ইতিহাসের বইয়ে এদের অস্তিত্ব নেই!

সময় চলে যায়, রয়ে যায় তাঁর স্মৃতি। সেসব আমরা বইপত্র পড়ে জানি। তবে, ইতিহাসের বইয়ের পাতায় কিন্তু সকল স্মৃতিকে ধারণ করে রাখে না। এমন কিছু অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক বিস্ময়, ঘটনা কিংবা ছবি আছে, যার অস্তিত্ব ইতিহাসের পাতায় নেই। সেসব নিয়েই আমাদের এই আয়োজন।

১.

শিশুটি বাবার গাড়ি চুরি করে মনের আনন্দে ঘুরতে বের হয়েছে। পথে যেতে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। সামনে কি আছে, সেসব না ভেবেই সে একটা সিগারেট ধরিয়ে ফেলেছে।

২.

স্বনামধন্য বলিউড তারকা ব্র্যাডপিটকে কে না জানে। ১৯৯৯ সালে রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের ফটোশ্যুটে অংশ নেন তিনি। শরীরে ছিল এমন ভুতুড়ে পোশাক। আচ্ছা, এই জামাটা কি নারীদের নয়?

৩.

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিপুল জনগোষ্ঠীর সাথে অনেক পশুও মারা যায়। সেসময় সেই পশুদের প্রতি সম্মান জানাতে একত্র হয়েছিলেন ৬৫০ জন আর্মি কর্মকর্তা। ছবিটি ভাল করে দেখুন, দেখবেন  একটা ঘোড়ার মাথার আদলে তাঁরা দাঁড়িয়েছেনভ

৪.

সিয়াটলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এমন একটা নকল শহর বানানো হয়। আসলে বোয়িং বিমানের কারখানাকে আড়াল করে নাৎজি বাহিনীকে ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এটা করা হয়। বুদ্ধিটা খারাপ নয়, বিমানের ককপিট থেকে জায়গাটা ভাল করে বোঝা সম্ভব নয়।

৫.

‘জায়ান্ট’  সিনেমার সেটে অনিন্দ সুন্দর হলিউড তারকা এলিজাবেথ টেলর। হলিউডে তাঁর মত অভিনেত্রী আর কমই এসেছেন। অসংখ্য পুরুষের রাতের ঘুম হারাম করেছেন তিনি। তাঁর বিখ্যাত এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালে।

৬.

এটাই কি পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীন সেলফি? ছবিটি ১৯২০ সালে তোলা হয়। এখন যারা খুব ট্রেন্ডি সেলফি তুলেন, তাঁরা দেখে বোকা বনে যেতে পারেন।

৭.

১৯৫৯ সালের কথা। সেই সময় ইতালির শিশুরা এভাবেই স্কুলে যেত। কোথায় হারালো সেই শৈশব?

৮.

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। বোমা হামলার ভয়। তবুও তো জীবন চালিয়ে যেতে হবে। ঘুমানোর জন্য তাই এমনই একটা খাঁচা ব্যবহার করতো সাধারণ মানুষ।

৯.

এমন প্রেমিক-প্রেমিকা যুগলকে তো প্রতিটি যুগেই পাওয়া যায়। এমন ভালবাসা বেঁচে থাকুক চিরকাল।

১০.

তিনি হলেন আলবিনা মালি-হোকেভার। যুগোস্লাভিয়ার এই নারী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণাঙ্গনে ছিলেন, যুদ্ধ করেছিলেন। বেশ কয়েকবার আহতও হতে হয় তাঁকে।

১১.


অনেকে মনে করেন এটা সত্যিকার অর্থেই সাবেক আমেরিকান রাষ্ট্রপতি জে এফ কেনেডি  হত্যাকাণ্ডের ছবি। আসলে তা নয়। এটা আসলে একটা সিনেমার দৃশ্য, এতটাই নিখুঁত যে হার মানায় বাস্তবতাকেও। ১৯৭৭ সালে ‘ট্রায়াল অব লি হার্ভে ওসওয়াল্ড’ নামের সিনেমাটি মুক্তি পায়।

– ব্রাইট সাইড অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।