ব্রেক আপ করেছি, বেশ করেছি!

ব্রেক আপ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই একা হওয়া যাওয়ার ভয় পান। অধিকাংশ মানুষ যে কাজটায় ব্যস্ত হয়ে যান, সেটা হল নতুন সঙ্গী খোঁজা। আর এটা করতে গিয়ে অধিকাংশই জীবনটা উপভোগ করতে ভুলে যান। তাই,  মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সুখে থাকতে হলে কোনো সম্পর্কে জড়ানো জরুরী না। বরং একা থাকলে, ভিন্ন ভাবে একজন মানুষ বাড়তি কিছু স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেন।

  • ঘুম

একা থাকার অর্থ হল নিশ্চিন্তে ঘুমানো। ছুটির দিনে আপনার বিশেষ কোনো পরিকল্পনা থাকবে না, যে জন্য আপনাকে ভোর বেলা উঠে বসে থাকতে হবে। কোনো কারণে উঠে গেলেও সময়টা আপনি জগিং করে কাটাতে পারবেন।

  • বই পড়া

এই সময়ে বই পড়ার অভ্যাসটা বাড়িয়ে নিতে পারেন। হাতে তুলে নিন ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’র একটা কপি। চাইলে রবীন্দ্র সাহিত্য শেষ করে ফেলতে পারেন। বইয়ের চেয়ে ভাল সঙ্গী আর নেই। বই কখনো আপনার কাছে বিস্তর অভিযোগ নিয়ে হাজির হবে না।

  • ক্যারিয়ার

ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিতে পারবেন। কর্মক্ষেত্রে আরো বেশি ফোকাস করতে পারবেন। কে জানে, এই করতে গিয়ে একদিন আপনি নামী কোনো সিইও হয়ে উঠবেন। বা চাকরিতে পেয়ে যেতে পারেন বড় কোনো প্রমোশন।

  • অ্যাডভেঞ্চার

‘দ্য হলিডে’ সিনেমাটা দেখেছেন? কিংবা বলিউডের ‘কুইন’? একা থাকা মানেই ভ্রমণ বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়, বরং নতুন করে অ্যাডভেঞ্চারের নেশা পেয়ে বসা। তাই দেরী না করে টিকেট কিনে ফেলুন, রওনা দিন নিজের স্বপ্নের অ্যাডভেঞ্চারে। যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে…

  • যাচ্ছেতাই

ব্রেক আপ হয়ে গেলে আসলে আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন। বন্ধুদের সাথে যখন তখন ঘোরাফেরা করা, কিংবা রাত জেগে সিনেমা দেখা – বারণ করার নেই। বাধ্য হয়ে আপাকে বিরক্তিকর কোনো হরর সিনেমা  দেখতে হবে না, পছন্দের সিরিজ চলার সময় কেউ হকি ম্যাচ দেখতে চাইবে না।

  • খাওয়া দাওয়া

যা ইচ্ছা তাই খেতে চান? খান না, বারণ করার কেউ নেই তো। মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়? আরে, আপনাকে জাজ করার জন্যই তো কেউ নেই। কিসের ভয়!

  • লক্ষ্যে অবিচল থাকা

এই সময়ে আপনার সিদ্ধান্তকে অন্য কেউ প্রভাবিত করতে পারবে না। আপনি যা চান নিজের জীবন নিয়ে সেটা করতে পারবেন। ব্রেক আপ একজন মানুষকে আরো বেশি একাগ্র করে তোলে। ফলে, সে লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থাকতে পারে। সেই লক্ষ্যটা অনেকরকম হতে পারে, কেউ ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবে, কেউ আরাম আয়েস নিয়ে ভাবে। একা থাকা মানে হল প্রায়োরিটি লিস্টের সবার ওপরে নিজের নাম রাখা।

– ব্রাইটসাইড অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।