয়ে ভালো ছাত্রদের ছেড়ে সবচেয়ে খারাপ ছাত্রদের পড়াতে যাওয়ার মত মনে হয়েছে৷’ সকল শিক্ষার্থীর মনের গভীরে প্রবেশ করে তাদের দুর্বলতা আবিষ্কারের নেশায় কাটিয়ে দিয়েছেন কয়েক দশক। তিনি তাঁর রাজ্যে দারুণভাবে সফল হয়েছিলেন।

তিনি বিশ্বাস করতেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা এমনিতেই সহজে সবকিছু বুঝতে পারে, শিক্ষকদের থেকে গ্রহণ করতে পারে, বাকী থাকে শুধু দুর্বলদেরকে সবল করার কাজ। তারা ক্লাস লেকচার বুঝতে সক্ষম হলে পুরো ক্লাসের সবাই বুঝবে। রোল কল করা নিয়ে তাঁর মাথাব্যথা ছিল না তেমন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক খোন্দকার আশরাফ হোসেন স্যারকেও দেখতাম রোল কল করার ক্ষেত্রে দারুণ উদাসীন ছিলেন।

মনে হয়, সময় অপচয় রোধ করতে কিংবা শিক্ষার্থীদের মাঝে অহেতুক ভীতি সঞ্চার থেকে মুক্তিদানের জন্য এমনটি করতেন। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ক্লাসে শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থেকেছে এমন প্রমাণ পাওয়া মুশকিল। সব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি একজন আদর্শ।

সহকর্মী হিসেবে ঢাকা কলেজে পেয়েছিলেন দুইজন নান্দনিক সাহিত্যিক ও প্রথিতযশা শিক্ষক শওকত ওসমান ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে। শওকত ওসমান যখন ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান তখন তিনি সেখানে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ঢাকা কলেজের তদানীন্তন অধ্যক্ষ জালালউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রনে তিনি সেখানে যোগদান করেন। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ঢাকা কলেজেই তাঁর শিক্ষকতা জীবনের স্বর্ণযুগ অতিবাহিত করেন। কারণ সে সময় ঢাকা কলেজ ছিল দেশসেরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা। শত প্রাণের উচ্ছ্বাসে তখন মুগ্ধ থাকতো ঢাকা কলেজ।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বিশ্বাস করেন, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। তিনি স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখান। আসলে মানুষ প্রথমে স্বপ্ন দেখে, অতঃপর এর বাস্তবায়নে নিজেকে করে ব্যাপৃত। স্বপ্ন মানুষকে জীবনের সফলতার পথ বাতলে দেয়। স্বপ্নই পারে মানুষকে সার্থক ও সমুন্নত করতে।

আবু সায়ীদ মনে করেন, ‘আলোকিত মানুষ বলে কিছু নেই, ওটা একটা স্বপ্নের নাম, আমরা শুধু আলোকিত হবার চেষ্টা করতে পারি, আর চেষ্টা করাটাই হওয়া।’ তিনি আজীবন চেষ্টা চালিয়েছেন জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে সমাজের বুকে। ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’ তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ আবিষ্কার।

‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানকে বুকে নিয়ে ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চার দশকের বেশি সময় ধরে সারা দেশে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বইপড়া কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০ লক্ষ শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির সদস্য। বিশাল বটবৃক্ষ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দেশের মোট ৫৪ টি জেলায় ৫০০ শাখা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর কর্মকান্ড বিস্তৃত করেছে এবং এর সাথে যুক্ত আছেন নিবেদিতপ্রাণ বহু স্বেচ্ছাসেবী কর্মী।

বাংলাদেশে পাঠাগারের অপ্রতুলতা অনুধাবন করে ১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম আরম্ভ করে। সারাদেশ ব্যাপী ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি কার্যক্রমের জন্য ৫৬ টি ভ্রাম্যমাণ গাড়ি আছে। এ স্বপ্ন পূরণের জন্য তাকে কত পরিশ্রম ও সাধনা করতে হয়েছে। তিনি আগে স্বপ্ন দেখেছেন, অতঃপর তাঁর মেধা, শ্রম, সাধনা ও অধ্যবসায় দিয়ে জয় করেছেন সকল প্রতিবন্ধকতা।

