এক্সপ্রেশন আর অভিনয়ে অনন্য তারা!

একটা ছবিতে ভালো লাগার জিনিসের কমতি থাকে না। কাহিনী, নির্মান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চিত্রায়ন, রোমান্স, কমেডি, অভিনয়, অভিনেতা-অভিনেত্রি, বিজিএম, পরিচালকের ডিরেকশন বা নিজের বাস্তবের সাথে কোনো কিছু মিল খুজে পাওয়া। তবে, এর বাদেও ছবির প্রতিটা ফ্রেমকেই আকর্ষণীয় করে ফেলতে পারেন নায়িকারা।

দক্ষিণী ছবির ক্ষেত্রে আজ তেমনই কয়েকজন নায়িকার কথা বলবো, তাঁরা অভিনয়, এক্সপ্রেশন, দুষ্টুমি মনের মধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই ভালো লাগা এনে দেয়। ভীড়ের মধ্যেও যেন সহজেই তাদের আলাদা করা যায়।

  • নাজারিয়া নাজিম

তিনি ‘দ্য এক্সপেশন কুইন’! অভিনয়, সৌন্দর্য বা অভিব্যক্তি – যেটাই বলেন না কেন সবদিকে তিনি পরিপূর্ণ। ‘ওম শান্তি ওশানা’ কিংবা ‘ব্যাঙ্গালুরু ডেয়জ’-এর কথা না বললেই নয়। ঠিক যেন পাশের বাড়ির মিষ্টি মেয়েটি, যতবারই দেখি আরো বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়, দেখতে  ইচ্ছা করে বারবার।

  • নিথিয়া মেনন

হুট করে দেখলে তাঁকে বিশেষ কিছু মনে হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি খাঁটো, মোটা। কখনোই ফিগার সচেতন ছিলেন না। কিন্তু, কি মায়াময় একটা চেহারা। শুভ্রতা আর বিশুদ্ধতা ছড়িয়ে দেয় তাঁর হাসি। তিনি যে কতটা মোহনীয় সেটা বুঝতে ‘উস্তাত হোটেল’ আর ‘হানড্রেড ডেয়জ অব লাভ’ দেখলেই চলবে। তিনি সত্যিই স্পেশাল।

  • রুহানি শর্মা

 

‘চি লা সো?’ ছবি দিয়েই নিজের জাত চিনিয়ে ফেলেছেন রুহানি শর্ম। প্রশংসিত হয়েছে তার অভিনয়ও। দর্শকের চোখে এখনো লেগে আছে তাঁর করুণ চাহনী! চেহারাটা দেখলে যেন বুকের ভেতরটা খাঁ খাঁ করে ওঠে। মালায়ালামে নিজের অভিষেক ছবি ‘কামালা’-তে তিনি এসেছিলেন আরো এক ভিন্ন অবতারে।

  • ঋতিকা সিং

তিনি এক সময় বক্সিং খেলতেন। তাই তিনি যেমন ‘কিউট’ তেমনি রাফ অ্যান্ড টাফ। তাই যতগুলো ছবি করেছেন সবগুলোতেই তাঁর সেই চরিত্রটা প্রকাশ পেয়েছে। প্রথম দুই ছবি ‘ইরুধি শুত্রু’ আর ‘আন্ধাভান কাট্টালাই’ দু’টোতে হাসি দিয়ে যেমন মুগ্ধ করেছেন, তেমনি রাগের এক্সপ্রেশনেও ছিলেন অনন্য।

  • শ্রুতি শর্মা

এই তালিকায় শ্রুতি শর্মার নাম দেখে অনেকেই চোখ কপালে তুলতে পারেন। তবে, তিনি দু’টি ছবি করেই সবার মন জিতে নিয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৯ সালের তেলেগু ছবি ‘এজেন্ট সাই শ্রিনিবাস আর্থেয়া’-তে তাঁকে দেখে মুগ্ধ হননি এমন দর্শক খুব কমই পাওয়া যাবে। তার হাসি, কমিক সেন্স ছিল প্রশংসা কুড়ানোর মত।

 

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।