আর ফিরবেন না, কিংবা হয়তো ফিরবেন

২০০৬ সালে সম্ভবত মাশরাফি বিন মুর্তজার সাথে আমার পরিচয় হয়েছিলো।

ফটোসাংবাদিক সামসুল হক টেংকু পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন মানজারুল ইসলাম রানা ও মাশরাফির সাথে। তারপর থেকে এই মাশরাফির সাথে কতো শত আড্ডা, রাত জেগে গল্প করা।

২০১৩ সালে আরেকটা ইনজুরিতে শেষ হয়ে যাচ্ছিলো তার ক্যারিয়ার। সেই সময় তাকে রাজী করালাম-একটা বই লিখবো।

অনেকেই নানা ফোরামে আলোচনা করেছেন, ধরে নিয়েছেন; মাশরাফির অধিনায়ক হিসেবে সাফল্য দেখে এই বই লেখা। আসলে বইটা প্রকাশ হয় ২০১৫ সালে তার ওই কিংবদন্তী হয়ে ওঠার সময়ে। এর আগে দুই বছর ধরে দফায় দফায় তার সাক্ষাতকার নিয়েছি, তার বাড়ি-বাসায় ছোটাছুটি করেছি।

রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর আমার তরফেই যোগাযোগটা কমিয়ে দিয়েছিলাম।২০১৪ সালে রিপোর্ট করেছিলাম, মাশরাফিই তাহলে অধিনায়ক হচ্ছেন?

সে বছরই অধিনায়ক হিসেবে তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন কাভার করেছিলাম। ২০২০ সালে এসে অধিনায়ক হিসেবে তার শেষ সংবাদ সম্মেলন কাভার করলাম।

মাশরাফির একটা অধ্যায় শেষ হলো। হয়তো খেলোয়াড় মাশরাফিও আর ফিরবেন না; কিংবা হয়তো ফিরবেন।

একটু কী বুকের মধ্যে হাহাকার লাগছে? কোথাও কী একটা শূন্যতা?

কে জানে, মাশরাফির চেয়ে বড় বোলার হয়তো আমরা আগামীকালই পেয়ে যাবো। কিন্তু একজন মাশরাফির মতো চিন্তাশীল, দুরদৃষ্টি ও প্রেরণাদায়ী মানুষ কী আমরা আর পাবো!

ভবিষ্যতের জন্য তোলা রইলো সব প্রশ্ন।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।