এক্ষেত্রে বিজ্ঞানী ও ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের উক্তিটি প্রণিধানযোগ্য, ‘তুমি তোমার স্বপ্ন পূরণের শেষ সীমা অবধি স্বপ্ন দেখো, জেগে তুমি যা দেখও সেটা স্বপ্ন নয়। স্বপ্ন সেটাই যা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না।’

কলম হাতে তিনি যেন একজন যোদ্ধা, কলম যোদ্ধা। সম্পূর্ণ নিজস্ব একটা সাহিত্য জগৎ সৃষ্টি করেন তিনি। চলনে, মননে, চিন্তনে, লেখনে তিনি এক স্বতন্ত্র সত্তা। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবোধের পরিচায়ক এই গুণী ব্যক্তিটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা একজন লেখক। তাঁর সৃজনশীলতার মাঝে এক সীমাহীন নান্দনিকতা কাজ করে।

প্রবন্ধকার আব্দুশ শাকুরের ভাষায়, ‘বহু গুণের মধ্যে যে গুণটি তাঁকে সর্ব অঙ্গনেই অনন্যতা দান করে সেটা সায়ীদের হিরণবরন সৃজনশীলতা যা সর্বদাই সক্রিয় এবং সর্বথা। সমানে সৃজনশীল তিনি কথাশিল্পে কথনশিল্পে কাব্যশিল্পে রচনাশিল্পে এমনকি সংগঠনশিল্পেও – বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র যার মূর্ত দৃষ্টান্ত। বৈঠকী বিনোদন থেকে গুরু বিচরণ – প্রতিভা তাঁর সর্বত্রই দ্যুতিময়।’

‘সংগঠন ও বাঙালি’ গ্রন্থটি তাঁর দুর্লভ সৃষ্টি। বাঙালি জাতির সাংগঠনিক প্রতিভা, সাংগঠনিক জ্ঞান, জাতি হিসেবে তার দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতার রূপরেখা এই গ্রন্থটি। ‘ভালোবাসার সাম্পান’ গ্রন্থটি ষাটের দশকে নৈরাজ্যবিক্ষুব্ধ উত্তাল বাংলাদেশে গড়ে ওঠা ব্যতিক্রমধর্মী সাহিত্য আন্দোলনের এক রূপরেখা। যে আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। “কন্ঠস্বর” ছিল তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকা।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, রফিক আজাদদের মতো বাঘাবাঘা সাহিত্যিক যেখানে লিখতেন। “নিষ্ফলা মাঠের কৃষক” তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। অত্যন্ত নান্দনিক ভাষাশৈলীর এক উত্তম বহিঃপ্রকাশ এই বইটি। এখানে তিনি তাঁর শিক্ষা জীবন, শিক্ষার পরিবেশ, অবস্থা ও সর্বোপরি তাঁর শিক্ষকদের নিয়ে লিখেছেন অত্যন্ত দারুণ ঢংয়ে। তাঁর শৈশবের অনেক মজার ঘটনা রয়েছে গ্রন্থটিতে। এ গ্রন্থটি শিক্ষকদের জন্য অবশ্যপাঠ্য।

তাঁর ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আমি’ গ্রন্থটি অসাধারণ সব তথ্য ও অভিজ্ঞতায় পুষ্ট। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকের প্রতিবন্ধকতা, সমস্যা কিংবা কষ্টের অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বইটিতে। এ যেন এক সংশপ্তকের টিকে থাকার আলেখ্য। ‘ভাঙো দুর্দশার চক্র’, ‘আমার বোকা শৈশব’, ‘ওড়াউড়ির দিনগুলি’, ‘আমার উপস্থাপক জীবন’, ‘রসস্ট্রাম থেকে’, ‘স্বপ্নের সমান বড়’, ‘বিস্রস্ত জার্নাল, ‘নদী ও চাষীর গল্প’ প্রভৃতি তাঁর অপূর্ব সৃষ্টি।

