পর্দায় দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রায়ন: বলিউড কেস স্টাডি

কুখ্যাত গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিম। তাঁকে আসলে নতুন করে চেনানোর কিছু নেই। বলা হয়, ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ের বোমা হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড তিনি। এক সময়ে বলিউডে তাঁর বেশ প্রভাব ছিল।

সময়ের সাথে সাথে সেটা কমে আসলেও বলিউড যেন তাঁকে ভুলতে পারেনি। আজো বলিউডে পছন্দের ক্রাইম থ্রিলারে ঘুরে ফিরেই আসে ডি কোম্পানি, দাউদ কিংবা আন্ডারওয়ার্ল্ড। দাউদের চরিত্রটা নিয়ে হিন্দি ছবিতে অনেক রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়েছে। কখনো তাঁর পুরো জীবন কিংবা জীবনের অংশ বিশেষ এসেছে, কখনো এসেছে স্রেফ প্রসঙ্গক্রমে।

সেই সুবাদে ভারতীয় ফিল্ম ইন্ড্রাস্টিতে প্রায়ই ‘দাউদ ইব্রাহিম’-এর চরিত্রে দেখা যায় ফিল্মস্টারদের। হয়তো আসবেন ভবিষ্যতেও। চরিত্রগুলোতে কেমন করেছেন অভিনেতারা? – চলুন জেনে নেওয়া যাক।

  • অজয় দেবগন (কোম্পানি)

ডন দাউদ ইব্রাহিমের জীবন সবচেয়ে বেশি এসেছে কোম্পানি ছবিতে। আর পর্দার সেরা দাউদও অজয় দেবগন। এখানে আন্ডারওয়ার্ল্ডের অনেক অন্ধকার অধ্যায়েরই বয়ান আছে।

  • অক্ষয় কুমার (ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন মুম্বাই দোবারা)

অক্ষয় এই চরিত্রটিতে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। ছবিটাও ব্যর্থ হয়।

  • ইমরান হাশমি (ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন মুম্বাই)

আধুনিক কালের সেরা ‘দাউদ ইব্রাহিম’দের একজন তিনি। যদিও, ছবিতে তাঁর চেয়ে অনেকাংশেই বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন অজয় দেবগন।

  • ফারহান আখতার (ড্যাডি)

খুবই সারপ্রাইজিং একটা কাস্টিং। পর্দায় ফারহানের উপস্থিতি অল্প সময়ের হলেও তিনি মন্দ করেননি। তবে, ‘ত্রাশ’ ছড়ানোর যে ব্যাপারটা সেটা একেবারেই আসেনি।

রণদ্বীপ হোডা (ডি)

দাউদকে নিয়ে নির্মিত সবচেয়ে আন্ডাররেটেড ছবি হল ‘ডি’। অথচ, খুবই স্পর্শকাতর সব বিষয় দেখানো হয়েছে। আর রণদ্বীপ হুডা এখানে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি কতটা জাত অভিনেতা।

  • ঋষি কাপুর (ডি-ডে)

বৃদ্ধ বয়সের দাউদ ইব্রাহিমকে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। মন্দ ছিল না চেষ্টাটা। আবার আহামরী কিছুও নয়।

  • সিদ্ধান্ত কাপুর (হাসিনা)

সবচেয়ে ভুতুড়ে ‘দাউদ ইব্রাহিম’। যদিও চরিত্রটির আকার খুব কম, তবে সিদ্ধান্তকে এই চরিত্রটা দেওয়া ছিল বিরাট এক ভুল সিদ্ধান্ত।

  • সনু সুদ (শুট আউট অ্যাট ওয়াদালা)

এখানে দাউদ ইব্রাহিমের প্রথম জীবন দেখানো হয়েছে। ‘ভিলেন’ হিসেবে সনু সুদ ছিলেন অসাধারণ।

  • বিজয় মৌর্য (ব্ল্যাক ফ্রাইডে)

খুবই ছোট্ট একটা চরিত্র। বিজয় দারুণ করেছেন।

  • জাকির হুসাইন (কফি উইদ ডি)

বিরক্তিকর ও হাস্যকর – এটুকু বললেই যথেষ্ট! চরিত্রটির মত সিনেমাটাও খুব একটা আলোচিত নয়।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।