অন্ধকার পথে হাঁটা ওরা ক’জন

মাদকাসক্তি এমন এক মরণফাঁদ যাতে যে কেউই পা দিতে পারেন। এর কালো গ্রাস থেকে বলিউড তারকারাও রেহাই পাননি। হলিউড তারকারা যেমন খুব খোলামেলা ভাবেই নিজেদের মাদকাসক্তির অতিত নিয়ে কথা বলেন, বলিউড সেলেবরা এখনো ততটা মুক্তমনা হতে পারেননি। তাই, তাদের গল্পটা অনেকেরই অজানা। চলুন সেই অজানা গল্পগুলো শোনা যাক।

  • রণবীর কাপুর

রণবীর কাপুর নিজেই এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছিলেন যে তাঁর মারিজুয়ানার নেশা ছিল। সেটা শুরু করেছিলেন স্কুলে থাকতে। ছেড়েও দিয়েছিলেন। ‘রকস্টার’ সিনেমার শ্যুটিং চলাকালে সেই ইস্যুতে কথা বলেছিলেন। সর্বশেষ ‘সাঞ্জু’ সিনেমাতেও সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে তাঁকে নেশাগ্রস্ত হতে দেখা যায়।

  • ফারদিন খান

বলিউডে পারিবারিক পরিচয়ে ঠাঁই পাওয়ার পরও কখনোই খুব বেশি সফল হতে পারেননি ফারদিন খান। কখনোই কোনো সিনেমার পারফরম্যান্সের সুবাদে খবরের শিরোনামহননি। তবে, শিরোনাম হয়েছিলেন নিজের কাছে অবৈধ ড্রাগ রাখার কারণে। মুম্বাইয়ের জুহু থেকে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়।

  • সঞ্জয় দত্ত

এই তালিকায় নি:সন্দেহে তিনিই সবচেয়ে আলোচিত ও বিখ্যাত নাম। যেসব কারণে সঞ্জয় দত্ত অনেক সমালোচিত ও বিতর্কিত হয়েছেন তার একটি হল এই মাদকসক্তি। তিনি একদম চূড়ান্ত মাত্রায় নেশাগ্রস্ত ছিলেন তরুণ বয়সে। ড্রাগ রাখার কারণে গ্রেফতারও হন। পরে লম্বা পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে ফিরে আসেন স্বাভাবিক জীবনে। ‘সাঞ্জু’ সিনেমায় সেই গল্পের পুরোটাই আছে।

  • গৌরী খান

আপনি জানেন কি? কিং খানের স্ত্রী গৌরী খানকে একবার জার্মানির বার্লিন বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়। কারণ হল, তাঁর সাথে ছিল মারিজুয়ানা। যদিও, তাঁর কাছে এই মাদক খুব স্বল্প পরিমানেই ছিল। তবে, গৌরী বলেছিলেন সেটা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সাথে রেখেছিলেন। তাহলে কি মাদকাসক্তি ছিল গৌরীর? শাহরুখ খান অবশ্য পরে কখনোই সেই নিয়ে টুঁ শব্দটিও করেননি।

  • আফতাব শিবদাসানি

পুনের এক নাইট ক্লাবে গ্রেফতার করা হয় আফতাব শিবদাসানিকে। মাদক গ্রহণকালে একদম হাতে নাতে ধরা পড়েন তিনি। যদিও পরবর্তীতে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন আফতাম। তবে, নাইট ক্লাবটির পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হয় যে, মুখ না খোলার জন্য খোদ আফতাব তাঁদের হুমকি ধামকি দিয়েছিলেন। অভিনয় ক্যারিয়ারে আফতাবের মনে রাখার মত কাজ আছে খুব সামান্যই, তবে ওই সময়ে মাদকাসক্তির কারণে বেশি আলোচনায় ছিলেন তিনি।

– কুইকিবাইট অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।