সার্থক মানুষেরা ফলবান বৃক্ষের মতো অবনত। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সাহিত্যের অনেক শাখায় পদচারণা করেছেন বীরদর্পে, লিখেছেন প্রচুর। তবুও অতৃপ্তির বেদনা তাকে যেন কুরে কুরে খায়। তাঁর ভাষায়, ‘লিখতে চেয়েছিলাম। লিখতে পারিনি। মনে হয় লেখক হয়েই জন্মেছিলাম। সেটা পূর্ণ করতে পারলাম না। এখনো আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কোটি কোটি জীবন্ত শব্দের গনগনানি। ইদানীং কিছু কিছু লিখছি। যদি আরও কিছুদিন বেঁচে যাই, তাহলে হয়তো কিছু লিখতে চেষ্টা করব।’

শিক্ষকতা, উপস্থাপনা, সম্পাদনা কিংবা সাংগঠনিক কাজের ফাঁকে ফাঁকে একজন নিভৃত সাধকের মতো তিনি লিখে চলেছেন অনবরত। কলম হাতে তিনি যেমন সার্থক হয়েছেন, সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা সাহিত্যকে, তেমনিভাবে মোটা দাগে বলা যায়, মনোমুগ্ধকর বক্তা হিসেবে আমাদের বাংলায় তার জুড়ি মেলা ভার।

হানিফ সংকেত, আনিসুল হক ও অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ যেন আমাদের তিন সেরা উপস্থাপক। কি অসাধারণ শব্দশৈলী, বাচনভঙ্গি ও কথার জাদুময়তা খেলা করে তাদের ওষ্ঠে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেওয়া আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বক্তৃতাগুলি এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কাছে এক দারুণ চমক। তাঁর অকৃত্রিম হাসির বানে যেন ভেসে যায় অতৃপ্ত আত্মার গ্লানি। সব ধরনের শ্রোতার কাছে তিনি একজন আরাধ্য ও অনুসরণীয়।

মনের কথাগুলি সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। যারা তাঁর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারে না, তারা ইউটিউবে তাঁর বক্তৃতা শোনে ও নিজেদেরকে সত্যিকারভাবে আলোকিত করার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিনোদন এবং শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় তিনি অন্যতম একজন পুরোধা। তাঁর বাকচাতুর্য রীতিমতো মুগ্ধ করে সকল শ্রোতাকে এবং অনুষ্ঠানের মর্মমূলে সদা গ্রোথিত করে।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিবেচনায় গত শতাব্দীর সেরা দশ সৃজনশীল বই- জসীমউদ্দীনের সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪); আবুল মনসুর আহমদের ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪); ফররুখ আহমদের সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪); সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লাল সালু (১৯৪৮); অদ্বৈত মল্লবর্মনের তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৫১); সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে (১৯৪৯); শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২); মুনীর চৌধুরীর কবর (১৯৬৬), আল মাহমুদের সোনালী কাবিন (১৯৭৩); আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা (১৯৯৬)। সচেতন পাঠকেরা পড়তে পারেন বইগুলি।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সমাজকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করতে হাতে আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। এ দেশে লাখো লাখো পাঠক তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এবং তাঁর স্বপ্নের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র। সকল শ্রেণির মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি।

পেয়েছেন দেশ বিদেশের অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। তাঁর একটি দার্শনিক ভাষ্য দিয়ে শেষ করতে চাই, ‘আসলে জীবন ছোট নয়, আমাদর সুখের মুহূর্তগুলো ছোট। তাছাড়া জীবন ছোট মনে হওয়ার কারণ হচ্ছে স্মৃতির অভাব। আমরা কখনও বর্তমানে থাকি না। হয় থাকি ভবিষ্যতে, না হয় অতীতে। আমরা পাওয়াকে ভুলে যাই বলেই মনে হয় কিছুই পাই নাই।’

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।