নব্বই দশকের ‘আজব’ বলিউড

নব্বই দশকের বলিউডকে বলা হয় রোম্যান্সের যুগ, থ্রিল আর অ্যাকশনের মিলনমেলা। সেই সময় থেকে এখন বলিউড অনেক এগিয়েছে, পরিণতও হয়েছে। এখন হুট করে পেছন ফিরে তাকালে সেই সময়টাকে খুব ‘আজব’ বলে মনে হয়। সেই সময়ের ফ্যাশন, পোশাক-আকাশ কিংবা সিনেমার দৃশ্য – অবাক হওয়ার মত অনেক কিছুই ছিল।

  • নায়কের পৌরষত্ব

ওই সময়ে নায়কের পৌরষত্ব বোঝার একক ছিল বুকের পশম। এখন হঠাৎ করে তাই ওই সময়ের ছবি দেখলে অদ্ভুত লাগতে পারে! ওই সময়ে অক্ষয় কুমার, সানি দেওল কিংবা অনিল কাপুরদের ছবিগুলো দেখলে বিষয়টা বুঝতে পারবেন।

  • মাউথ অরগান

মাউথ অর্গান বাজানো যেন কর্তব্যের মত ছিল। রোম্যান্টিক ছবি হবে, আর তাতে নায়ক মাউথ অর্গান বাজাবেন না, তা কি করে হয়!

  • পত্রমিতালী

রোম্যান্টিক ছবিতে চিঠি লেখা ছিল খুবই জরুরী একটা ব্যাপার। বিশেষ করে তখন যেহেতু আজকের মত মোবাইল-ইন্টারনেট ছিল না, তাই প্রেমের আদান প্রদান করতে লম্বা লম্বা চিঠি লিখতেন নায়ক-নায়িকারা।

  • গানের কোরিওগ্রাফি

যখন কোনো নায়ক-নায়িকা নাচতেন, কি করে যেন তাদের আশেপাশের সবাই ও নাচানাচি শুরু করে দিতেন, তাও একদম তাল মিলিয়ে। আর তারা দ্রুত সময়ে জায়গা ও পোশাক পরিবর্তন একই ভাবে নেচে যাওয়ার দুর্লভ ক্ষমতার অধিকারী।

  • সরিষার খেত

সিনেমার শ্যুটিং যেখানেই হোক না কেন, নায়ক নায়িকার মিলন হত সরিষার খেতেই। বিশেষ করে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র পর এই দৃশ্যটার খুব চল হয়।

  • পিয়ানো

কষ্টের কোনো গানে পিয়ানো থাকতো। বিশেষ করে নায়ক হঠাৎ করে নায়িকা আছে এমন কোনো পার্টিতে হাজির হয়ে পিয়ানো বাজিয়ে নিজের কষ্টের কথা শোনাতেন। ওই আমলে পার্টিতে কি ডিজে, খাওয়াদাওয়া – এসব হত না নাকি?

  • বিদঘুটে রঙের স্যুট

অভিনেতা উজ্জ্বল রঙের স্যুট পরতেন। যেমন, উজ্জ্বল কমলা, হলুদ কিংবা আকাশি।

– আরভিসিজে.কম অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।