বলিউডের জন্য ঘর-সংসার ছাড়াদের গল্প

হ্যাঁ, নি:সন্দেহে এখন তাঁরা অনেক বড় তারকা। তবে, আপনি জানেন কি, এই অবস্থায় আসার জন্য তাঁদের কত কি করতে হয়েছে? কেউ কেউ ঘর ছেড়েছেন, কেউ তো পালিয়ে এসেছেন, কেউ আবার স্বামী সংসার, প্রেমিক ছেড়েছেন স্রেফ বলিউডে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য। চলুন তাঁদের গল্পটা একটু জানি।

  • নারগিস ফাকরি

তিনি কেবল নিজের বাড়িই ছাড়েননি, প্রেমিকের সাথে ছাড়াছাড়ি পর্যন্ত করেছেন। ২০১১ সারে তিনি ভারতে আসেন। এরপর রণবীর কাপুরের সাথে তাঁর ব্লগবাস্টার সিনেমা ‘রকস্টার’ মুক্তি পায়।

  • অদিতি রাও হায়দারী

বলিউডে আসার আগেই তাঁর সম্পর্ক ছিল। মাত্র ২১ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়। বনিবনা না হওয়ায় তিনি স্বামী সংসার ছেড়ে দেন। ২০১১ সালে বলিউডে অভিষেক হয় ‘ইয়েহ সালি জিন্দেগী’ সিনেমায়। ২০১৩ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আগের জীবনের ব্যাপারে খোলাসা করেন।

  • কঙ্গনা রনৌত

‘গ্যাংস্টার’ দিয়ে ২০০৬ সালে বলিউডে অভিষিক্ত কঙ্গনা অভিনয়ের স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া ছেড়ে দেন। অনেকে বলেন সেই সময় নিজের সিদ্ধান্তের জন্য বাবা হতে চড়ও খেতে হয় তাঁকে। তাই বাধ্য হয়ে অভিনয় করতে বাড়ি ছেড়ে দেন কঙ্গনা। বলিউডে ক্যারিয়ার গড়ার আগে দিল্লীতে স্টেজ শো করতেন তিনি।

  • নাসিরুদ্দিন শাহ

আত্মজীবনী ‘দ্য ওনডে ডে’ তে নাসিরুদ্দিন লিখেছেন, অভিনয় করা তাঁর শৈশব থেকেই স্বপ্ন ছিল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি বাড়ি ছেড়ে দেন। সিনেমায় এক্সট্রা’র কাজ পান। ‘আমান’ ও ‘সাপ্নো কি সওদাগর’ ছবিতে এক্সট্রার কাজই করেন। ১৯৭৫ সালে গিয়ে তিনি ব্রেক পান, কাজ করেন ‘নিশান্ত’ সিনেমায়।

  • মল্লিকা শেরাওয়াত

এক সাক্ষাৎকারে মল্লিকা জানান, তিনি স্বপ্নের পেছনে ছুটতে গিয়ে বাড়ি থেকে পালান। তিনি শিকার করেন যে, বাবা তাঁকে পারিবারিক পদবী ব্যবহার করতেও বারণ করেন। ২০০৩ সালে ‘খওয়াহিশ’ সিনেমায় তাঁর অভিষেক। জনপ্রিয়তা পান মার্ডার সিনেমা দিয়ে।

  • চিত্রাঙ্গদা সিং

বলিউডে আসার আগেই, ২০০১ সালে বিয়ে হয় চিত্রাঙ্গদার। স্বামী রান্ধাওয়ার জ্যোতি সিং। পরে স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে মুম্বাই চলে আসেন চিত্রাঙ্গদা। সম্পর্ক ভাল না হওয়ায় ২০১৪ সালে তাঁদের ডিভোর্স হয়। ২০০৩ সালে ‘হাজারো খওয়াহিশে অ্যায়সি’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে আগমণ হয় তাঁর।

  • বিনা রায়

 

৫০-৬০’ দশকের নায়িকা বিনা রায়ের বাবা-মা তাঁকে সিনেমা করতে দিতে চাননি। তবে, বিনা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন আগেই। তাই নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দেন। এরপর বাধ্য হয়ে বাবা-মা রাজি হন। পরবর্তীতে আনারকলি সিনেমার জন্য বিখ্যাত হন বিনা।

  • জীবন

৪০ থেকে ৮০ দশকের শেষ অবধি কাজ করেছেন জীবন নামে খ্যাত ওমকার নাথ ধর। ১৮ বছর বয়সে মাত্র ২৬ রুপি নিয়ে তিনি বাড়ি থেকে মুম্বাই জলে এসেছিলেন। ছোট বেলা থেকে এটাই তাঁর স্বপ্ন ছিল। কিন্তু, গভর্ণর বাবার এসব পছন্দ ছিল না। এই জীবন হলেন কিরণ কুমারের বাবা। কিরণ হিন্দি, রাজস্থানী ও গুজরাটি সিনেমায় সেই ১৯৬০ থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।

– দ্য ইন্ডিয়ান পিপল অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।