তাঁরা কেন বি-গ্রেড সিনেমা করেছিলেন!

‘মুভি ফ্রিক’ মাত্রই নিজের পছন্দের তারকাদের সব সিনেমার ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। তবে, এখন যেসব সিনেমার কথা বলতে যাচ্ছি, সেগুলো হয়তো পোড় খাওয়া সিনেমাভক্তরাও মিস করে গেছেন। বলিউডের আজকের শীর্ষ অভিনেতাদের অনেককেই নিম্ন মানের বিগ্রেড সিনেমায় কাজ করতে দেখা গেছে। সেসব নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

  • অক্ষয় কুমার

এই যুগে অক্ষয় পর পর হিট সিনেমার জন্য খ্যাতিমান। সময়ের অন্যতম পরিশ্রমি ও প্রতিভাবান নায়কদের একজন তিনি। অথচ, সেই ১৯৯২ সালে তিনি ‘মিস্টার বন্ড’ নামের একটি বিগ্রেড সিনেমায় কাজ করেছিলেন।

  • ইশা কোপিকার

‘এলওসি’, ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিউ কিয়া’ কিংবা ‘ডন’-এর মত সিনেমা করা ইশা কোপিকারকেও দেখা গেছে বি-গ্রেড সিনেমায়। সিনেমায় আরো ছিলেন তারা শর্মা ও রাজ বাব্বার। সিনেমাটি রগরগে দৃশ্যে ভরপুর ছিল।

  • মমতা কুলকার্নি

নব্বইয়ের দশকে তিনি ছিলেন বলিউডের অন্যতম সাহসী অভিনেত্রীদের একজন। সেই ‘সাহস’-কে ‍পুঁজি করেই তিনি ২০০২ সালে ‘ডিভাইন টেম্পল খাজুরাহো’ নামের একটি বি-গ্রেড সিনেমায় কাজ করেছিলেন।

  • মনিষা কৈরালা

এই নেপালী সুন্দরী অভিনয় দক্ষতার জন্য খ্যাতি কুঁড়িয়েছিলেন। তবুও তিনি বি-গ্রেড সিনেমার পথে হেঁটেছিলেন। ২০০২ সালের সেই সিনেমাটি ছিল ‘ছোটি সি লাভ স্টোরি’। এখানে একজন তরুণের সাথে এক বয়স্ক নারীর প্রেম দেখানো হয়।

  • ক্যাটরিনা কাইফ ও অমিতাভ বচ্চন

ক্যাটরিনা কাইফের বলিউডে অভিষেকই হয়েছিল বি-গ্রেড সিনেমা দিয়ে। ২০০৩ সালের সেই সিনেমাটির নাম ‘বুম’। যদিও, আজকাল বড় বাজেট ছাড়া সিনেমাই করেন না তিনি। ‘বুম’-এ আরো ছিলেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও গুলশান গ্রোভার।

  • শক্তি কাপুর

শক্তি কাপুর বলিউডের খুবই প্রতিভাবান ও সব্যসাচী একজন অভিনেতা। যেকোনো ধরণের চরিত্রে তিনি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। তাঁর অভিনীত বি-গ্রেড সিনেমা হল ‘মেরি লাইফ উসকি ওয়াইফ’। ২০০৯ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়।

  • মিঠুন চক্রবর্তী

মিঠুন তাঁর ক্যারিয়ারে বিস্তর সিনেমা করেছেন। এর মধ্যে বি-গ্রেড সিনেমাও আছে। নাম ‘ক্লাসিক ড্যান্স অব লাভ। মুক্তি পায় ২০০৫ সালে।

  • নওয়াজউদ্দীন সিদ্দিকী

সবাই কম বেশি জানেন যে, বলিউডে জায়গা পেতে নওয়াজকে অনেক কাঠখর পোড়াতে হয়েছে। অনেকগুলো সিনেমাতে তিনি ছোটছোট চরিত্র করেছেন। অর্থের জন্য তিনি ‘মিস লাভলি’ নামের একটি বি-গ্রেড সিনেমাও করেছিলেন। সিনেমাটি ২০১২ সালে মুক্তি পায়।

  • রাজেশ খান্না

নি:সন্দেহে এই তালিকায় সবচেয়ে ‘বিস্ময়কর’ সংযোগ হলেন তিনি। মৃত্যুর কিছু বছর আগে বলিউডের প্রথম এই সুপারস্টার ফিরেছিলেন রুপালি পর্দায়। ২০০৮ সালে তিনি ‘ওয়াফা’ নামের একটি বি-গ্রেড সিনেমা করে বিতর্কের জন্ম দেন।

– লাফিঙ কালার্স অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।