সালমান খান ভক্ত চেনার ১২ টি সহজ উপায়

বলিউডে খানদের ভক্তরা বরাবরই লয়্যাল। কখনো কখনো তাদের লয়্যালিটিটা বাকিদের জন্য বিরক্তিরও উদ্যেক ঘটায়। তবে, এদের মধ্যে বাকি সবার চেয়ে আলাদা সালমান খানের ভক্তরা। তাঁরা যেমন ঠোঁটকাটা তেমনি ভাইজানের ব্যাপারে বেশ কট্টরপন্থী।

এমন সালমান ভক্তদের অনেকের মাঝ থেকে চিনে ফেলা কোনো কঠিন কিছু নয়। তেমনই কয়েকটা উপায়ের কথা বলছি এবার। আপনার আশেপাশে কোনো সালমান ভক্ত আছেন কি না – সহজেই বুঝে ফেলতে পারবেন এসব কৌশলে।

১.

তাঁদের কাছে সালমান খানের ছবি মুক্তির দিনের চেয়ে বড় কোনো উৎসব আর নেই। আক্ষরিক অর্থেই দিনটাকে তাঁরা উৎসবের মত উদযাপন করে থাকেন।

২.

তাঁদের মতে একগাদা অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী ‘সিটিজেন কেন’-এর চেয়েও ভাল ছবি হল ‘দাবাঙ’।

৩.

সিনেমার কোনো দৃশ্যে যখনই সালমান খান যখনই শার্ট খুলে ফেলেন, তখনই সালমান ভক্তরা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকেন। কারো কারো হার্টবিটও বেড়ে যায়। এই দৃশ্য বহুল ব্যবহৃত হলেও সালমান ভক্তদের কাছে কখনোই পুরনো হবে না।

৪.

তাঁরা বিবেক ওবেরয়কে একদম দেখতে পারেন না। বরাবরই তারা বিবেকের সব ছবি বয়কট করে থাকেন।

৫.

তাঁরা মনে করেন, সালমানের একেকটা ঘুষি খলনায়কদের শুধু ঘায়েলই করে না, রীতিমত তাদের পৃথিবীর বাইরে মহাশূণ্যে পাঠিয়ে দেয়।

৬.

সালমান ভক্তরা ‘বিগ বস’ নামের বিরক্তিকর রিয়েলিটি শো’র মুগ্ধ দর্শক। কারণ, এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বয়ং সালমান খান।

৭.

প্রকৃত সালমান ভক্তদের কমপক্ষে দু’টি করে ‘বিয়িঙ হিউম্যান’ লেখা টি-শার্ট আছে।

৮.

তাদের মতে সালমান খানের হেয়ারস্টাইল নকল করা বাধ্যতামূলক একটা ব্যাপার। নিজেদের সালমান-ভক্ত প্রমাণের জন্য তারা সালমানের নাচের স্টেপও অনুকরণ করে থাকেন।

৯.

স্বাভাবিক থেকে মুহূর্তের মধ্যে তাঁরা পাগল হয়ে যান। কখন এমন হয় জানেন? যখন কোনে পার্টিতে সালমান খানে গান বাজানো হয়!

১০.

সালমান-ভক্তরা সোহেল খান ও আরবাজ খানের বস্তাপঁচা সিনেমাও বিনাবাক্য ব্যয়ে হাসিমুখে সহ্য করে ফেলেন। ভাইজানের ‘পরিবার’ বলে কথা! এমনকি সালমান খান ফিল্মস প্রোডাকশন হাউজ থেকে আসা

১১.

আগে তাদের প্রিয় কোমল পানীয় ছিল মাউন্টেন ডিউ। আর এখন থাম্বস আপ।

১২.

তাঁরা সালমানের সব সংলাপ মুখস্ত বলতে পারেন। বাস্তব জীবনেও তারা বরাবরই সেসব সংলাপের প্রয়োগ ঘটান।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।